চলারপথে রিপোর্ট :
জেলাপরিষদ চেয়ারম্যান, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার বলেছেন, ‘‘গ্রাম হবে শহর’’ শীর্ষক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাপরিষদ সকল উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ সমূহের সহযোগীতা নিয়ে একযুগে এবং ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে যাবে।
তিনি আজ ২১মে রবিবার জেলাপরিষদের ৫ম মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
সভায় পরিষদের এডিপি ও রাজস্ব খাতের ২য় পর্যায়ের প্রকল্প গ্রহণ সহ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, গণকবর, বধ্যভূমি ও শহীদ সমাধি সংরক্ষণ সহ খ্যাতিমান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংগঠকদের স্মৃতি স্তম্ভ স্থাপন প্রকল্প গ্রহণ এবং বৃক্ষরোপন ও শিক্ষা বৃত্তি বিতরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাছাড়া পরিষদের তিন সদস্যের অস্থায়ী চেয়ারম্যান প্যানেলটি নির্বাচনের মাধ্যমে পূণর্গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে জনপ্রতিনিধি সদস্য, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান অলিও, নবীনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান, নাসিরনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ডা: রাফি উদ্দিন আহমেদ, বিজয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান নাছিমা মোকাই আলী, কসবা উপজেলা চেয়াম্যান রাশেদুজ্জামান কাউছার, নবীনগর পৌরমেয়র শিব শংকর দাস, আখাউড়া পৌরমেয়র তাকজিল খলীফা কাজল, কসবা পৌরমেয়র গোলাম হাক্কানী এবং বাঞ্ছারামপুর পৌরমেয়র তফাজ্জল হোসেন এবং কর্মকর্তা সদস্য সদর পৌরসভা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৃন্দ এবং নির্বাচিত সদস্য বারজন যথাক্রমে বিউটি কানিজ, রুমানুল ফেরদৌসী, সনি আক্তার, সামছুল কিবরিয়া রাজা, পায়েল হোসেন মৃধা, মোঃ বিল্লাল মিয়া, বাবুল মিয়া, বাবুল আক্তর, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ, মোঃ নাছির উদ্দিন ও মোঃ আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) আয়োজনে মঙ্গলবার বিকালে আখাউড়া ও কসবার সীমান্তবর্তী চন্ডিদ্বার বিওপি’র এলাকার ঝাঠুয়ামোড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ১০০ জন অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে শুকনা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
প্রত্যেককে পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, এক কেজি তেল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি আলু দেওয়া হয়। এসময় সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মুহাম্মদ আশিক হাসান উল্লাহ, পিএসসি বলেন, আমরা খুবই ভাগ্যবান যে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এঁর মত একজন নেতা পেয়েছিলাম। যার কারণে আজ আমরা একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্ববাসীর নিকট মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছি। এ রকম মহান নেতা একশ বছরে অথবা হজার বছরে একজন জন্ম গ্রহণ করে থাকেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি কথা আমাদের জন্য অনুকরণীয় এবং অনুস্বরণীয়। আমরা সীমান্ত রক্ষার মহান দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছি। সীমান্ত রক্ষী বাহিনী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া উপদেশ ও নির্দেশ আমরা যথাযথভাবে পালন করেতে পারলে আজকের অনুষ্ঠানের সার্থকতা।
তিনি জানান, সীমানা ঘেঁষা মানুষদের অনেকেই বেশ গরীব। এ কারণেই আমরা শহর থেকে দূরের এলাকা বেছে নিয়েছি। আমাদের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের উপ অধিনায়ক মেজর এ. এম. জাবের বিন জব্বার, পিএসসি, চন্ডিদার বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, দিবসের কর্মসূচি অনুযায়ী সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এ বাদ ফজর হতে কোরআন খতম করা হয়। মসজিদে জোহর নামাজের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ শাহাদাত বরণকারী পরিবারবর্গের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রিভিলি হতে রিট্রিট পর্যন্ত ব্যাটালিয়নের সকল স্থাপনায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং কর্মরত সকল সদস্য কালো ব্যাজ পরিধান করে। এসব খাদ্যসামগ্রী পেয়ে খুশি আব্দুল ক্দ্দুুস নামে বৃদ্ধ বলেন, বিজিবির এ সহযোগিতা আমাদের খুব উপকারে আসবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ২৯ জুলাই সোমবার বিকেলে জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বেগম শারমীন নিগার।
জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার সিনিয়র সহকারী জজ রহিমা আলাউদ্দিন মুন্নির সঞ্চালনায় এতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আয়েশা আক্তার সুমি, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন আহমেদ হ্যাপি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সোনাহর আলী, জিপি এডঃ ওয়াসেক আলী, পিপি এডঃ মাহাবুবুল আলম খোকন, জেলা আইনজীবী সভাপতি এডঃ কামরুজ্জামান মামুন, জেল সুপার, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক, জেলা কারাগারের জেলার, জেলা তথ্য অফিসার, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও এনজিও প্রতিনিধিসহ জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
