চলারপথে রিপোর্ট :
নবীনগর পৌর এলাকায় বালুবাহী ট্রলির ধাক্কায় আব্দুর রহমান (১৪) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর পশ্চিম পাড়ার ছোট্ট মিয়ার ছেলে।
আজ ১৪ নভেম্বর বৃহষ্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানান, গতকাল দুপুরে নবীনগর পৌর এলাকার পশ্চিম পাড়ায় আব্দুর রহমান রাস্তা পারাপারের সময় পেছন থেকে বালুবাহী ট্রলি ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়।
আব্দুর রহমানের বাবা ছোট্ট মিয়া বলেন, তাকে মালবাহী ট্রলি ধাক্কা দিলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। ট্রলিটিকে আটক করা হয়েছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বালুবাহী ট্রলির ধাক্কায় একজন মারা গেছেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
নবীনগর উপজেলার কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়ন কৃষক দলের উদ্যোগে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১০ জানুয়ারি শুক্রবার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার কাইতলা বাজার প্রাঙ্গনে দলীয় নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোঃ মাসুদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা বিভাগীয় কৃষকদলের উপকমিটির যুগ্ন আহবায়ক কেএম মামুনুর অর রশিদ।
উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাবুল এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সদস্য সাইফুল ইসলাম, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক আল আমিন, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক জহিরুল হক জরু, যুগ্ম আহবায়ক মোজাম্মেল হক, যুগ্ম আহবায়ক রমজান হোসেন, পৌর কৃষকদলের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জুবায়ের আহমেদ মাসুদ, সহ-সভাপতি সৈয়দ আমিনুল ইসলাম তপন, সহ-সভাপতি আবু জামাল সরদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ আব্দুর রউফ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আবু নাসিম সরকার, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ ইমাম হোসেন সরকার প্রমুখ।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে গতকাল ২০ মে রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের কালঘড়া গ্র্রামের ৩নং ওয়ার্ডের বিট পুলিশিং ও সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত বিট কর্মকর্তা এস.আই মো. বাছির মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুদ্দিন আনোয়ার।
যুবলীগ নেতা মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ডা. শফিকুর রহমান, মাদকমুক্ত নবীনগর চাই সংগঠনের সভাপতি মো. আবু কাওছার, শ্রীকাইল কলেজের সাবেক জি. এস আজিজুর রহমান রাসেল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সুমন আহমেদ মাস্টার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক শফিউল আলম, ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার মামুন মিয়া, ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার সাদেক মিয়া, কালঘড়া হাফিজ উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় এর অভিভাবক সদস্য কামাল সরকার, সাবেক ছাত্রনেতা আবু কাউসার সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন ইদানিং গ্রামে চুরি ও ইভটিজিং বিষয়ে মাদক সেবীদেরকে দায়ী করে বলেন- যারা মাদক সেবন করে টাকার জন্য তারাই ছিচকে চুরি করে থাকে ও বিভিন্ন দোকানে বসে আড্ডা দেয়, তাই রাত ৯ টার পরে গ্রামে কোন দোকান খোলা রাখা যাবে না এবং কোন কারণ ছাড়া রাতের বেলায় সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে চলাফেরা করিলে প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। আপনারা প্রত্যেকেই যার যার পরিবারের সন্তানদেরকে দায়িত্ব নিয়ে মাদকের কুফল সম্পর্কে বোঝাবেন ও সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন। নতুবা একদিন চোখের পানি ফেলতে হবে। মাদকের চাহিদা কমিয়ে আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন মাদকমুক্ত নবীনগর চাই সংগঠন ও কাজ করছে।
সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য :
গ্রীষ্মের তাপদাহে মানুষের ক্লান্তি দূর করতে তরমুজের জুড়ি নেই। ভোজন রসিক মানুষের জন্য দারুণ সুখবর নিয়ে এলো নবীনগর উপজেলায় অফ সিজনের তরমুজ। অফ সিজন তরমুজ আবাদে সফল হয়েছেন অসংখ্য কৃষক।
