ঘরোয়া উপায়ে মুখের ব্ল্যাকহেডস দূর করুন

লাইফস্টাইল, 23 December 2024,

অনলাইন ডেস্ক :
ধুলাবালি, মরা চামড়া ইত্যাদি নানান কারণে নাকের দুই পাশ, থুতনি ও গালে ব্ল্যাকহেডস হয়। মূলত তৈলাক্ত ত্বকে এগুলো বেশি হয়ে থাকে। ব্ল্যাকহেডস চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট করে। পারলারে গিয়ে মুখের যত্ন নিলে আবারও কিছুদিন পর এগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এজন্য নিয়মিত ঘরেই যত্ন নেয়া দরকার।

ব্ল্যাকহেডস দূর করার ঘরোয়া উপায়
চিনির স্ক্রাব
ফাংশনাল প্ল্যান্ট সায়েন্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চিনির স্ক্রাব খুব ভালভাবে ত্বক এক্সফোলিয়েট করতে পারে। অর্থাৎ ত্বকের ভেতর থেকে মৃত কোষ টেনে বের করতে পারে। বাজারের যেকোনো স্ক্রাবারের চেয়ে কয়েকগুণে ভালো কাজ করে চিনির স্ক্রাব।

আধা চা চামচ চিনির সাথে এক চামচ নারকেল তেল অথবা আমন্ড অয়েল বা জোজোবা অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ত্বকে মালিশ করুন ৫ মিনিট। ১৫ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। গালে অনেক বেশি ব্ল্যাকহেডস থাকলে সপ্তাহে ২-৩ দিন স্ক্রাব করতে পারেন।

টি ট্রি তেল
টি ট্রি তেলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। এই তেলের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণও আছে। ত্বকের যে কোনো সংক্রমণ, দাগছোপ, ব্রণ-ফুস্কুড়ির সমস্যা দূর করতে পারে টি ট্রি অয়েল। তবে ব্যবহারবিধি জানতে হবে।

প্রথমে উষ্ণ পানিতে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। শুকনো করে মুছে তুলোয় টি ট্রি অয়েল নিয়ে গাল ও নাকের যেখানে ব্ল্যাকহেডস হয়েছে সেখানে লাগিয়ে রাখতে হবে। তবে এসেনশিয়াল অয়েল সরাসরি ত্বকে লাগালে যদি কোনও সমস্যা হয়, তাহলে নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। মিনিট ১৫ রেখে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

মধুর স্ক্রাব
ত্বকের জন্য মধু খুবই উপকারী। এক চা চামচ মধুর সাথে এক চামচ চিনি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ভালো করে ত্বকে মালিশ করে নিন। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন স্ক্রাব করলে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

Leave a Reply

লেবানন–সিরিয়া সীমান্তে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৪

অনলাইন ডেস্ক : লেবাননের সিরিয়া সীমান্তের কাছে একটি গাড়িতে ইসরায়েলি Read more

নদীর প্লাবনভূমি ও কৃষিজমি ভরাটের অভিযোগে…

দুলাল মিয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদীর প্লাবনভূমি ও কৃষিজমিতে অবৈধভাবে বালু Read more

অপহৃত ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী উদ্ধার, শ্রীপুরে…

জায়েদুল কবির ভাঙ্গি : গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণীর এক Read more
ফাইল ছবি

মঙ্গলবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ

অনলাইন ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সংসদ Read more

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন পরিচয়ে চাঁদা দাবির…

দুলাল মিয়া : বিজয়নগরে র‌্যাব সদস্য পরিচয়ে সাধারণ মানুষের কাছ Read more

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র দোয়া…

দুলাল মিয়া : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক Read more

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল

দুলাল মিয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই Read more

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যারা এমপি নির্বাচিত হলেন

দুলাল মিয়া : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৬টি Read more

হেরে গেলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রভাবশালী ও আলোচিত Read more

গাজীপুর জেলার ৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী…

জায়েদুল কবির ভাঙ্গি, গাজীপুর: গাজীপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনের নির্বাচনে চারটিতে Read more

ভোটের দিন ধানের শীষের পক্ষে ভোটার…

দুলাল মিয়া : ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের ধানের শীষ Read more

