চলারপথে রিপোর্ট :
নবীনগর প্রেসক্লাবে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরীর এক মতবিনিময় সভা আজ ২ নভেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় নবাগত ইউএনও রাজীব চৌধুরী বলেন, নবীনগরে সাংবাদিকদের সংখ্যা বেশী, আমি সবসময় সাংবাদিকদের সাথে কাজ করতে আগ্রহী, নবীনগর কে এগিয়ে নিয়ে যেতে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা চাই, আমি সচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততার সাথে কাজ করতে চাই, আমি হলুদ সাংবাদিকতার স্বীকার হতে চাই না, আমার কোন কাজে যদি আপনাদের চোখে কোন ত্রুটি দেখা দেয় তাহলে আমাকে অবগত করবেন আমি এর সমাধান দিতে চেষ্টা করব, না পারলে আপনারা গঠনমূলক লেখা লিখবেন। আমাকে বিশেষ কোন সম্প্রদায় বা বিশেষ কোন দলের ভাববেন না। আমি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, প্রজাতন্ত্রের এই দেশ যারা পরিচালনা করেন আমি তাদের লোক, প্রজাতন্ত্রের সেবক হয়ে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। আমি ইতিমধ্যে নবীনগর পৌরসভায় যানজট নিরসনে কাজ শুরু করেছি, আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ আরজু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি পীযুষ কান্তি আচার্য, দৈনিক সমকাল এর স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ আবদুর নূর, জেলা প্রেসক্লাবের পাঠাগার সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শুক্কু, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি সাহাদাত হোসেন।
সভাপতিত্ব করেন, নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি শ্যামা প্রসাদ চক্রবর্তী শ্যামল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু, নবীনগর পৌর জামায়েতের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাশার, সমাজসেবক মাওলানা সানাউল্লাহ্, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি মোর্শেদুল ইসলাম লিটন, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম সবুজ।
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল আলম সোরাফ এর সঞ্চালনায় ক্লাবের উপস্থিত সাংবাদিকরা তাদের পরিচয়ের মধ্যে দিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আবু কামাল খন্দকার, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহাবুব আলম লিটন, সাবেক সেক্রেটারি কান্তি কুমার ভট্টাচার্য, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম মিনাজ, সাবেক সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি মো.ইব্রাহিম খলিল, সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসেন শান্তি, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম বাদল, সাংবাদিক কামরুল ইসলাম, সাংবাদিক আবদুল হাদী, সাংবাদিক মো. মনির হোসেন, সাংবাদিক নূরে আলম বিপ্লব, সাংবাদিক নূরে আলম, সাংবাদিক মোঃ আমজাদ হোসেন, সাংবাদিক মো. আলমগীর, সাংবাদিক জামাল হোসেন পান্না, সাংবাদিক মাহবুব মোর্শেদ, সাংবাদিক আলম প্রমুখ।
চলারপথে রিপোর্ট :
আজ ৬ সেপ্টেম্বর ‘সুরসম্রাট’ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনিই প্রথম বাঙালি, যিনি সর্বপ্রথম পাশ্চাত্যে উপমহাদেশের রাগসঙ্গীতকে পরিচিত করান।
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন খ্যাতনামা উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী ও সরোদবিশারদ। বাবা সঙ্গীতজ্ঞ সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁ, মা সুন্দরী বেগম। ছোটবেলায় তার বড় ভাই ফকির (তাপস) আফতাব উদ্দিন খাঁর কাছে সঙ্গীতের হাতেখড়ি। সুরের সন্ধানে মাত্র ১০ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে এক যাত্রাদলে যোগ দিয়ে ঘুরে বেড়ান গ্রামে গ্রামে। ওই সময় তিনি জারি-সারি, বাউল, ভাটিয়ালি, কীর্তন, পাঁচালি প্রভৃতি গানের সাথে পরিচিত হন। পরে কলকাতায় গিয়ে প্রখ্যাত সঙ্গীত সাধক গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য ওরফে নুলো গোপালের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। বাঁশি, পিকলু, সেতার, ম্যান্ডোলিন, বেঞ্জো ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র বাজানো শেখেন সঙ্গীত পরিচালক অমৃত লাল দত্ত ওরফে হাবু