জানা যায়, তরমুজ চাষ করে উপজেলার নাটঘর, শিবপুর, সাতমোড়া, নবীনগর পূর্ব, বীরগাঁও ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন কৃষক সাড়া ফেলেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী জাত নির্বাচন, জমি তৈরি, পরিচর্যা করছেন কৃষক। পরিত্যক্ত পুকুর পাড়, পতিত জমিতে মাচা কিংবা মালচিং পদ্ধতিতে অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ হওয়ায় দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে এই ফসলের। স্থানীয় বাজারে তরমুজ গড়ে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একেকটা তরমুজ গড়ে ২ থেকে ৩ কেজি ওজনের হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা রাজিব জানান, কম খরচে বেশি ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় সন্তুষ্ট তারা। উচ্চ ফলনশীল তরমুজ চাষ করে কম সময়ে এবং কম খরচে দ্বিগুণ-তিনগুণ লাভ করার সুযোগ রয়েছে। বীরগাঁও ইউনিয়নের কৃষক জাকির হোসেন জানান, মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে ২০ শতাংশ জমিতে ১৫ হাজার টাকা খরচে ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে ৫০ হাজার টাকার অধিক তরমুজ উৎপাদিত হচ্ছে। একই জমির মালচিং কাজে লাগিয়ে ফেব্রæয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরো ৩থেকে ৪ বার তরমুজ আবাদ করার সুযোগ আছে। যা উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে জানান।
নবীনগর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু নোমান জানান, অসময়ের তরমুজ চাষ নবীনগরে হচ্ছে দেখে সফল কৃষকদের পাশাপাশি অন্যরাও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ফলে অসময়ে তরমুজ চাষ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা। আগামীতে আরও বড় পরিসরে তরমুজ চাষের স্বপ্ন বুনছেন অনেক কৃষক।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, তরমুজ এখন সারা বছর হয়। গ্রীষ্মে সারাদেশে আবাদ হয় তাই বছরের অন্য সময়ের তুলনায় অসময়ের তরমুজে ভোক্তাদের আগ্রহ থাকে বেশি। ভোক্তাদের চাহিদায় লাভ বেশি হওয়ায় অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। অসময়ের তরমুজ চাষের সঠিক সময় ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি। দুই মাসের মধ্যে ফলন দিতে সক্ষম। ভালো ভালো জাত ইতিমধ্যে দেশে পাওয়া যাচ্ছে। কৃষি বিভাগ বিভিন্ন প্রকল্প এবং কর্মসূচির আওতায় মালচিং পেপার, সার ও বীজসহ প্রশিক্ষণ সেবা দিচ্ছে। তিনি আরো জানান, ফ্ল্যাড রিকনস্ট্রাকশন ইমারজেন্সি এসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট এবং কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং উপকরণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে চলতি মৌসুমে নবীনগর উপজেলা জুড়ে আবাদ হয়েছে প্রায় ৫ হেক্টর জমিতে আগাম তরমুজ।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেধাবী শিক্ষার্থী আনিকা আক্তারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল রবিবার বিকেলে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী আনিকার পড়াশুনা চালানোর জন্য তার হাতে ২০ হাজার টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোঃ শাহগীর আলম।
আনিকা আক্তার জেলার নবীনগর উপজেলার ভোলাচং গ্রামের কাজীমাবাদ শালকান্দি গ্রামের প্রয়াত মোঃ ফারুকুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে।
আনিকা আক্তার যখন ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী তখন তার বাবা ফারুকুল ইসলাম মারা যান।এরপর দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে আনিকার পড়াশুনা চালিয়ে যান মা আয়েশা খাতুন।
অভাব অনটনের কারণে আনিকার বই কেনা, বিদ্যালয়ের বেতন, পরীক্ষার ফি ও ফরম পূরণের টাকা দেওয়ার মতো অবস্থা ছিলোনা মা আয়েশা খাতুনের। অনেক কষ্ট করে এসব টাকা পয়সা যোগাড় করতে হয়েছে আয়েশা খাতুনকে।
তবে কোনো কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি সংগ্রামী আনিকার। ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নবীনগর উপজেলার ভোলাচং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগে সকল বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে আনিকা। পরে সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হয়।
