আখাউড়ায় বিনামূল্যে ধান বীজ বিতরণ
চলারপথে রিপোর্ট :
আখাউড়া উপজেলায় কৃষি পুনবার্সন কর্মসূচির আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ২ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড জাতের ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে। বোরো হাইব্রিড ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে আজ ১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে কৃষকদের মাঝে এ ধান বীজ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১ বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে ২কেজি করে হাইব্রিড জাতের ধান বীজ দেওয় হয়।
আখাউড়া উপজেলা কৃষি অফিস এ আয়োজন করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসসুমের পরিচালনায় বিনামূল্যে ধান বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। কৃষকরা বিনামূল্যে হাইব্রিড জাতের ধানবীজ পেয়ে খুবই খুশি।
আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসসুম বলেন, কৃষি উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ২ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ২ কেজি করে হাইব্রিড জাতের ধান বীজ দেওয়া হয়। কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এটি তার একটি অংশ।
চলারপথে রিপোর্ট :
আখাউড়ায় রাস্তায় মোটর সাইকেল পার্কিং করে সাধারণ জনগণের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার দায়ে ১৫টি মোটর সাইকেলের মালিককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে পৌরশহরের সড়ক বাজারে পৃথক দুটি আদালত প্রত্যেক মোটর সাইকেল মালিককে ৫০০ টাকা করে ৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।
আদালত পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাবেয়া আক্তার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত চক্রবর্তী। আখাউড়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নুরে আলম। আদালত সূত্রে জানা যায়, শহরে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা পরিস্কার রাখার জন্য আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় নির্ধারিত স্থানে গাড়ি না রেখে রাস্তায় অবৈধ পার্কিং করার দায়ে ১৫ মোটর সাইকেল মালিককে জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাবেয়া আক্তার বলেন, রাস্তা পরিস্কার জন্য সড়ক পরিবহন আইনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে রাস্তায় গাড়ি রেখে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় ১৫টি মোটর সাইকেল মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে অজ্ঞাত পুরুষ (৬০) মরদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
আজ ১৯ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে স্টেশনের টিকেট কাউন্টারের সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে মৃত ব্যক্তিকে ভিক্ষুক বলে ধারনা করছে পুলিশ।
আখাউড়া রেলওয়ে পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর মোঃ নফিল বলেন সকালে মৃতদেহ দেখতে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই।
প্রাথমিকভাবে ভিক্ষুক বলে ধারনা করছি। নিহত ব্যক্তির পরিচয় সনাক্ত করতে পিবিআইকে জানানো হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
আখাউড়ায় জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক যুবলীগ সদস্যের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।
হামলাকারীরা ঘরের দরজা-জানালাসহ মূল্যবান জিনিষপত্র ভাংচুর করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করেছে।
এসময় বাড়ির নারীদেরকে অকথ্য গালাগাল ও মারধরের চেষ্টা করেছে হামলাকারীরা।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের করুয়াতলী পূর্বপাড়ার মোঃ আলাল মিয়ার বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের মৃত আকরাম আলীর পুত্র এবং সদ্য ঘোষিত আখাউড়া উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য।
হামলার ঘটনায় আলাল মিয়া বাদী হয়ে তিনজনকে অভিযুক্ত করে রোববার দুুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযুক্তরা হলো একই গ্রামের মৃত করম আলীর পুত্র জুম্মান মিয়া (৩২), নায়েব আলীর পুত্র রনি মিয়া (২৮) ও এমরান মিয়ার স্ত্রী নাছরিন বেগম (২৭)।
বাদীর লিখিত অভিযোগে বলা হয়, জায়গা সম্পত্তি নিয়া আলাল মিয়া ও জুম্মান মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
বিষয়টি সমাধানের জন্য আলাল মিয়া স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে বিচার প্রার্থী হয়।
এতে জুম্মান মিয়া আরও ক্ষিপ্ত হয়ে মাদকাসক্ত রনি ও তার সাঙ্গপাঙ্গদেরকে নিয়ে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আলাল মিয়ার বাড়ি-ঘরে হামলা করে। মূল্যবান জিনিষপত্র ভাংচুর করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে। পরে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা ভয় ভীতি দেখিয়ে চলে। এঘটনার পর থেকে আলাল মিয়া ও তার পরিবারের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আখাউড়া উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ শাহজাহান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য আলাল মিয়া আমার কাছে আবেদন করে।
আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ২২ মে মাপঝোঁকের তারিখ ধার্য্য ছিল। এর আগে আলাল মিয়ার বাড়িতে হামলা হয়েছে। এটা বিচার কার্যকে বাধাগ্রস্থ করার পায়তারা তিনি আরো বলেন, অভিযুক্ত রনি মাদকাসক্ত ও উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির। এর আগে সে একটি বিচারের রায় অমান্য করে। আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো) আসাদুল ইসলাম বলেন, উভয়পক্ষের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
এ ব্যপারে একটি পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায় তীব্র স্রোতের কারণে সেতু ধসের আশঙ্কায় কসবা উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও আরো একটি সেতু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তা ধসে গেলে পৌর এলাকার দেবগ্রামের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে।
ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দুই পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটির মাটি সরে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে কয়েকটি এলাকা বিদ্যুৎহীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পৌর এলাকার দেবগ্রাম ও মোগড়া ইউনিয়নের নয়াদিলের সংযোগস্থলের সেতু বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে ঝুঁকির মধ্য পড়ে। সেতুর এক পাশের দেয়াল ধসে পড়লে আতঙ্ক দেখা দেয়। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা গাছ ফেলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে পৌর এলাকার দেবগ্রামে নতুন নির্মাণ হওয়া সেতুটির এক পাশ থেকে মাটি সরে যায়। এ অবস্থায় একপাশ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এখানেও দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচ থেকে মাটি সরে গেছে।
এ বিষয়ে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি জানান, সেতুর বিষয়ে অবগত রয়েছি। ঝুঁকি থাকায় সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৬ ডিসেম্বর সকালের মধ্যেই বিজয়ের খবর আসে, মুক্ত হয়েছে আখাউড়া। এক সপ্তাহের প্রবল যুদ্ধ শেষে বিজয়ের খবরে উল্লাসে ফেটে পড়ে বীর বাঙালি। স্থানীয় ডাকঘরের সামনে পতাকা উত্তোলন করা হয়।
আখাউড়ার বিজয় পূর্বাঞ্চলীয় যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
আজ ৬ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া মুক্ত দিবস। পূর্বাঞ্চলীয় প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত এই আখাউড়ায়ই শায়িত আছেন শহীদ সিপাহি বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল। পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের সাক্ষী হয়ে আছে একাধিক গণকবর।
তবে নো-ম্যানস ল্যান্ডে থাকা গণকবর আজও সংরক্ষিত হয়নি
এদিকে দিবসটি পালনে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় আখাউড়া পৌর মুক্তমঞ্চে প্রদীপ প্রজ্বালন ও ব্ল্যাক আউট কর্মসূচি পালন করা হয়। আজ ৬ ডিসেম্বর শনিবারের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শোভাযাত্রা, ডাকঘরের সামনে পতাকা উত্তোলন ও আলোচনাসভা।