দত্তের কাছে। সেই সাথে তিনি লবো সাহেব নামে এক গোয়ানিজ ব্যান্ডমাস্টারের কাছে পাশ্চাত্য রীতিতে এবং বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ অমর দাসের কাছে দেশীয় পদ্ধতিতে বেহালা শেখেন। এ ছাড়া হাজারী ওস্তাদের কাছে শেখেন মৃদঙ্গ ও তবলা। ১৯১৮ সালের পর তিনি ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে। আলাউদ্দিন খাঁ ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের মাইহারে মদিনা ভবনে মারা যান। রাষ্ট্রীয়ভাবে ভারতে তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর জন্ম কিংবা মৃত্যু কোনো দিবসই পালন করা হয় না। অপর দিকে তার স্মৃতিচিহ্নগুলো সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে নামে-বেনামে বেদখল হয়ে যাচ্ছে জমিজমা, বাড়িঘর, নিজ হাতে তৈরি করা মসজিদের জায়গা ও পুকুর। সবমিলিয়ে নিজ জন্মভূমিতেই অবহেলিত উপমহাদেশের সঙ্গীতজগতের কিংবদন্তি ‘সুরসম্রাট’ খ্যাত ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নারুই গ্রাম থেকে জামায়াত ইসলামী ও শিবিরের ৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ ৩১ মে শুক্রবার সকাল ১১টায় ওই এলাকার আব্দুর রশিদের বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: নবীনগর উপজেলার আব্দুর রশিদ (৬৫), বাদল মিয়া (৪৮), শাহিন ইসলাম (২৪), সদর উপজেলার ডা. আবু হানিফ (৬৫), সাহেদ আলম (২১), বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আলম (৫৩) ও আশুগঞ্জ উপজেলার মো. মামুন মিয়া (৩৭)।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলম জানান, এলাকায় নাশকতা সৃষ্টি ও আসন্ন নবীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য উপজেলার নারুই গ্রামের রশিদ মিয়ার বাড়িতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করা জামায়াত-শিবিরের নেতারা একত্রিত হয়ে গোপন বৈঠক করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই গ্রামে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জামায়েত ইসলামী ও শিবিরের ৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখান থেকে কয়েকজন পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে বৈঠকর ব্যানার, নির্বাচন বিরোধী লিফলেট জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নবীনগর থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের শনিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।
মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ ও শিকানিকা গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনা নদীতে একটি সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষকে। স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির অধীনে যমুনা নদীর উপর ৮১ মিটার সেতু নির্মাণের জন্য ৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার।
দরপত্র অনুযায়ী সেতুটি নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুছ আল মামুন ও মেসার্স জাকির এন্টার প্রাইজ (জেভী) কে ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালে ৪ জুলাই পর্যন্ত ৫৪০ দিনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার কার্যাদেশ দেওয়া হয়। দেড় বছরে মধ্যে কাজটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সেতুর দুপারে সামান্য পাইলিংয়ের কাজ শেষ করেই প্রায় ৮ মাস পূর্বে বাকি কাজ ফেলে পালিয়ে যান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন।
যার ফলে প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এ রাস্তায় চলাচলকারী রসুল্লাবাদ, সাতমোড়া, জিনদপুর, ইব্রাহীমপুর ও লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক সাধারণ মানুষ। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ কাজ শেষ করে ভোগান্তি নিরসনের দাবি এ এলাকার সাধারণ মানুষ ও পথচারীদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, যমুনা নদীর উপর সেতুর দুই পাড়ে সামান্য পাইলিং করা হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয়দের উদ্যোগে সেতুর পাশে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে, যেটা দিয়ে এলাকাবাসী ও পথচারীরা পারাপার হয়।
