চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের পারুলিয়া পাড়া, কলামুড়ি ও বুধল ইউনিয়নের ছাতিয়ান গ্রামে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
৩ মার্চ রবিবার চালানো অভিযানে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ একরামুল হক নাহিদ।
অভিযানে পুরাতন কলামুড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদ থেকে ছাতিয়ান পর্যন্ত ৭৫০ ফুট অবৈধ পাইপ লাইন উচ্ছেদ, পারুলিয়া পাড়া থেকে ৫০০ফুট অবৈধ গ্যাস পাইপ লাইন উচ্ছেদ ও ২ কিলোমিটার এলাকার গ্যাস পাইপ লাইন নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি গোপন সূত্রে তথ্য সংগ্রহ করে রবিবার সকালে অভিযানে যায় বাখরাবাদের অভিযানিক টিম। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কলামুড়ি, ছাতিয়ান, ও পারুলিয়া পাড়া এলাকায় ২ টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে ৪৫ গ্রাহকের গ্যাস সংযোগ অবৈধ শনাক্ত হওয়ার পর এসব সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করা হয়।
সূত্র জানায়, এই সঞ্চালন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ২০১৫-১৬ সালে সুহিলপুরের পারুলিয়া পাড়ার অবৈধ গ্যাস সংযোগ গুলো দিয়েছেন সরাইলের গ্যাস ঠিকাদার মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম ওরফে সেলিম মাস্টার।
কলামুড়ি থেকে ছাতিয়ান পর্যন্ত অবৈধ পাইপলাইন স্থাপন করে সংযোগ গুলো দিয়েছেন ঠিকাদার বাশার। অভিযানে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহ আলম, উপব্যবস্থাপক গোলাম মুক্তাদির ,উপব্যবস্থাপক সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ, সহকারী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ মহাব্যবস্থাপন প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও বকেয়া বিল আদায়ে আমাদের টিম ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছে। বকেয়া বিল পরিশোধ ও অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে ব্যবহার না করতে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা তৈরির জন্য সকল মহলের সহযোগিতা চেয়েছেন। এছাড়া অবৈধ সংযোগগুলোর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
অবরোধের নামে জ্বালাও-পোড়াওয়ের প্রতিবাদে ‘বিএনপি জামায়াতের নৃশংসতা-বর্বরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও নারী সমাজ- এই স্লোগানে ৮ নভেম্বর বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ।
জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি রেহানা বেগম রানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাতের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মহিউদ্দিন খোকন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা মিলি, জেলা যুব মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলম তারা দুলি, সহ-সভাপতি মুক্তি খান প্রমুখ।
বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড: তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত বলেন, আজ আমরা অবরোধের নামে বিএনপি জামায়াতের নৃশংসতা বর্বরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছি। যখন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে উন্নয়ন হচ্ছে, তখনই বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিন্তু তারা এই ষড়যন্ত্র করে পার পাবে না। সারা দেশের মানুষ আজ তাদের ধিক্কার দিচ্ছে। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। আমরা তাদের এই হীন অপকর্মের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভনের আনারস প্রতিকের পক্ষে জনতার ঢল নেমেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
আজ ২ জুন রবিবার দুপুরের পর থেকে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে হাজার হাজার আনারস প্রতিকের সমর্থক শ্লোগান দিতে দিতে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে এসে জমায়েত হয়। বিকাল ৪ টার পর থেকে পুরো চত্বর কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠে। একপর্যায়ে পার্শ্ববর্তী সড়কগুলোও জনতার উপস্থিতিতে ভরে যায়। এসময় জনতাকে উদ্দেশ্য করে শাহাদাত হোসেন শোভন বলেন,আজকের বিপুল জনতার স্বত;স্ফূর্ত উপস্থিতি আমাকে অভিভূত করেছে-আবেগে আপ্লুত করেছে। আমি আপনাদের ভালোবাসার ঋণে আবদ্ধ হয়ে গেলাম। আমি প্রার্থী হয়ে মাঠে নামার পর থেকেই গ্রামে-গঞ্জে,শহরের পাড়ায় পাড়ায় সাধারণ মানুষ আমাকে যেভাবে অকুন্ঠ সমর্থন জানিয়েছে তার ঋণ আমি কোনোভাবেই শোধ করতে পারবোনা। আমি আজীবন সদর উপজেলার মানুষের সেবা করে যেতে চাই। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে সহযোগিতা করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করুন,আমি সদর উপজেলাকে পাল্টে দিতে চাই। সন্ত্রাস-মাদক-ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকবো। কোনো প্রকার অনিয়মরে সাথে আমি আপোষ করবোনা।
