চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিন বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের সমন্বয়ে গড়া সংগঠন জেলা অবসরপ্রাপ্ত সম্মিলিত সামরিক বাহিনী কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনটির আই সি টি সম্পাদক সার্জেন্ট বুরহানের উপস্থাপনায় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ ওয়াহিদ মিয়ার সভাপতিত্বে আজ ২১ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ মিলানায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা অবসর প্রাপ্ত সম্মিলিত সামরিক বাহিনী কল্যাণ সংস্থা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রধান উপদেষ্টা লেঃ কর্ণেল (অবঃ) মোঃ জি আর জাহাঙ্গীর (এইসি)।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আব্দুল মতিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আঃ কাইয়ুম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অবসরপ্রাপ্ত সম্মিলিত সামরিক বাহিনী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি ক্যাপ্টেন (অবঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অবঃ) মোঃ এনামুল হকসহ প্রমুখ।
সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তিন বাহিনীর প্রায় ১৫০ জন অবসর প্রাপ্ত সৈনিক জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে যুক্ত হোন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অবঃ) মোঃ এনামুল হক (২১) সদস্যের জেলা কমিটির প্রত্যেকের নাম ঘোষণা করে তাদের পরিচিতি পেশ করেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে ভবিষ্যতে আরো গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে অতি দ্রতই বিভিন্ন উপজেলার অসমাপ্ত কমিটিগুলো গঠন করার ইচ্ছের কথা জানিয়ে বক্তব্য পেশ করে সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
প্রধান অতিথি লেঃ কর্ণেল (অবঃ) মোঃ জি আর জাহাঙ্গীর (এই সি) তার বক্তব্যে বলেন, সৈনিকরা কখনো অবসরে যায়না। চাকুরী থেকে আমরা অবসর নিতে পারি কিন্তু সত্যিকার সুন্দর সমাজ গঠনে, জাতি গঠনে, একটি সুন্দর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে আমরা কখনো পিছিয়ে থাকলে হবেনা। দেশ মাতৃকার কল্যাণে এখানে আমাদের কোন অবসর নেই। বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আব্দুল মতিন বলেন, আপনাদের এই অনুষ্ঠানে এসে আমি সত্যিই খুব আনন্দিত। আপনাদের সাথে আমাদের বাহিনীরও একটা বিশেষ মিল রয়েছে আর সেটা হলো আপনাদের মতো আমরাও একদিন এমনকি আমিও একদিন চাকুরী জীবনের অবসর টেনে আপনাদের কাতারে গিয়ে শামিল হবো।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার ও সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, সচেতন সৈনিক হিসেবে আপনাদের সুশৃংখল জীবন যাপনই আপনাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। সারা জীবন শৃঙ্খলতার মধ্য দিয়ে দেশ মাতৃকার প্রয়োজনে দেশের তরে শ্রম ও ঘাম ঝরিয়ে আপনারা যেভাবে নিজেদের সমর্পণ করেছেন বা সমর্পণ করেন তা আগামী নতুন প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত অনুকরণীয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কমপাউন্ড থেকে সরকারি ইনজেকশন উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আজ ৩১ জুলাই সোমবার মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ।
এর আগে গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে হাসপাতালের কম্পাউন্ড থেকে ১০৮ পিস সোডিয়াম ক্লোরাইড ইনজেকশন পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসাইন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরকারি হাসপাতালে উত্তর পাশের গেটের সামনে থেকে ১০৮ পিস সোডিয়াম ক্লোরাইড ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সোমবার পুলিশ সাধারণ ডায়েরি করেছে।
এ বিষয়ে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তত্ত্বাবধায়ক ডা. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ইনজেকশন উদ্ধারের বিষয়টি পুলিশ আমাকে জানিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ২৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০২১ সালের ২৭ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টি.এ. রোডে সংঘর্ষের সময় মাওলানা হোসাইন আহাম্মদ হত্যার ঘটনায় তার বড় বোন তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে গতকাল ২৩ আগস্ট শুক্রবার এ মামলাটি দায়ের করেন। নিহত হোসাইন আহাম্মদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদারাসার ছাত্র ছিলেন। তিনি জেলার আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দের বাসিন্দা।
মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান বাবুল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন শোভন, সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আবু মুছা আনছারি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব রহমান (এম.এ.