কিন্তু বিপত্তি বাঁধে এইচএসসি পর্যায়ের পড়াশোনার খরচ চালানো নিয়ে। বিষয়টি জানতে পেরে জেলা প্রশাসক মোঃ শাহগীর আলম তাকে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ শাহগীর আলম বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই কৃতি শিক্ষার্থীকে ২০ হাজার টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। যেহেতু এই শিক্ষার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, তাই সেখানে পড়াশোনার খরচ তেমন হবে না। নিয়মিত ক্লাশে উপস্থিত থাকলে এবং মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে এই শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল করতে পারবে। তিনি এই শিক্ষার্থী ও তার মাকে সহায়তা ববাদ দেয়া টাকা পড়াশোনার জন্য খরচের পরামর্শ দেন।
এ ব্যাপারে আনিকা বলেন, বাবার আদর স্নেহ পেলেও সে কথা মনে নেই। মা আমার সব। এক চাচি পরীক্ষার ফি যোগাড় করে দিতেন। বই কেনাসহ অন্যান্য টাকা মামা দিতেন। বাবার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না বলে সৌদি আরব প্রবাসী মামা আমজাদ হোসেনের বাড়িতে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি।
নবীনগর পৌরসভার মেয়র শিব সংকর দাস বিদ্যালয়ের বেতন ও এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে ফি মওকুফ করিয়েছেন। শিক্ষকরা বিনা টাকা পড়িয়েছেন। আনিকা বলেন, সহায়তা পেয়েছি। জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে কৃতজ্ঞ। এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের হোস্টেলে একটি সীট পেলেই হয়। প্রয়োজনে টিউশনি করব, তবুুও পড়াশোনা চালিয়ে যাব।
আনিকার মা আয়েশা খাতুন বলেন, মেয়ের বাবা বেঁচে নেই। আমার আয়ের কোনা উৎস নেই। সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসনকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি চাই মেয়ে পড়াশোনা করে সামনে এগিয়ে যাক।
দুলাল মিয়া :
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, অতীতের তিনটি নির্বাচনে পুলিশ ও প্রশাসনকে সামনে রেখে দিনের ভোট রাতে হয়েছে এবং মৃত মানুষও ভোট দিয়েছে। এসব ঘটনার ফলেই ‘৫ আগস্ট’-এর মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তা একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চান, যাতে দেশপ্রেমিক শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসতে পারে। তবে কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি—বেনজীর, হারুন ও বিপ্লবদের মতো—এই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। পুলিশকে অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আজ ৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসাইন আশরাফীর পক্ষে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, এই নির্বাচন ১৪ শহীদসহ বিগত সময়ের গুম, খুন ও নির্যাতনের জবাব দেওয়ার নির্বাচন। এ আন্দোলনে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে, অনেক স্ত্রী স্বামী হারিয়েছেন এবং অনেক মা সন্তান হারিয়েছেন। তাই আসন্ন নির্বাচনে প্রশাসন যদি জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে আবারও ‘৫ আগস্ট’-এর মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনা করে প্রশাসনকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—দেশটি ভোট চোরদের হাতে যাবে নাকি জনগণের হাতে তুলে দেওয়া হবে, বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ এখন নির্বাচনে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণ ১২ তারিখে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে এসব চাঁদাবাজদের প্রত্যাখ্যান করবে।
তিনি বলেন, মানুষ চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে অতিষ্ঠ। ১১ দলীয় জোটের লক্ষ্য একটি ঐক্যবদ্ধ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া। এ ক্ষেত্রে ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা অর্থের কাছে মাথা নত করবেন, নাকি সঠিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পাঁচ বছরের জন্য দেশের মালিক হবেন।
নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী নবীনগর উপজেলা শাখার আমীর মোখলেছুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার আমীর মো. মোবারক হোসাইন।
সমাবেশে গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, দেশের প্রায় সব গণমাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট দলের—বিশেষ করে বিএনপির—প্রশংসা ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে গণমাধ্যম নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করলে জনগণ তাদের বিরুদ্ধেও প্রতিক্রিয়া দেখাবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে, জনসভাকে কেন্দ্র করে ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দেন।