অনলাইন ডেস্ক :
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে বিভিন্ন পেশা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ ৩০মে মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংগে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশ দেন।
পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। রাষ্ট্রপতি আশা করেন যে, সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গ্রামে-গঞ্জে নিয়োজিত আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা ইতিবাচক অবদান রাখবেন।
“সামাজিক স্থিতিশীলতা উন্নয়নের পূর্বশর্ত। এই বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যান্য পেশাগত বাহিনীকে সহযোগিতা করে আসছে,” বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপ্রধান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা পরবর্তীতে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আনসার ও ভিডিপি-র ভূমিকার প্রশংসা করেন।
আনসার ও ভিডিপির প্রধান বাহিনীর সদস্যদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গৃহীত নানা পদক্ষেপসহ সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক :
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহর ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনার পর ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। আজ ১৬ জুলাই বুধবার বিকাল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান এই নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এদিন দুপুর পৌনে ২টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে এনসিপির সমাবেশস্থলে যায়। সে সময় মঞ্চের আশপাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে দ্রুত আদালত চত্বরে ঢুকে পড়েন। একই সময়ে মঞ্চে ও মঞ্চের সামনে থাকা এনসিপির নেতাকর্মীরাও দৌড়ে সরে যান। যারা হামলা চালান, তারা সবাই আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে এনসিপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছিলেন।
হামলাকারীরা মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর করেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। একপর্যায়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে যান। এনসিপির নেতাকর্মী ও পুলিশ এক হয়ে ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে এনসিপি সেখানে সমাবেশ শুরু করে। দুপুর আড়াইটার দিকে এনসিপির সমাবেশ শেষ হয়।
নেতা-কর্মীরা ফিরে যাওয়ার সময় সড়ক দুপুর পৌনে তিনটার দিকে অবরোধ করে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এনসিপির নেতাকর্মীরা অন্যদিক দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা মোতায়েন রয়েছে।
১ জুলাই থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করছে এনসিপি। এর মধ্যে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এই কর্মসূচি পালন করেছে দলটি। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ গোপালগঞ্জে পদযাত্রা করছে দলটি। গতকাল মঙ্গলবার দলের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এই কর্মসূচিকে ‘১৬ জুলাই: মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ আছে। আজ ৬ জুন মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, কুমিল্লা-১১ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মুজিবুল হক ও চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. মিজানুর রহমানের অনুসারীদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই সংঘর্ষ চলছে।
দলীয় নেতারা বলেন, কুমিল্লা-১১ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের অনুসারীরা বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে উপজেলার মিয়াবাজার হোটেল তাজমহলের সামনে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সদর, বাতিসায় এবং চিওড়ায় মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সমাবেশ আহ্বান করে। একই সময়ে সাবেক পৌর মেয়র এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের অনুসারীরাও মহাসড়কে জামায়াত বিএনপির নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে মিছিল করার ঘোষণা দেয়। এ নিয়ে উভয় গ্রুপে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। অন্যদিকে টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়কে নেতাকর্মীরা অবস্থান করায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ ছাড়া চৌদ্দগ্রাম বিসিক গেট এলাকায় একটি মোটর সাইকেলসহ কয়েকটি যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সংঘর্ষে সাবেক মেয়র মিজান গ্রুপের মঞ্জুর আজাদ,পরাশ উদ্দিন রিপন এবং সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের অনুসারী বাতিসা ইউপি চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন, আবুল হাশেম মেম্বার ও লিমন চৌধুরী আহত হয়েছেন। অন্যদের নাম-পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্লাহ বাবুল বলেন, সাবেক মেয়র মিজানুর রহমানের লোকজন জামায়াত শিবির নেতাদের নিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করতে এসেছিল। তাই আমরা তাদের প্রতিহত করেছি।
হাইওয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, চট্টগ্রামগামী লেন আপাতত বন্ধ আছে। জেলা ও হাইওয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
নতুন এক সাঁকোতে দুঃখ লাঘব হলো বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার দুই গ্রামের ৪ হাজার মানুষের। উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের বিদ্যারবাহন খালের ওপর নতুন এ সাঁকোটি হওয়াতে দুর্দশা থেকে রেহাই মিলেছে বিদ্যারবাহন ও শেলাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের। বিদ্যারবাহন খালে সাঁকো তৈরি হওয়ার আগে ওই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের অতিরিক্ত দুই কিলোমিটার পথ হাঁটতে হতো। কেউবা আবার নৌকায় খাল পার হতো। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে ধরনা দিয়েও মেলেনি তাদের কাঙ্ক্ষিত সাঁকো।