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে পোলিং কর্মকর্তার মৃত্যু

দুলাল মিয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনরত Read more

সকালে লেবু-পানি খেলে মিলবে যেসব উপকার

লাইফস্টাইল, 5 February 2025, 1121 Views,

অনলাই ডেস্ক :
দিনটা আপনি কখন এবং কিভাবে শুরু করছেন তার ওপর নির্ভর করে অনেক কিছু। সকালে আপনি নাশতা কী খেয়ে শুরু করছেন তা ঠিক করে দেয় সারাদিন আপনি কতটা এনার্জি পাবেন। সে কারণে ভোরে উঠেই আপনি কী খেয়ে দিন শুরু করছেন, বিশেষজ্ঞরা তার ওপর জোর দেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনার ভোর যদি হয় খালি পেটে পানি খেয়ে, তাহলেই তা দুরন্ত শুরু। কিন্তু এর সঙ্গে যদি যোগ করেন কুসুম গরম লেবু–পানি, তবে তা আরও ভালো। বলা হয়, খালি পেটে গরম পানি হজমশক্তি বাড়ায়, জোগায় তাৎক্ষণিক শক্তি। সঙ্গে নানা স্বাস্থ্যসুবিধা তো আছেই। এর সঙ্গে মাত্র এক চা–চামচ লেবুর রস যোগ করলে এই পানীয় অঙ্ক গুণাবলীতে ভরপুর হয়ে ওঠে। কুসুম গরম লেবু–পানি স্বাস্থ্যের কী কী উপকার করে, চলুন জেনে নেওয়া যাক: হজম স্বাস্থ্যের উন্নতি: বলা হয়, একদিকে কুসুম গরম পানি আমাদের হজমপ্রক্রিয়া উদ্দীপিত করে, অন্যদিকে লেবুর রস পিত্তরসের উৎপাদন বাড়ায়। ফলে কুসুম গরম লেবু–পানি শরীরকে খাদ্য ভাঙতে সাহায্য করে হজম সহজ করে।

ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য: বিশেষজ্ঞদের মতে, লেবুর রসে প্রচুর সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে যকৃৎকে আরও কার্যকর করে তোলে। অন্যদিকে গরম পানিও শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিয়ে ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। শরীরে জলযোগ করে: সারা রাত অনাহারে থাকার পর সকালে আমাদের শরীর পানিশূন্যতায় ভোগে। এ সময় কুসুম গরম লেবু–পানি শরীরে পানিযোগ করে আমাদের সতেজ ও প্রাণবন্ত করে তোলে, যা সারা দিনের রসদ জোগায়।

ওজন কমাতে সাহায্য করে: এটা প্রমাণিত যে লেবুর রসে পেকটিন নামের একধরনের আঁশজাতীয় উপাদান থাকে, যা আমাদের ক্ষুধা কমায়। যখন এর সঙ্গে গরম পানি যুক্ত হয়, তখন তা শরীরকে আরও পরিপূর্ণ থাকার অনুভূতি দেয়। এভাবে কুসুম গরম লেবু–পানি ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। ত্বককে করে উজ্জ্বল দীপ্তিময়: লেবু ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পূর্ণ। এসব শরীরের কোষ ধ্বংসকারী ফ্রি র?্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করে, ত্বকের দাগ দূর করে এবং ত্বককে করে স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বল ও দীপ্তিময়। প্রচুর পানি খেলেও শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়, ত্বকে আসে উজ্জ্বল আভা। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়: লেবুর ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

শরীরকে ঠান্ডা-সর্দিসহ বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। দেহকে ক্ষারীয় করে: লেবুর স্বাদ অম্লীয় হলেও এর ক্ষারীয় ধর্ম আছে। এটি শরীরকে ক্ষারীয় করে বিপাকক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। এই পানি পিএইচের মাত্রা ঠিক রেখে অম্লের সমস্যা দূর করে। বাসায় যেভাবে কুসুম গরম লেবু–পানি বানাবেন: প্রথমে একটি পাত্রে কিছু পানি কুসুম গরম করুন। তা গ্লাসে ঢেলে এর মধ্যে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস যোগ করুন। ভালোভাবে নাড়ুন। ব্যস, এবার খেয়ে ফেলুন!