নির্বাচনী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসলিম মিয়া।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সুজন দত্তের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মো.মহসিন,সৈয়দ মিজানুর রেজা,সোমেশ রঞ্জন রায়,এড.তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হোরায়রাহ,মাও.হাফেজ জাকির হোসেন,স্বপন কুমার রায়,মো.মনির হোসেন,খোকন কান্তি আচার্য,জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নাসির আহমেদ খান,জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যাপক রুমানুল ফেরদৌস,সদর উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদ ভূঞা,জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি কাউসার আহমেদ,সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খান আশা,জেলা কৃষকলীগ আহবায়ক সাদেকুর রহমান শরীফ,ওলামা সমন্বয় পরিষদ সভাপতি মাও.আবদুল্লা,জেলা যুব মহিলা লীগ সভাপতি রাবেয়া খাতুন রাখী,জেলা তাঁতী লীগ সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দুলাল,সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আলী আজম,সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন রানা,পৌর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন লিটন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পণ্যবাহী একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনটি সিএনজিচালিত অটোরিকসাকে চাপা দিলে ১ শিশু আহত হয়। এ সময় ১০ যাত্রী নিরাপদে সড়ে যেতে সক্ষম হয়।
১৯ আগস্ট সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের সদর উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকোল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লা থেকে সিলেটগামী একটি কাভার্ডভ্যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকোল কলেজ হাসপাতালের সামনে নির্মানাধীন মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের সার্ভিস লেনে পড়ে যায়।
এসময় সার্ভিস লেনে থাকা যাত্রীবাহী তিনটি সিএনজিচালিত অটোরিকসাকে চাপা দেয়।
তবে কাভার্ডভ্যানটি কিছুটা ধীরগতি অটোরিকসা গুলোর উপরে পড়ায় কমপক্ষে ১০জন যাত্রী নিরাপদে অটোরিকসা থেকে নেমে যেতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় এক শিশু আহত হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে শিশুটিকে স্থানীয়দের সাহায়তায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
খাটিখাতা হাইওয়ে থানার এএসআই মোঃ শাহিন মিয়া জানান, একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনটি অটোরিকসাকে চাপা দেয়। এ ঘটনায় একটি শিশু আহত হয়েছে, তবে শিশুটি শঙ্কামুক্ত।
চলারপথে রিপোর্ট :
সৌদির মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নজরুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ২১ মে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে নির্মাণ কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় পেছন থেকে আসা একটি বেপরোয়া প্রাইভেটকার তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের কোড্ডা গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মন মিয়ার ছেলে নিহত নজরুল ইসলাম। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।
বাসুদেব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবার থেকে বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমান বলেছেন, মানুষ ভোট দেওয়া ভুলে গেছে। ভোট দিতে চায় না কারণ মনের মতো মানুষ পায় না। এটা আমাদের জন্য কলঙ্ক হয়ে গেছে। আমি যদি না থাকতাম তাহলে নির্বাচনের গন্ধই থাকত না।
২ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমবেত জনতাকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়ে নিজেকে আওয়ামী লীগের লোক বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে পাওয়া একটি ভিডিওতে ফিরোজুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনাদের কাছে অনুরোধ ধৈর্য ধরেন। প্রশাসন থেকেও বলেছে একটু ধৈর্য্য রাখেন।
তারাও মনে করে যে আপনাদের জয় হবেই। নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে হবে। নির্বাচন খারাপ হলে বাংলাদেশের ক্ষতি হবে। যারা হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন তাদের সঙ্গে জনগণ নেই।
কেউ গালি দিলে ধন্যবাদ দেবেন। আঘাত করতে এলে নাম ঠিকানা দেবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি আমার নির্বাচন করতে এলে কেউ আহত হলে সেই দায়িত্ব আমার। আমার জন্য করতে গিয়ে কেউ আহত হলে আমি চলে যাব আমি এমন মানুষ না।’
অভিযোগের সুরে ফিরোজুর রহমান বলেন, ‘আমাকে নিয়ে অনেকে মন্তব্য করে।
আমি একাডেমিকেলি দুর্বল। কিন্তু আমি লায়ন্স-এর গভর্ণর। আমি এখানে একে একে আসছি। ইউনিয়ন, উপজেলা ও সংসদ। তিলে তিলে ব্যবসা করতে করতে এখানে এসেছি। আমি পারব না দুর্নীতি করতে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে। আমরা তো আওয়ামী লীগেরই।’
তিনি বলেন, ‘আমার প্রথম কাজ হবে আপনাদেরকে সম্মান দেওয়া। মানুষের মূল্য একটাই তার আচার ব্যবহার। উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালে শান্তিমতো কাজ করতে পারিনি। অনেক বাধা-বিপত্তি আসছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার বাড়িতে আসাটাও বন্ধ রাখছে কেউ কেউ। আমাদের গ্যাস আমরা সবাই পাই না। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলে না কেউ। আমি সংসদের যেতে পারলে এসব বলব।’
সুষ্ঠু ভোটের বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে বলতে গিয়ে সমবেত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলে ভোট কেন্দ্রে থাকতে হবে। যদি পাহারাদার ঠিক থাকে তাহলে চোর চুরি করতে পারবে না। আপনারা না গেলে চুরি করে নিয়ে যাবে।’
ফিরোজুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বাতিল করলে আপিলে তিনি তা ফিরে পান।