৬ দফা দাবিতে আজ ১৬ এপ্রিল বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। বিক্ষোভ চলাকালে প্রায় দুই ঘণ্টা ওই মহাসড়কে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ ছিল। এসময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চান্দুরা থেকে মাধবপুর কলেজ পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এসময় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পরে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের ছয় দফা দাবি মানতে হবে। এরমধ্যে জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের অবৈধ পদোন্নতির রায় হাইকোর্টের মাধ্যমে বাতিল করতে হবে, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে যেকোনো বয়সে ভর্তির সুবিধা বাতিল করতে হবে, উপ-সহকারী পাশকৃতদের সংরক্ষিত পদের বিপরীতে নিয়োগসহ ছয় দফার সব দাবি মানতে হবে। শিক্ষার্থীরা বলেন, মহামান্য হাইকোর্ট ৩০% পদ ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের পদোন্নতির পক্ষে রায় দিয়েছে। ফলে তারা প্রমোশন পেয়ে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর হবে। আর এই পদটি হচ্ছে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য। ফলস্বরূপ যারা ডিপ্লোমা পাস করে বের হবে তাদের চাকরির শূন্য পদ ৩০% কমে গেল। আর ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা জন্মলগ্ন থেকেই আন্দোলন সংগ্রাম করতে হচ্ছে। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে আন্দোলন ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর আনোয়ার হোসেন জানান, ছাত্ররা যৌক্তিক দাবি করেছেন। আদালত তাদের দাবি বিবেচনা করে সুষ্ঠু সমাধান করে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরানোর ব্যবস্থা করবেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ মোহসিনুর রহমান জানান, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ ভাবে বিক্ষোভ করেছে। আমি ঢাকায় ট্রেনিংয়ে আছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলেজের সবাই কাজ করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন রহমান জানান, শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে ১১টার পর থেকে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী মহাসড়কে অবস্থান নেয়। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে কলেজের সামনে মহাসড়ক হওয়ায় যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে অবরোধ তুলে নেয়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এতে সাবেক তিন মন্ত্রী, এক এমপিসহ ৫৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সাবেক তিন মন্ত্রী হলেন- গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল।
২৯ আগস্ট বুধবার রাতে সুহিলপুর ইউনিয়নের হারিয়া গ্রামের বাবুল মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, আসামিদের মধ্যে সবাই জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধি। তা ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো ২০০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন হয়েছিল।
তখন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিসিক এলাকায় আন্দোলনে যোগ দেন বাবুল মিয়ার ভাই জহিরুল ইসলাম। এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপুর্ত মন্ত্রী র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খানের নির্দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলি ও বোমা বর্ষণে জহিরুল মারা যান। মামলায় সাবেক এমপি মাইনুদ্দিনকেও আসামি করা হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৩ উপলক্ষে মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব, উপকারিতা এবং মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন ২০১৩ ও বিধি ২০১৭ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা আজ ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেলা ১১টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হেলেনা পারভীন।
সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর সভাপতিত্বে অবহিতকরণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের উপ-পরিচালক মাহমুদুল বাশার, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের সহকারি পরিচালক জয়াশীষ রায়।
বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের স্লাইড প্রদর্শন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসক ডাঃ মাহমুদুল হাসান।
অবহিতকরণ কর্মশালায় বক্তব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ।
কর্মশালায় বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশে মাতৃদুগ্ধ দিবস জাতীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে। মায়ের দুধের কোন বিকল্প নেই। মায়ের দুধই হচ্ছে শিশুদের সর্বোত্তম খাদ্য। বাংলাদেশে শতকরা ৬৫ ভাগ শিশু মায়ের দুধ পান করে। যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।
সভায় বলা হয়, মায়ের দুধের কোন বিকল্প হতে পারেনা। এর পরেও যদি পরিস্থিতির কারণে কোন শিশুকে বিকল্প খাবার দিতে হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।