প্রস্রাবের গন্ধ কি জানাচ্ছে আপনার শরীরের স্বাস্থ্য?

লাইফস্টাইল, 31 January 2026, 292 Views,

অনলাইন ডেস্ক :
প্রস্রাব শুধু বর্জ্য নিষ্কাশনের মাধ্যমই নয়, এটি শরীরের ভেতরের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি জানাতে সাহায্য করে। সাধারণত হালকা গন্ধের হওয়া স্বাভাবিক। তবে হঠাৎ তীব্র বা অস্বাভাবিক গন্ধ দেখা দিলে তা বিভিন্ন সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

নেফ্রোলজিস্ট ডা. আদিত্য নায়ক এবং ইউরোলজিস্ট ডা. প্রদীপ রাও বলছেন, সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো পানিশূন্যতা। শরীরে পানি কম থাকলে প্রস্রাব ঘনীভূত হয়ে অ্যামোনিয়ার মতো তীব্র গন্ধ বের হতে পারে।

খাবার ও ওষুধও প্রস্রাবের গন্ধে প্রভাব ফেলে। রসুন, পেঁয়াজ, অ্যাসপারাগাস, অতিরিক্ত কফি বা অ্যালকোহল গ্রহণ করলে বিশেষ গন্ধ হতে পারে। ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স বা কিছু অ্যান্টিবায়োটিকও একই ধরনের গন্ধের কারণ হতে পারে। এই সবক্ষেত্রে সাধারণত তা ক্ষতিকর নয়।

তবে কিছু ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে:
মূত্রনালির সংক্রমণ (UTI): তীব্র দুর্গন্ধের সঙ্গে ব্যথা, জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রস্রাব।

ডায়াবেটিস: অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে প্রস্রাবে মিষ্টি বা অ্যাসিডিক গন্ধ দেখা দিতে পারে।

কিডনির সমস্যা: প্রস্রাবের রঙ গাঢ়, ব্যথা, জ্বর বা কোমরের পাশে ব্যথা থাকলে সতর্ক হওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনে ৪–৮ বার প্রস্রাব করা স্বাভাবিক। এর বেশি বা কম, সঙ্গে ব্যথা, জ্বালাপোড়া বা অস্বাভাবিক রঙ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সাধারণ পরীক্ষা হিসেবে প্রস্রাব পরীক্ষা, রক্তে শর্করার পরীক্ষা এবং কিডনির কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।

উপসংহার: প্রস্রাবের গন্ধ অনেক ক্ষেত্রে সাময়িক হলেও দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র পরিবর্তন শরীরের ভেতরের সমস্যা নির্দেশ করতে পারে। তাই অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

শীতে সুস্থ থাকতে যেসব বীজ খেতে পারেন

লাইফস্টাইল, 9 January 2025, 1407 Views,

অনলাইন ডেস্ক :
শীতের দিনগুলিতে অনেকের সর্দি, কাশি, জ্বর এর সমস্যা লেগেই থাকে। এ কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন সঠিক খাদ্যাভাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতে শরীর সুস্থ রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন কিছু বীজ। এসব বীজ আপনার স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী হবে। কারণ এই বীজগুলিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ থাকায় তা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। যেমন-

ফ্ল্যাক্সসিড : শীতকালে ফ্ল্যাক্সসিড খাওয়া খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার এবং প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের অভ্যন্তরে প্রদাহ কমায়, ত্বকে আর্দ্রতা প্রদান করে। এই বীজ হৃদরোগের জন্যও উপকারী। এই বীজ শীতকালে শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণতা দেয়। ফ্ল্যাক্সডিস কাঁচা বা পাউডার হিসেবে দই, স্মুদি বা ওটমিলের সাথে যোগ করে খেলে উপকার পাবেন।

আরও পড়ুন
দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকার উপায়

সূর্যমুখীর বীজ:এই বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, সেলেনিয়াম ও প্রোটিন রয়েছে। এসব উপাদান শরীরে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। সূর্যমুখী বীজ হালকা ভেজে এবং স্ন্যাকস হিসাবে খেতে পারেন। সালাদে মিশিয়েও খেতে পারেন।