অবশেষে ১৬ অক্টোবর বুড়িরডাঙ্গা গ্রামে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানঘোষিত ৩১ দফার উঠান বৈঠকে হাজির হন বাগেরহাটের মোংলা-রামপাল-ফকিরহাট সংসদীয় আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তখন বিদ্যারবাহন ও শেলাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দারা তার কাছে একটি সাঁকোর দাবি জানান। সেই দাবির প্রেক্ষিতে সেদিনই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফরিদুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার সেই সাঁকো নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। এরপর দুই গ্রামবাসী নতুন সাঁকোটি দেখতে আসার জন্য লায়ন ফরিদকে আমন্ত্রণ জানালে আজ ২২ অক্টোবর বুধবার সকালে তিনি ঘটনাস্থলে আসেন এবং গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সাঁকো পার হন। গ্রামবাসীরা তাকে এই কাজের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বিউটি বেগম, নমিতা হালদার, সুদীপ রায় ও মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, একটি সাঁকোর অভাবে আমাদের দুর্দশার শেষ ছিল না। সাঁকো না থাকায় দুই কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হতো। আবার কেউ কেউ ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় খাল পার হতেন। বিশেষ করে শিশুদের স্কুলে যাওয়া ও বয়স্কদের চলাচলে ভীষণ কষ্ট হতো। শেখ ফরিদুল ইসলাম খালের ওপর নতুন একটি সাঁকো করে দেওয়ায় আমরা দুঃখ কষ্ট হতে বাঁচলাম। আমরা তার জন্য দোয়া করি।
এ ব্যাপারে বিএনপি নেতা শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, মূলত সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই আমি ব্যক্তিগতভাবে উক্ত সাঁকোটি করে দিয়েছি। এতে খালের দুই পাড়ের দুই গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হয়েছে। এখন নারী-পুরুষ ও শিশুরা উপকৃত হবে। আমরা যারা রাজনীতি করি, আমাদেরও সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। সবাই মিলে এমন ছোট ছোট কাজগুলো করতে পারলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সাধারণ মানুষের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করা হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার মধ্যম মাঝিগাছা গ্রামে এক যুবককে ডেকে নিয়ে পিটুনি দেয় প্রেমিকার বাবা ও চাচা। এ ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবকটি মারা যায়। ছেলের মারা যাওয়ার ঘটনা শুনে যুবকের বাবাও মারা যান।
নিহত যুবকের নাম মাহিন মিয়া (২০) ও তার বাবা হিরন মিয়া (৫০)।
নিহতের ছোট ভাই আলম জনান, তার বড় ভাই মাহিনের সাথে প্রতিবেশী তন্বী আক্তারের ১ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গেল বৃহস্পতিবার রাতে মাহিনকে তন্বীর বাবা মুজা মিয়া ও চাচা জাহাঙ্গীর হোসেন বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। পরে মাহিনকে বেদম পিটুনি দিয়ে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত মাহিনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আজ ৭মে রবিবার সকালে কিছুটা সুস্থ বোধ করলে মাহিনকে ছাড় দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে বেলা ১১ টায় বাড়ির সামনে মাথাঘুরে পড়ে যায় মাহিন। পরে আবারও তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, ছেলের মৃত্যুর ঘটনা শুনে বাবা হিরন মিয়া বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাড়ির লোকজন হিরন মিয়াকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার পর প্রেমিকার বাবা ও চাচাসহ স্বজনরা ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজ উদ্দিন জানান, এই পরিবারটি গ্রামের অত্যন্ত নিরীহ পরিবার। নিহত ছেলেটির টাইলসের কাজের পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে ভাতের হোটেলের ব্যবসা করতো। বৃহস্পতিবার রাতে ডেকে নিয়ে ছেলেটিকে পিটিয়ে আহত করে মেয়েটির বাবা মোজাম্মেল ও চাচা জাহাঙ্গীর। এরপর থেকে ছেলেটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। সকালে মৃত্যুর খবর শুনে হামলাকারীরা বাড়িঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়ে গেছে।
মৃত্যুর খবরে ঘটনাস্থলে যান কোতোয়ালি মডেল থানার ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম।
বিকেলে ঘটনাস্থলে যান কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কামরান হাসান।
তিনি বলেন, হামলার ঘটনায় নিহত ছেলেটির মরদেহ বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলা হবে দোষীদের গ্রেফতারি পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস হচ্ছে দাসত্ব ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাস।’ তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনও অন্য কোনো দেশের আধিপত্য মেনে নেয়নি এবং ২০২৪ সালে স্বাধীনতার দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়েছে।
আজ ১৭ মে শনিবার জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমঞ্চে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত এক গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক এসব কথা বলেন।
সমাবেশে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আমরা দিল্লির দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়েছি, ওয়াশিংটনের গোলামীর জন্য নয়। বাংলাদেশ মানবতাবাদী দেশ। যখনই প্রয়োজন, নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং আমাদের সংগ্রাম কখনও অন্য দেশের স্বার্থের পক্ষে নয়।
ড. ইউনূস সাহেব, একসময় আপনি আদালতপাড়ায় ঘুরে বেড়াতেন, সেই জায়গা আমাদেরও চেনা। আমাদের ইসলামি নেতাদের বিরোদ্ধে যেসব মিথ্যা মামলা, গুম, খুন-এসব প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে এই জনতা ক্ষমা করবে না।
এ সময় তিনি ২০১৩ সালের জুলাই গণহত্যা, শাপলা চত্বর গণহত্যাসহ অন্যান্য হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক অটুট ইতিহাস তৈরি করেছে। ২০২৪ সালে আমাদের সংগ্রাম নতুন এক দিগন্ত খুলবে, যেখানে দেশের স্বাধীনতা দ্বিতীয়বার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, মহাসচিব মাওলানা বেলাল উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা আহসানুল্লাহ আমির, কেন্দ্রীয় সচিব মাওলানা আব্দুল আজিজ এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মুসা প্রমুখ।
এ সমাবেশে বক্তারা সরকারের নীতি ও কার্যক্রমের সমালোচনা করে তাদের দাবি জানান যে, বাংলাদেশ যেন কোনো ধরনের বিদেশি আধিপত্য বা দাসত্বের কবলে না পড়ে।