এইচ মাহবুব আলম), জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক এম. সাইদুজ্জামান আরিফ, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মনির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সুজন দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্র-সংসদের সাবেক ভিপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাসান সারোয়ার হাসান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাসুম বিল্লাহ, সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মো. আলী আজম, সাধারণ সম্পাদক জসিম রানা, ঠিকাদার হামদু মিয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিন মিয়াসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ২৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো দুই-তিনশ’ লোককে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় তানিয়া আক্তার অভিযোগ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে আন্দোলন কর্মসূচির চলাকালে ২৭ মার্চ সকাল ১০টায় হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে পরের দিন হরতালের সমর্থনে শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে একটি মিছিল হয়। মিছিলটি জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার সামনে গিয়ে আসামিরা দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এ সময় হোসাইন আহাম্মদ মাথার ডানপাশে গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং দমন-নিপীড়নের ভয়ে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনি। এমনকি পুলিশের চাপে তখন নিহতের লাশ ময়না তদন্ত ছাড়া দাফন করতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
দুলাল মিয়া
আজ ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব।
সাক্ষাৎকালে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতান্ত্রিক পরিবেশ, জনগণের ভোটাধিকার, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় তারেক রহমান মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় তারেক রহমান ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপি ও জোটভুক্ত সকল নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে আসন্ন নির্বাচনে দলীয় কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর হয়।
মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব তারেক রহমানের দিকনির্দেশনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের পাশে থেকে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে ষ্টেশনে ট্রেনের টিকেট কালোবাজারী, ২৫০ শয্যা জেনারেল (সদর) হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দালালের দৌরাত্ম প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ, সকল ভাঙ্গা সড়ক সংস্কারে পৌর কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ গ্রহণে গুরুত্ব আরোপের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঐতিহাসিক জেলা আন্দোলনের স্মৃতির ধারক বাহক সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা উন্নয়ন পরিষদ এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
১ নভেম্বর দিবাগত শুক্রবার রাতে শহরের মৌলভীপাড়াস্থ বর্তমান অস্থায়ী কার্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা উন্নয়ন পরিষদ এর সভাপতি ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোঃ আহসান উল্লাহ হাসান এর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আবুল হাসনাত অপু, সহ-সভাপতি মোঃ সামসুল আলম বাবু, সাধারণ সম্পাদক আলী মাউন পিয়াস, আইন সম্পাদক অ্যাড. মোঃ আক্কাস আলী, সদর উপজেলা উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি প্রভাষক মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জিয়া কারদার নিয়ন, জেলা উন্নয়ন পরিষদের স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাড. শেখ জাহাঙ্গীর, শরীফ আহমেদ খান, ডা. মোফাকখারুল ইসলাম, মোঃ হারুন আল রশিদ, মোহাম্মদ আমির ফারুক।
কোরআন তিলাওয়াত এবং দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ সারোয়ার কাইছার টিপু।
উপস্থাপনা করেন জেলা উন্নয়ন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ বাবুল চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলী আসিফ গালিব, জেলা উন্নয়ন পরিষদের সহ-সভাপতি এজাজ আহাম্মেদ মনির, শফিউল আলম কাজল, মাসুদুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক আলী হায়দার তুষার, বশির আহমেদ, সৈয়দ সালাউদ্দিন রকিব প্রমুখ নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ। বক্তারা সাংগঠনিক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণে গুরুত্ব আরোপ করেন। পরে উৎসব মুখর পরিবেশে কেক কাটা হয় এবং জেলা আন্দোলন দিবস বাস্তবায়নে আগামী ৯ নভেম্বর পরামর্শ সভায় সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে উপস্থিত থাকার আহবান জানানো হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার বিভিন্ন পয়েন্টে যানজট নিরসন ও ফুটপাতের হকার উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ।
আজ ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা ও ছাত্রদের নিয়ে পুলিশের এ যৌথ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা পুলিশ সুপার মো: জাবেদুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক মো: রুহুল আমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: ইকবাল হোসেন, সদর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মো: মোজাফ্ফর হোসেন, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সুমন দত্তসহ প্রশাসন ও পৌর কর্মচারীরা।
অভিযানে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে যেসব লাইসেন্সবিহীন অটোরিকশা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা প্রবেশ করেছে এগুলোকে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সড়কের দু’পাশে যেসব ভ্রাম্যমাণ হকার রয়েছে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক মো: রুহুল আমিন বলেন, যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অচিরেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর যানজট মুক্ত করা হবে।
অভিযান শেষে জেলা পুলিশ সুপার মো: জাবেদুর রহমান বলেন, যানজট মুক্ত শহর গড়তে অবাধে অবৈধ রিকশা চলাচল করতে দেওয়া হবে না। অবৈধ যানচলাচলের সাথে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।