চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে ৫ নারী-পুরুষকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ ২৩ মার্চ শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের লোকনাথ উদ্যান (টেংকেরপাড়) এলাকার একটি বাসার পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে ৪ নারী ও ১ পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, আশুগঞ্জ উপজেলার খলাপাড়া গ্রামের আমির আলীর ছেলে মোঃ আবদুর রউফ, সদর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের বিল্লাল মিয়ার স্ত্রী শিল্পী, বিল্লাল মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া, সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের ছাতিয়াইন গ্রামের নান্নু মিয়ার মেয়ে জাকিয়া, ভোলা জেলার ওয়াজপুর গ্রামের রুবেল মিয়ার স্ত্রী তামান্না আক্তার।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসলাম হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা শহরের লোকনাথ উদ্যান এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বহুতল ভবনের ৫ তলায় অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে ৪ নারী ও ১ পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নতুন এ্যাডহক কার্যনির্বাহী কমিটি হয়েছে। সোসাইটির মহাসচিব কাজী শফিকুল আযম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে আজ ৩ জুন সোমবার।
পদাধিকার বলে এই কমিটির চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ বিল্লাল মিয়া।
এ্যাডহক ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিশিষ্ট নারী নেত্রী এডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাতকে এবং সেক্রেটারী হয়েছেন মোহনা টেলিভিশন ও দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহাজাদা।
১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন প্রফেসর ড. মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদ খান লাভলু, এম. এ. এইচ মাহাবুব আলম, এম সাইদুজ্জামান আরিফ, রবিউল হোসেন রুবেল, এডভোকেট ইফতেখার বারী তানভীর, মোঃ নাজির হোসেন ভূঁইয়া ও খন্দকার রায়হান। উল্লেখ্য, ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান পদে এই প্রথম একজন নারীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
কমিটির বিষয়ে দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের কার্যনিবাহী কমিটির কার্যক্রম সচল ও গতিশীল রাখার লক্ষ্যে সোসাইটির চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের এ্যাডহক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৩ জুন থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ মাস মেয়াদী এই কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠনে কাজ করবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা আজ ২৭ আগস্ট মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বেগম শারমিন নিগার এর সভাপতিত্বে বিচারকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আয়েশা আক্তার সুমি এবং অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।
অন্যদের মধ্যে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেল সুপার মোঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) মাহাবুবুল আলম চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতি সভাপতি এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
মাসিক সভার সঞ্চালনা করেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) রহিমা আলাউদ্দিন মুন্নি।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির বিভিন্ন সরকারি আইন সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিগ্যাল এইডের প্রাতিষ্ঠানিক প্রচারের লক্ষ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষামূলক সেশন ও কুইজ প্রতিযোগিতা ও গণশুনানী অনুষ্ঠান আয়োজন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং- চট্টঃ ১৭৬৩) এর সাধারণ সভা আজ ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় শহরের দক্ষিণ পৈরতলাস্থ পুনশ্চ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্মান শ্রমিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ জামাল মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাদিরুজ্জামান সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সহ সাধারণ সম্পাদক হাজী রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ স্বপন মিয়া, অর্থ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম মিয়া, প্রচার সম্পাদক এম এ আঃ করিম, কার্যকরী সদস্য মোঃ বাকির মিয়া, বিশিষ্ট সদস্য হাজী মোঃ শফিকুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন সরকার, মোঃ রেনু মিয়া, ওবাইদুল সরকার, কালু মিয়া, আঃ রহমান, মুর্শিদ মিয়া, মানিক মিয়া, মজনু মিয়া, মাসুদ রানা, শাহ আলম, মোকলেছ মিয়া, জামাল, মোমিন প্রমুখ।
সভায় বিগত বছরের হিসাব বিবরনী উপস্থাপন করা হয় এবং কমিটির সদস্যদের ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও আইডি কার্ড প্রস্তুত করে সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্মান শ্রমিক ইউনিয়ন একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। এই সংগঠনের সুনাম আমাদেরকে ধরে রাখতে হবে। আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ থেকে শ্রমিকদের কল্যাণমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করবো এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।
চলারপথে রিপোর্ট :
চাকরী জাতীয়করণ করার ১দফা দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ ও জেলা কমান্ডারের অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে আনসার সদস্যরা।
আজ ২৪ আগস্ট শনিবার দুপুরে শহরের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মঞ্চে জড়ো হয়ে আনসার সদস্যরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহর বাইপাস এলাকার জেলা কমান্ডার অফিস ঘেরাও করে।
আন্দোলন চলাকালে আনসার সদস্য নোমান মিয়া বলেন, আমরা এত বছর ধরে চুক্তিভিত্তিক ভাবে কাজ করে আসছি। আমাদের যখন বিশ্রামের নামে ছুটিতে পাঠানো হয়, তখন আমাদের বেতন ভাতা দেয়া হয়না। আমরা তখন কিছুই করতে পারিনা। আমরা যতবার কথা বলতে চেয়েছি, আমাদের ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এই বাংলায় আমরা আর বৈষম্য চাইনা। আমাদেরকে চাকরী জাতীয়করণ করতে হবে। আমাদের ১দফা দাবি আদায়ে সারাদেশ আমরা একত্রিত হয়েছি। যতদিন আমাদের দাবি আদায় না হবে, আমরা কর্মবিরতি পালন করে যাব।
রবিউল নামে আরেক আনসার সদস্য জানান, ১৯৪৮ সাল থেকে আনসার বাহিনী গঠনের পর থেকে আমরা চুক্তিভিত্তিক ভাবে কাজ করি। সকল বাহিনীর সাথে আমরা কাজ করি। যখন দেশে পুলিশ বাহিনী ছিলো না। আমরা থানায় কাজ করেছি, ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করেছি। আমরা যখন চুক্তিতে থাকি না, তখন আমাদের বেতন দেয়া হয়না। সব বাহিনী থেকে সবচেয়ে অবহেলিত আমরা আনসার বাহিনীর সদস্যরা। আমরা আর চুক্তি চাই না। আমরা এখন মুক্তি চাই। আমাদের ১ দফা দাবি আমাদের চাকরী জাতীয়করণ করতে হবে। আমরা জেলা কমান্ডারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। আশা করি তিনি আমাদের পাশে থাকবেন। তিনি বলেন, আমাদের আগামীকাল ঢাকায় মহাসমাবেশ রয়েছে। আমরা সবাইকে অংশগ্রহন করার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিকে আনসার সদস্যদের সাথে একমত পোষন করে জেলা কমান্ডার মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান, তাদের দাবি আদায়ে সবসময় তিনি পাশে থাকবেন। তিনি বলেন, আমার সৈনিকরা ভালো থাকলে আমরা ভাল থাকবো। তাই আমিও চাই তাদের ১দফা দাবি পূরণ হোক। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলোচিত ঠিকাদার ও জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক গণপূর্তমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহচর হামিদুল হক ভূইয়া হামদুকে (৬৫) গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানার পুলিশ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯ অক্টোবর বুধবার রাতে চট্টগ্রামের চক-বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আজ ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে চট্টগ্রাম থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
হামিদুল হক ভূইয়া হামদু ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চিনাইর গ্রামের মৃত জিল্লুর রহমান ভূইয়ার ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।
অভিযোগ রয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হামদু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব সরকারি অফিসের ঠিকাদারি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হামদু আত্মগোপনে চলে যান। বুধবার রাতে সদর মডেল থানার পুলিশ চট্টগ্রামের চক-বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, হামদুর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় চারটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি হত্যা মামলা, একটি গুম ও একটি বিষ্ফোরক মামলা। রাতে তাকে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।