চলারপথে রিপোর্ট :
ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছেন। আজ ১৭ নভেম্বর রোববার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার শান্তিনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জমির আশী (৬০) সদর উপজেরার মজলিশপুর ইউপির জাফরগঞ্জ গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় আরো দুইজন আহত হয়েছেন।
খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি মো. মারগুব তৌহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রোববার সকালে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শান্তিনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সিলেটগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে গেলে চিকিসৎক জমির আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মর্গে রাখা আছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
নিখোঁজের এক দিন পর কচুক্ষেত থেকে মো. রাহিম নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ ২০ জুন শুক্রবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সৈয়দটুলা পশ্চিমপাড়া এলাকার জাফর খালেরপাড় থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মো. রাহিম (১০) সরাইল উপজেলার সৈয়দটুলা পশ্চিমপাড়া এলাকার আসাদ আলীর ছেলে।
সূত্রে জানা যায়, ১৯ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শিশু রাহিম সৈয়দটুলা পশ্চিমপাড়ার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে শিশুটিকে খুঁজতে থাকেন। পরে ২০ জুন শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়রা বাড়ির কাছে সৈয়দটুলা পশ্চিমপাড়া এলাকার জাফর খালেরপাড়ের কচুক্ষেতে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা শিশুটির স্বজন ও পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
শিশুর বাবা আসাদ আলী জানান, বছর খানেক আগে তার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এরপর শিশুটি তার নানি বাড়িতে থাকতেন। শিশুটির মা জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। তার ছেলেকে কারা কী কারণে হত্যা করে থাকতে পারে – এ ব্যাপারে তিনি কিছুই বলতে পারছেন না। তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা কামনা করে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান জানান, নিহত শিশুটির মুখ এবং নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
অস্ট্রেলিয়া ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ জেতায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে। ১৯ নভেম্বর রবিবার রাতে উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মিষ্টি বিতরণ করেন সমর্থকরা। এসময় আতশবাজি ফাটিয়ে আনন্দ-উল্লাস করেন তারা।
সুফল নামের এক যুবক জানান, খেলা আনন্দের বিষয়। ইন্ডিয়া নিজেদের দেশে খেলা বলে বেশিরভাগ খেলায় দুর্নীতি করেছে। এরমধ্যে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে পিচ পাল্টানো অন্যতম। আশা ছিল অস্ট্রেলিয়া একটি শক্ত দল তাদের সঙ্গে ভারত হারবে। আর সেটাই হলো। ভারত হারার প্রত্যাশায় আমি আগে থেকেই মিষ্টি ও আতশবাজি কিনে রেখেছিলাম।
তিনি দাবি করেন, বেশিরভাগ মানুষ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে সাপোর্ট করেছে। ক্রিকেট একটি ভদ্র খেলা তাই ভদ্র দল কে সাপোর্ট করা প্রয়োজন।
এর আগে রবিবার ভারতের আহমেদাবাদে বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনালে ভারতকে উড়িয়ে দিয়েই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে জয় তুলে নেয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের খবর ছড়িয়ে যাওয়া মাত্রই সারাদেশে পাল্টে যায় দৃশ্য। বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে পুলিশ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তার সব দায়িত্ব ছেড়ে নিজেদের জীবন নিয়েই সংকটে পড়ে পুলিশ। এমন অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানা পুলিশের পাশে থাকায় সরাইলবাসীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পুলিশ।
গতকাল ৭ আগস্ট বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন সরাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুবেল আখন। সেখানে তিনি লেখেন, প্রিয় সরাইলবাসি, ধন্যবাদ তোমাদেরকে। সরাইল থানার প্রতিটা পুলিশ সারা জীবন মনে রাখবে তোমাদেরকে। আমরা চির কৃতজ্ঞ তোমাদের কাছে। ভালোবাসা অবিরাম সরাইলের প্রতিটা মানুষের প্রতি।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, সরাইল থানা আমাদের, পুলিশ এখানকার অতিথি, থানায় যাতে হামলা না হয় সে বিষয়ে আমরা ব্যাপক তৎপর ছিলাম। সরাইল থানায় কোনো হামলা হয়নি।
উল্লেখ্য, সরকার পতনের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে ছাত্র-জনতাসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ। ওই আন্দোলনে গুলিতে নিহত হন কয়েকশ মানুষ। পরে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের খবরে রাজধানীসহ দেশের প্রায় সব থানায় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে পুলিশ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তার সব দায়িত্ব ছেড়ে নিজেদের জীবন নিয়েই সংকটে পড়ে পুলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে জুনায়েদ নামে ছয় বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ ৩ জুন সোমবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর আরিফাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত জুনায়েদ (৬) উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর আরিফাইল এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরাইল থানার ওসি মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাস জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিশু জুনায়েদ বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে ডুবে যায় জুনায়েদ। পুকুরে তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে তার পরিবারে লোকজন। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে ভাসমান অবস্থায় জুনায়েদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।