চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে সজীব মিয়া (২৯) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করা অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম কুট্টাপাড়া গ্রামের তার নিজ বাড়ির ঘরের তীরের সাথে দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।মৃত সজীব উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম কুট্টাপাড়া গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় তার নিজ ঘরের দরজা ভিতর দিক থেকে বন্ধ থাকায় পরিবারের লোকজন দরজা ভেঙ্গে সজীবকে ঝুলন্ত অবস্থান দেখতে পান।
সজীব দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে পারিবারিক ভাবে জানা যায়। পরে পুলিশকে সংবাদ দিলে ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সজীব গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। কারো কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন বিএনপি’র পদত্যাগী সংসদ সদস্য উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া। গতকাল রোববার বিকেলে রশিদ নামের একজন তার পক্ষে মনোনয়নপত্র নেন বলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন। সাত্তারসহ মোট ৭ জন মনোনয়নপত্র নিয়েছেন জেলা নির্বাচন অফিস থেকে। বৃহস্পতিবার দল থেকে তার পদত্যাগের পর আলোচনা ছড়িয়েছিলো তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে পারেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) থেকে নির্বাচিত বিএনপি’র সংসদ সদস্য উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া সম্প্রতি সংসদ থেকে দলের সিদ্ধান্তে পদত্যাগ করেন। এরপর দলও ছাড়েন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরাইল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ ১৪ অক্টোবর শনিবার বিকালে উপজেলার সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম অডিটোরিয়ামে উক্ত সম্প্রীতি সমাবেশ হয়।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ সরওয়ার উদ্দীন এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সহিদ খালিদ জামিল খান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্প্রীতি সমাবেশে সংক্ষিত মহিলা আসনের এমপি উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মোঃ শাহগীর আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, সরাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রফিক উদ্দিন ঠাকুর, সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ এমরানুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উক্ত সম্প্রীতি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সম্প্রীতি সমাবেশের পূর্বে বাংলাদেশ স্কাউটস সরাইল উপজেলা শাখার উদ্যোগে দাঙ্গা প্রতিরোধে এক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইলে-আশুগঞ্জ) নির্বাচনী আসনে নতুন চমক আসছে। আজ ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকালে নিজ গ্রাম উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আইরল এলাকায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন জাতিসংঘের রেজিস্ট্রার্ড ডেলিগেট ও বিবিসি নিউজ টোয়েন্টিফোর এর হেড অব নিউজ সাংবাদিক এমডি জালাল।
আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা ও উপজেলার প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়া কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে সাংবাদিক এমডি জালাল বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি, চারবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে কাজ করে আসছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে বিশ্বের ৪৭টি দেশ সফর করার সৌভাগ্য হয়েছে। এর মধ্যে নিজ নির্বাচনী এলাকা সরাইল- আশুগঞ্জ এর মানুষের পাশে থাকার যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। করোনাকালীন সময়ে নিজের ফ্লাট বিক্রি করার অর্থ দিয়ে নিজ এলাকার হত দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এলাকার শত শত কর্মহীন মহিলাদের সেলাই মেশিন দিয়ে কর্মসংস্থানের চেষ্টা করেছি। এলাকার হত দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মেধা বৃত্তি প্রদানসহ এলাকার শিক্ষা বিস্তারে অবদান রাখার চেষ্টা করেছি। সর্বোপুরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এলাকায় অব্যাহত রাখার চেষ্টা করেছি।
তিনি আরো বলেন, খুব শীঘ্রই মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে আমেরিকা যাব ইনশাল্লাহ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলে ইতিবাচক সাড়া পেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল- আশুগঞ্জ) নির্বাচনী এলাকায় সকলকে সাথে নিয়ে পুরোদমে নির্বাচননী প্রচারনার কাজ করব। এছাড়া নেত্রী যেভাবে আমাকে নির্দেশনা দিবেন ঠিক সেইভাবেই এলাকায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাব।
সরাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মোঃ আইয়ুব খান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইসমত আলী, ডেপুটি কমান্ডার মোঃ আনোয়ার হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিছ আলী, আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজ আলীসহ জেলা ও উপজেলা থেকে আগত প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়াকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
সরাইলে জান্নাতুল ফেরদৌস (১৪) নামে এক কিশোরী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
আজ ২০ নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামে আজবপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
জান্নাতুল ফেরদৌস উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের আজবপুর এলাকার মৃত আসিদ মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জান্নাতুল ফেরদৌসের জন্মের আগেই তার বাবা আসিদ মিয়া মারা যায়। তারপর মোর্শেদা বেগম মানুষের বাড়িতে বাড়িতে কাজ করে জান্নাতুল ফেরদৌসকে বড় করেন। সকালে মোর্শেদা বেগম বাজারে গেলে এ সুযোগে জান্নাতুল ফেরদৌস ঘরের তীরের সঙ্গে ওড়না পেছিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা দরজা ভেঙ্গে নিহতের লাশ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম জানান, গলায় ফাঁস দিয়ে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে দুপুরে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মর্গে প্রেরণ করেছি। তবে কি কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরী আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে ইজারাকৃত বিলে রিং জাল দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকারের দায়ে তিন জনকে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ ৩০ নভেম্বর শনিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোশারফ হোসাইন উপজেলার শাহাজাদাপুর ইউনিয়নের শাপলা বিলে এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ক্ষমতাপুর গ্রামের টুনু মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়াকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও একই উপজেলার আঁখিতারা গ্রামের হাফিজ মিয়ার ছেলে রায়হান মিয়া ও তার ভাই ফতু মিয়াকে ৫ হাজার টাকা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোশারফ হোসাইন জানান, উপজেলার শাহাজাদাপুর ইউনিয়নের শাপলা বিলে অবৈধ রিং জাল ও ফিক্সড ইঞ্জিন ব্যবহার করে ইজারাকৃত বিল থেকে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছিলো কিছু ব্যক্তি। এতে করে মাছের স্বাভাবিক বংশ বিস্তারে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে, পাশাপাশি বিলের ইজারাদারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার দুপুরে শাপলা বিলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে তিন জনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের দখলে থাকা দুই হাজার মিটার রিং জাল ও দুটি নৌকা জব্দ করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত সরকারি কাজে বিঘ্ন ঘটানোর দায়ে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ১৮৬ ধারায় হাবিব মিয়াকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। বাকী দু’জনকে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন-১৯৫০ এর ৩ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ৫ ধারায় ৫ হাজার টাকা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে জব্দকৃত রিং জাল আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয় ও দুইটি নৌকা সরাইল থানার জিম্মায় দেওয়া হয়।