নদীর তীরে স্থানীয় দোকানদার সবুজ মিয়া বলেন, একটি সেতু না হওয়ায় আমাদের দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পুহাতে হচ্ছে। এখানে সেতু হলে চলাচলেও যেমন পরিবর্তন আসবে তেমনি আমাদের আয়-উপার্জনও বৃদ্ধি পাবে।
এ রাস্তায় চলাচলকারী আনোয়ার হোসেন বলেন, সেতু না থাকায় মানুষের যে কষ্ট তা বলে বোঝানো যাবে না। স্কুল কলেজে যাওয়ার সময় অনেক শিক্ষার্থী সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার হতে হয়। এই সেতুটি নির্মাণ হলে পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ খুব সহজে যাতায়াত করতে পারবে।
রসুল্লাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মনির হোসেন জানান, আমাদের জন্য অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি। তিনি বলেন, স্বপ্নের এই সেতুটি নির্মাণ হলে এ রাস্তায় চলাচলকারী আশেপাশের ৫ টি ইউনিয়নের অনেক মানুষ উপকৃত হবেন। তাই পুনরায় দরপত্রের মাধ্যমে নতুন ঠিকাদারের মাধ্যমে সেতুর কাজ দ্রুত শুরু করতে সরকারের কাছে আহ্বান জানান তিনি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে বিষয়টি নিয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবীনগর উপজেলার এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুব হোসেন বলেন, দরপত্রের চুক্তির শর্ত না মানায় পূর্বের ঠিকাদারদের সাথে কার্যাদেশ বাতিল প্রক্রিয়াধীন। নতুন করে রি-টেন্ডার করে অচিরেই সেতুটির কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।
চলারপথে রিপোর্ট :
নবীনগর লঞ্চঘাট সংলগ্ন তিতাস নদীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান করা হয়েছে।
আজ ১২ মার্চ রবিবার সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা জাহান এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তিতাস নদীর পাড়ে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
এছাড়াও স্পিডবোটে যাত্রীদের গায়ে লাইফ জেকেট না থাকায় স্পিডবোট মালিককে ২ হাজার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন করায় একটি হোটেল কে ২ হাজার টাকা এবং মাদক সেবনের অপরাধে একজনকে এক মাসের কারাদণ্ডসহ একশত টাকা জরিমানা করা হয়।
এবিষয়ে নবীনগর সহকারী কমিশনার ভূমি মাহমুদা জাহান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিক স্যারের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি আরো বলেন, তিতাস নদীর সৌন্দর্য্য বর্ধন করা সহ নদীর পাড় রক্ষায় অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা। আজ ৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সদরে তারা বিক্ষোভ করে। এতে স্থানীয় অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, নবীনগর সদরে অবস্থিত পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুপুর দুইটার দিকে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে এসে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওইসময় কয়েকজন শিক্ষককেও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে দেখা যায়।
নবীনগর পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশিদা আক্তার বলেন, সহকারী শিক্ষকদের চলমান কর্মবিরতির পরও আমরা প্রতিদিনই রুটিন মাফিক পরীক্ষা নিচ্ছি। এরপরও কাদের প্ররোচনায় শিক্ষার্থীরা হঠাৎ এভাবে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে শিক্ষা অফিস ও ইউএনও অফিসে গিয়ে বিক্ষোভ করল, সেটিই তো বুঝতে পারছি না।
বৃহস্পতিবার প্রথম শিফটে (সকাল) পরীক্ষার্থী কম উপস্থিত হওয়ায় পরীক্ষা নিতে পারিনি। বিকেলের শিফটে শিক্ষা অফিসারের উপস্থিতিতে আমি একাই পরীক্ষা নিয়েছি।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার উম্মে সালমা বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যারা রাস্তায় নামিয়ে বিক্ষোভ করিয়েছে, তারা কাজটি মোটেই ভালো করেননি। এটি একটি অশোভন কাজ হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা এসি ল্যান্ড খালিদ বিন মনসুর বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।
প্রসঙ্গত, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১১তম গ্রেড পাওয়ার দাবিতে চলমান কর্মবিরতিতে এখন সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন।