চলারপথে রিপোর্ট :
‘সমবায়ে গড়বো দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে নানাবিধ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়েছে।
জেলা কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।
আজ ২ নভেম্বর শনিবার সকালে জেলা কালেক্টরেট অঙ্গনে জাতীয় পতাকা ও সমবায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটি পালনের শুভ সূচনা করা হয়। পরে কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও শ্রেষ্ঠ সমবায়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পু্লশি সুপার মো. ইকবাল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সিভিল কার্যালয়ের কর্মকর্তা ডা. আবুল হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন। জেলা সমবায় কার্যালয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ্ আলম খন্দকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সমবায়ীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির আনিছুল ইসলাম ঠাকুর, দি ডাচ বাংলা ঋণদান সমিতির খলিল বশির মানিক, মেড্ডা সমবায় সমিতির আবু হানিফ তালুকদার প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, একা অনেক কিছুই করা সম্ভব হয়না, সকলে মিলে করা যায়। একতাবদ্ধ হলে অনেক বড় কাজও করা যায়। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই মান্ষু সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম করে আসছে। ঋণগ্রস্ততা আমাদের সমাজের জন্য একটা বিরাট ব্যাধি। সমবায় এই ঋণগ্রস্ততা থেকে পরিত্রাণের একটি অনন্য মাধ্যম। আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতেও সমবায় অনন্য অবদান রাখবে। অনুষ্ঠানের শেষে দু’টি পর্যায়ে আটজন শ্রেষ্ঠ সমবায়ীর মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
দুলাল মিয়া :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার মধ্যপাড়া ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব প্রাঙ্গণে বিএনপির নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের মিয়ার সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর বিজয়নগর ৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর–বিজয়নগর) আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দেশের প্রতিটি পরিবারকে কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এসব কার্ডের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোকে আড়াই হাজার টাকার সমমূল্যের প্রয়োজনীয় মালামাল সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন শ্যামল বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই আমার রাজনীতির মূল প্রেরণা। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করলেই এলাকার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী সিরাজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, সহ-সভাপতি এডভোকেট শফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি এবিএম মোমিনুল হক, সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, এডভোকেট আবদুর রহমান, নিউইয়র্ক বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ, জসিম উদ্দিন রিপন, নজরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী আজম, যুগ্ম সম্পাদক মাইনুল হোসেন চপল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মাহমুদ, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আশিকুল ইসলাম সুমন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শেখ শেকুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক বারেক মিয়া, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম শিশির, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইয়াছিন বাবু, মিয়া, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, এজাজ আহমেদ মনির, ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি ইসরাইলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোক প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ১২৩ জন রোগীর মধ্যে এককালীন অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ১২৩ জন রোগীর প্রত্যেকের হাতে ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সেলিম শেখ ও সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ নূরুল মাহমুদ ভূইয়ার সঞ্চালনায় চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া। বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রশীদ ভূইয়া ও আলআমিনুল হক পাভেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার মা। তিনি দেশের প্রতিটি সেক্টরে অভাবনীয় উন্নয়ন করেছেন। তিনি সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে অসহায় মানুষকে জায়গাসহ ঘর নির্মান করে দিচ্ছেন। করোনাকালে অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন। বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দেয়া সহ, বিধবা ভাতা, মাতৃদুগ্ধভাতা, স্বামী পরিত্যক্তাদের ভাতাসহ প্রতিবন্ধীদেরকে ভাতার আওতায় এনেছেন। শুধু তাই নয় তিনি ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোক প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য অনুদান দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, আগের কোন সরকারের আমলে মানুষ এতো ভাতা পেয়েছেন কিনা জানিনা, তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন মমতাময়ী মা, তাই তিনি সকলের খবর রাখেন। তিনি কঠিন রোগে আক্রান্তদের পাশে দাড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে প্রত্যেক রোগীকে ৫০ হাজার টাকা করে দেয়া হচ্ছে।
মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, আগের সরকারের আমলে নেতারা নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন করেছেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে, মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ১২৩ জন রোগীর প্রত্যেকের হাতে ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন।
দুলাল মিয়া :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক দুটি অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি এয়ারগান এবং ৭১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে র্যাব।
আজ ৩১ জানুয়ারি শনিবার (ভোর রাতে) ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের কলেজপাড়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৯ এর সিলেট মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিষয়টি র্যাব-৯ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ক্যাম্পের অধিনায়ক মো. নূরনবী নিশ্চিত করেছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোর রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মৌড়াইল কলেজপাড়ার একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের লায়ন ফিরোজুর রহমান রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশের একটি ক্ষেত থেকে পৃথক অভিযানে একটি এয়ারগান ও ৭১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় র্যাবের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুলাল মিয়া :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ৭নং তালশহর পূর্ব ইউনিয়নে এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির নেতা ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দেশের প্রতিটি পরিবারকে কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এসব কার্ডের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোকে আড়াই হাজার টাকার মূল্যের প্রয়োজনীয় মালামাল সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, “জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই আমার রাজনীতির মূল প্রেরণা। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করলেই এলাকার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।” নির্বাচিত হলে তালশহর পূর্ব ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
নির্বাচনী সভা ও গণসংযোগকালে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় স্থানীয় জনগণ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন চাহিদা ও প্রত্যাশার কথা তাঁর কাছে তুলে ধরেন। তিনি মনোযোগ সহকারে সেসব কথা শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
তালশহর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা ফাইজুর রহমান ফয়েজ ও জামির হোসেনের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সহ সভাপতি এ.বি.এম. মমিনুল হক, জসিম উদ্দিন রিপন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী আজম, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক ভিপি আবু শামীম মোহাম্মদ আরিফ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানু রহমান, জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ময়নুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আশিকুল ইসলাম সুমন, সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জিয়াউল হক, সদস্য সচিব তানভীর রুবেল, মহিলা নেত্রী নাজনীন বেগম প্রমুখ।
এছাড়াও স্থানীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
সম্মিলিত সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম এর মাধ্যমে রেলওয়ের বৈষম্যমূলক কার্যক্রমের প্রতিবাদ এবং তা নিরসনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এসময় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কমপক্ষে বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপিতে উপবন এবং কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের দাবি জানানো হয়। চট্টগ্রাম-ঢাকা-ঢাকা-কক্সবাজার পথের ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবি জানানো হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা রুটে আন্ত:নগর মর্যাদার নতুন একটি ১৬ কোচ বিশিষ্ট ট্রেনের দাবি জানানো হয়। তিতাস কমিউটার ট্রেনের নতুন ১৬টি কোচের দাবি জানানো হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রুটের বিজয় এক্সপ্রেস এর যাত্রাবিরতির দাবি জানানো হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে উক্ত দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বুক দিয়ে কোনো ট্রেন যেতে আসতে পারবে না বলে জানানো হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সহ-সভাপতি সাংবাদিক ইব্রাহিম খান সাদাত, সাংবাদিক পীযুষ কান্তি আচার্য, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোবারক হোসাইন আকন্দ, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত, তরী বাংলাদেশ এর আহবায়ক মো. শামীম আহমেদ, সদস্য খালেদা মুন্নী প্রমুখ। এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম বেশ আন্তরিকতার সাথে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।