অনলাইন ডেস্ক :
রুশ সাবমেরিন কমান্ডার আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। ৪২ বছর বয়সি কমান্ডার স্ট্যানিস্লাভ রিজিটস্কিকে সোমবার মর্নিং ওয়াকের সময় গুলি করে হত্যা করা হয়। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ক্রাসনোদারে সামরিক অভিযানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বরাতে এ খবর জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস।
কমান্ডার সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে দৌড়াতে বের হন। এ সময়ের মধ্যে অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছুড়ে। এ ঘটনায় একটি ফৌজদারি মামলা হয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানা গেছে, কমান্ডার রিজিটস্কিকে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে দৌড়ানোর সময় চারবার গুলি করা হয়।
নিহত কর্মকর্তা রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিট সাবমেরিনের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ওই জাহাজটি ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছিল।
তিনি ২০২২ সালের জুলাইয়ে ইউক্রেনের ভিনিতসিয়া শহরে একটি সাবমেরিন-চালিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জড়িত ছিলেন। এতে শিশুসহ ২৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। তাকে হত্যার পেছনে কে জড়িত তা জানা যায়নি এখনো। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সূত্র: আলজাজিরা
অনলাইন ডেস্ক :
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধ অভিবাসীদের তাড়াতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে দেশটির অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কর্মস্থলে অনেকে ভয়ে যাচ্ছেন না । স্কুলে যেতে চাচ্ছে না শিশুরা। তারা ভয় পাচ্ছে। অনেক মা-বাবার কাজ বন্ধ। অবৈধ অভিবাসীদের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বাসা-বাড়ি আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিচ্ছে দেশটির বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থার সদস্যরা। স্থানীয় সময় রবিবার থেকে শুরু হয় সাঁড়াশি এ অভিযান। অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর পাশাপাশি অংশ নিয়েছেন এফবিআই ও ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনসহ (ডিইএ) বিচার বিভাগের বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা। অভিবাসন, মাদক, অস্ত্র আর কাস্টমস বিষয়ক ভিন্ন ভিন্ন বিভাগের অভিযানে গ্রেফতারের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ এখন প্রতিদিন শত শত বৈধ কাজগপত্রহীন অভিবাসীকে আটক করে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে। এর মাধ্যমে, যারা বেআইনিভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে তাদের বহিষ্কার করতে ২০২৪ নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকাকালে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে বহু অভিবাসী প্রবেশ করেছিলেন। তাদের বড় অংশের ঠিকানা হয়েছিল টেক্সাস। তখন টেক্সাসের গভর্ণর গ্রেগ অ্যাবট এই অভিবাসীদের বাইডেনের দল ডেমোক্রেটিক পার্টি শাসিত শহরগুলোয় পাঠিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে শিকাগোর স্থানীয় একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের নানা তৎপরতার মুখে আতঙ্কে রয়েছেন শহরটির অনেক অধিবাসী। তাদের অনেকে স্কুল বা কাজে যাচ্ছেন না। যেমন শহরটির উপকণ্ঠে বসবাস করা দুই বোন ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে স্কুলে যাচ্ছে না। তাদের মা–বাবাও কাজে যাওয়া বন্ধ রেখেছেন।
ইউএস কমিটি ফর রিফিউজিস অ্যান্ড ইমিগ্র্যান্টস নামের আরেকটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এনা মারিয়া বেনা বলেন, ‘শিশুরা স্কুলে যেতে চাচ্ছে না। তারা ভয় পাচ্ছে। তারা মা–বাবার কাছ থেকে এসব বিষয়ে শুনছে। সম্প্রদায়ের মানুষের কাছ থেকে শুনছে। আমার মনে হয়, যখন শিক্ষার্থীরা ভয়ের কারণে স্কুলে যেতে চায় না, তখন ওই সম্প্রদায়ের মনের অবস্থা কী, তা অনেকটাই বোঝা যায়?’
