চলারপথে রিপোর্ট :
স্বাধীনতা দিবসসহ অগ্নিঝড়া মার্চে নানা রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি পালনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম.এম মাহমুদুর রহমান, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেসমিন সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস পালনে নানা কর্মসূচি গৃহিত হয়।
কর্মসূচির মধ্যে শহিদ স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পন, আলোচনা সভা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পনসহ যথাযথ মর্যাদায় দিবসগুলো উদযাপনে নানা কর্মসূচি রয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
সারাবছর বিভিন্ন মৌসুমি পণ্য ফেরি করে বিক্রি করেন মফিজ মিয়া (৪২)। শুধু বিশেষ কিছু দিবসে দুদিন বাংলাদেশের পতাকা ফেরি করেন তিনি। গত ২৫ বছর ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে পতাকা ফেরি করে বিক্রি করছেন মফিজ। তিনি শহরের মধ্য মেড্ডা এলাকার আলী আকবরের ছেলে।
মহান বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় ফেরি করে পতাকা বিক্রি করতে দেখা গেলো মফিজ মিয়াকে।
মফিজ মিয়া বলেন, ‘গত ২৫ বছর ধরে মৌসুমি পণ্য ফেরি করে বিক্রি করে আসছি। আমার এক ভাইও এ পেশায় জড়িত। ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে শুধু দুদিন পতাকা বিক্রি করি। পতাকার সঙ্গে ব্যান্ড, ফিতা ও স্টিকারসহ নানান পণ্য বিক্রি করা হয়। এসময় বেচাকেনাও ভালো হয়। দুদিনে প্রায় ৬০ হাজার টাকার মতো বিক্রি হয়।’
তিনি বলেন, ‘আগে এত চাহিদা ছিল না। এখন দিন দিন জাতীয় পতাকা বিক্রির চাহিদা বাড়ছে। আমি মনে করি মানুষের দেশপ্রেম বাড়ার কারণে এখন পতাকার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।’
মাথার ব্যান্ড প্রতি পিস ১০ টাকা, মাথার পতাকা ৩০ টাকা, হাত পতাকা ১০ টাকা, ফিতা ১০ টাকা, লেইস ১০ টাকা, স্টিকার ২ টাকা এবং সাইজ অনুযায়ী ১৫০, ৮০, ৫০ ও ৩০ টাকায় পতাকা বিক্রি করছেন মফিজ মিয়া।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী ও কিশোরীকে জরায়ু মুখ ক্যান্সারের টিকা দেয়া হবে। ২৪ অক্টোবর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে প্রথম ডোজের এইচভিপি টিকাদান কর্মসূচি। কিশোরী ও মাতৃমৃত্যু ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে এই কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। আজ ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নোমান মিয়া বলেন, জেলার নয়টি উপজেলা ও পৌরসভার ২৪৯৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ণরত এক লাখ ৯১ হাজার ২০৬ জন পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে একটি করে ডোজ দেয়া হবে। পরবর্তীতে ৩০৬টি স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যালয় বহির্ভুত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সি ১১ হাজার ২২৮ জন কিশোরীকে টিকা দেয়া হবে।
এ সময় আরো বলা হয়, টিকার জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন দিয়ে নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে নিজের বিদ্যালয়ের নাম খোঁজে পাওয়া না গেলে, নিকটস্থ বিদ্যালয়ের নামে অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে। টিকাকার্ড প্রিন্ট করে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ শোভন চন্দ্র সাহা।
মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রোনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি পালিত হয।
দিবসটি উপলক্ষে আজ ৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আয়োজনে শহরে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। সকালে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ি থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় কালিবাড়ীতে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে অংশ গ্রহনকারী জেলা ব্রাহ্মণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী জানান, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালন করার জন্য তিনি যুগে যুগে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তারই অংশ হিসেবে বুধবার তার ৫ হাজার ২৪৯ তম জন্মতিথি পালন করছেন তারা। তিনি বলেন, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংসকে ধ্বংস করে তিনি সেখানে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক অ্যাডভোকেট প্রণব দাস উত্তম বলেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন উপলক্ষে র্যালি বের করা হয়। দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় প্রতি বছর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন উৎসব মুখরভাবে পালন করা হয়।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসলাম হোসেন বলেন, জন্মাষ্টমীর র্যালি উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়া ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি উপলক্ষে শহরের আনন্দময়ী কালিবাড়িতে পূজার্চনা করা হয়।
দুলাল মিয়া :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ সরাসরি বন্ধ থাকবে।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সূত্রে জানা যায়, বন্ধের আওতাভুক্ত এলাকা হলো:
বিজেশ্বর, ভাদুঘর, কাউতলী, কুমারশীল, মেড্ডা, নাটাই, গোর্কঘাট, বিরাসার, ঘাটুরা এবং আশপাশের এলাকায়।
কোম্পানি জানিয়েছে, জরুরি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসময় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প সকল গ্রাহক গ্যাস সংযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।
বাখরাবাদ গ্যাস জানিয়েছে, জেলায় ২৩,১৭৮ জন আবাসিক গ্রাহক এবং ১৬১ জন ক্ষুদ্র কুটির শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহক রয়েছেন। শীতকালে গড়ে ৯.৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং গরমকালে ৮.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার বলেছেন, তৃনমূল থেকে জেলা সদর পর্যন্ত প্রতিটি উপজেলার আয়তন, জনসংখ্যা এবং অনগ্রসরতা বিবেচনায় জেলা পরিষদ থেকে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে অতীতের মত গোপনীয়তা বা অর্থলোটপাটের অভিযোগ করার কোন সুযোগ থাকবেনা।
আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি রবিবার জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিষদের তৃতীয় মাসিক সভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন। সভায় চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে জেলা পরিষদের রাজস্ব এডিপি ও সংসদ সদস্যদের চাহিত প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দের আওতা সর্ব মোট প্রায় ১১ কোটি টাকার দুই শতাধিক প্রকল্প গৃহীত হয়েছে।
এসব প্রকল্পের মধ্যে জেলা ঈদগাহ ময়দানের বাউন্ডারি দেয়াল, স্টেডিয়াম গেইট নির্মাণ, ডাকবাংলা স্থাপন ও সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, ঈদগাহ মাঠ ও কবরস্থানের উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ প্রকল্প উল্লেখ যোগ্য।
জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা উপ-সচিব আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান অলিও, কসবা উপজেলা চেয়াম্যান অ্যাড. রাশেদুজ্জামান কাওসার, আশুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সী, সরাইল উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ঠাকুর, নবীনগর উপজেলা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, আখাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোরাদ হোসেন ভূইয়া, নবীনগর পৌরমেয়র অ্যাড. শিব শংকর দাস, আখাউড়া পৌরমেয়র তাকজিল খলীফা কাজল, কসবা পৌরমেয়র গোলাম হাক্কানী এবং প্যানেল চেয়ারম্যান (১) মোঃ আব্দুল আজিজ (২) মোঃ নাছির উদ্দিন (৩) সনি আক্তার, সদস্য সামসুল কিবরিয়া রাজা ও রুমানুল ফেরদৌসী সহ কর্মকর্তা সদস্য নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভায় উপস্থিত ছিলেন।