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন প্রশাসনের নির্দেশে স্থানীয় সময় গত রবিবার থেকে ঝটিকা অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর পাশাপাশি অংশ নিয়েছেন এফবিআই ও ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনসহ (ডিইএ) বিচার বিভাগের বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা। গতকালপরিচালিত দেশব্যাপী অভিযানে ৯৫৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অভিযান এক সপ্তাহ ধরে চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ট্রাম্পের ইশারায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধ অভিবাসী তাড়ানোর দায়িত্ব পেয়েছেন টম হোম্যান। তিনি আইসিইর সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক। সিএনএনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে হোম্যান ঝটিকা অভিযান শুরুর দিনকে ‘একটি ভালো দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এই অভিযান ‘মোড় বদলে’ দেওয়ার মতো একটি ঘটনা।
সাক্ষাৎকারের সময় ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের শিকাগো শহরে ছিলেন টম হোম্যান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে (অবৈধ অভিবাসন) পুরো প্রশাসনকে কাজে লাগিয়েছেন। শিকাগোর জননিরাপত্তা এবং জাতীয় নিরাপত্তা হুমকিগুলোর ওপর নজর রাখতে আজ আমরা সরকারের সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে মাঠে নামিয়েছি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আইসিই লিখেছে, রবিবার দেশজুড়ে ৯৫৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে শিকাগোয় এই ‘বাড়তি অভিযান’ ছাড়াও আটলান্টা, পুয়ের্তো রিকো, কলোরাডো, লস অ্যাঞ্জেলেস, অস্টিন ও টেক্সাস শহরে অভিবাসনসংক্রান্ত কর্মকর্তাদের তৎপরতা লক্ষ করা গেছে।
শিকাগোতে ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে শহরটির অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার সংগঠনগুলো। আদালতে দাখিল করা নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শিকাগোয় অভিবাসীদের জন্য ছাড় থাকার কারণে শহরটি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযানের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এটা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে যে বাগ্স্বাধীনতার অধিকার দেয়া হয়েছে, সেটি খর্ব করে। একইসাথে চতুর্থ সংশোধনীতে অযৌক্তিক তল্লাশি ও আটকের বিরুদ্ধে যে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে, তা লঙ্ঘন করে।
চলারপথে রিপোর্ট :
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে ট্রাকভর্তি ৩ হাজার কেজি ইলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ইলিশ যাচ্ছে ভারতে। আজ ২৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আখাউড়া স্থলবন্দরে ট্রাকভর্তি ইলিশ দেখা যায়। দু’দেশের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষে মাছগুলো পাঠানো হবে। বাংলাদেশি ইলিশ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান বিডিএস করপোরেশন এবং ভারতীয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হিমপেক্স ইন্টারন্যাশনাল এ বাণিজ্য করছে। এছাড়া আখাউড়া স্থলবন্দর থেকে ইলিশ ছাড়করণে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের দায়িত্বে রয়েছে আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারাদেশের ৪৯টি মাছ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৫০ টন করে ইলিশ রফতানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আগামী ১৩ অক্টোবরের আগেই ইলিশ রফতানি শেষ করতে হবে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। ভারতের বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের মূল্য ধরা হয়েছে ১০ মার্কিন ডলার; যা বাংলাদেশি টাকায় এক হাজার ১৮০ টাকা।
জানা যায়, কলকাতার ভারতীয় মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এফআইএ) থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রফতানির অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়। পরে বিশেষ বিবেচনায় সরকার ভারতে ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয়। এতে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার রফতানির প্রথম চালানটি যাচ্ছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্র্যাফিক) মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, বন্দরে ইলিশ ভর্তি একটি ট্রাক ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। ইলিশ রফতানিতে বন্দর মাশুল পাবে। কাগজপত্রের কাজ শেষে যেন দ্রুত ভারতে প্রবেশ করতে পারে; সেজন্য সহযোগিতা করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক :
আন্তর্জাতিক মান ও পদ্ধতি মেনে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি নাগরিকদের গচ্ছিত রাখা অবৈধ অর্থ ফেরত দিতে পূর্ণ সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সুইজারল্যান্ড।
ঢাকায় নিযুক্ত সুইস রাষ্ট্রদূত রেটো সিগফ্রিড রেংগলি এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের মধ্যে এক বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
আজ ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আলোচনাকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সুইস ব্যাংকে নির্দিষ্ট কিছু বাংলাদেশি ব্যক্তির অবৈধ সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারে সুইস কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।
সাম্প্রতিক ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানকে একটি বিস্ময়কর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে সুইস রাষ্ট্রদূত এই পরিবর্তনকে বাংলাদেশে ব্যাপক সংস্কারের একটি সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় সুইস সরকারের সমর্থনের আশ্বাস দেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এই উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকটি কমিশন গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন।
উভয় পক্ষ জাতিসংঘের গুম বিরোধী সনদে বাংলাদেশের যোগদানে আনন্দ প্রকাশ করে এবং মানবাধিকার কর্মসূচি আরও সমুন্নত রাখতে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।
বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে একটি অভূতপূর্ব সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে বর্ণনা করেন এবং নতুন সুইস বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বেসরকারি খাতের আরও বেশি সম্পৃক্ততা এবং সমতল ক্ষেত্র তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
বিশেষ করে আইসিটিতে বাংলাদেশি তরুণদের অপার সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সুইস সহায়তা কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে সুইস পক্ষের আগ্রহের কথা জানান।
উভয় পক্ষ রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন এবং একমত হন যে মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত জনগণকে নিরাপত্তা, নিরাপত্তা ও অধিকারসহ তাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনই সংকটের একমাত্র সমাধান।
সুইস রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি আরও মানবিক সহায়তার আশ্বাস দেন।
সুইস দূত সুইস ফেডারেল কাউন্সিলরের কাছ থেকে আসা মূল অভিনন্দন বার্তাটি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করেন।
সূত্র : বাসস
অনলাইন ডেস্ক :
রাশিয়ার বিখ্যাত সামাজিক ইনফ্লুয়েন্সার তাতায়ানা ওজোলিনা তুরস্কে একটি ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। ৩৪ বছর বয়সী এই মোটরবাইকার ‘রাশিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী বাইকার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন।
তাতায়ানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মোটোতানয়া’ নামেও পরিচিত। ইউটিউবে তার চ্যানেলের ২০ লক্ষেরও বেশি সাবস্ক্রাইবার এবং ইনস্টাগ্রামে ১০ লক্ষের বেশি ফলোয়ার ছিল। বাইক নিয়ে বিশ্বভ্রমণ করে তিনি বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করতেন, যা থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ আয় করতেন।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ‘তুর্কিয়ে টুডে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাতায়ানা তুরস্কের মুগলা থেকে বোদ্রাম যাওয়ার পথে মিলাসের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাকে ধাক্কা মারেন। স্থানীয় লোকজন দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অ্যাম্বুল্যান্স ডাকেন। তবে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।