আরও পড়ুন
ওজন কমানোর ৫টি উপায়

চিয়া সিড : চিয়া সিডে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, ফাইবার থাকায় এটি হাড় মজবুত ও শক্তি বৃদ্ধি করে। শীতে পানি কম খাওয়ার ফলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা যায়, কিন্তু এই সিড সেই ঘাটতি দূর করতেও সাহায্য করে। চিয়া সিড পানিতে ভিজিয়ে, পুডিং আকারে বা স্মুদিতে মিশিয়েও খেতে পারেন।

আরও পড়ুন
ডালিম খেলে কী কী উপকার হয়?

কুমড়ার বীজ : কুমড়ার বীজে থাকা ফসফরাস, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন এবং অনেক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর পাশাপাশি শরীরে তাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে। শীতকালে এই বীজ খেলে তা ফোলাভাব কমাতে এবং শরীরকে ভেতর থেকে গরম রাখতে সাহায্য করবে। হালকা ভাজা কুমড়ার বীজ সকালের নাশতায় খেতে পারেন। এছাড়া কোনও সালাদে ছড়িয়েও খেতে পারেন।

অ্যাভাসকুলার নেক্রোসিস বা হাড় নষ্ট হয়ে যাওয়া রোগ

লাইফস্টাইল, 8 January 2025, 1515 Views,

অনলাইন ডেস্ক :
১. অ্যাভাসকুলার নেক্রোসিস এমন একটি রোগ যা হাড়ের স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে রক্ত সরবরাহ বন্ধের ফলে হয়। রক্ত সরবরাহ বন্ধ হলে হাড়ের টিস্যু মারা যায় এবং হাড় ভেঙে যায়। যখন কোন জয়েন্ট যেমন হিপ জয়েন্ট এর কাছাকাছি হয় তখন জয়েন্টের পৃষ্ঠটি ভেঙে যেতে পারে। এই অবস্থা যেকো হাড়ে হতে পারে এটি সাধারণত লম্বা হাড়ের শেষ মাথায় হয়। সাধারণত ১টি হাড়, একই সময়ে অনেক হাড় অথবা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন হাড়কে ক্ষয়গ্রস্থ করে।

২. কোথায় কোথায় নেক্রোসিস হতে পারেঃ
গোড়ালি
চোয়ালে
হাটুতে
হাতের হিউমেরাস ও কাধের জয়েন্টে
পায়ের ফিমার ও হিপ জয়েন্টে

৩. অ্যাভাসকুলার নেক্রোসিসের কারণঃ
কোন কারণে জয়েন্টে আঘাত পেলে
জয়েন্ট ভেঙে গেলে
কোনো কারনে রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্থ হলে
দীর্ঘদিন ধরে কর্টিকোস্টেরয়েড ঔষুধ সেবন করলে
দীর্ঘদিন ধরে এবং অতিরিক্ত মদ্য পান করলে
দীর্ঘদিন ধরে কোন রোগে আক্রান্ত হলে যেমনঃ ডায়াবেটিস
রক্তে কোন রোগ থাকলে। সিকেল সেল অ্যানিমিয়া লিউকেমিয়া
রেডিয়েশনের বা কেমোথেরাপি কারণে
এইচআইভি / এইডস রোগের জন্য ।
অটো ইমিউন রোগের জন্য
হাইপার লিপিডেমিয়ার কারণে
হাইপার কোয়াগুলেবেল অবস্থায় থাকলে
প্যানক্রিয়াটাইটিস, গাউচার রোগ, সিস্টেমেটিক লুপাস ইরাইথিম্যাটাস রোগ থাকলে
কোন অঙ্গ প্রতঙ্গ প্রতিস্থাপন করলে
জয়েন্ট ডিসলোকেশন

৪. রোগের লক্ষণঃ
হাঁটাচলা করার সময় ব্যাথা লাগা
পায়ে টান লাগা
সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় ব্যথা অনুভব করা
দাঁড়ানোর সময় ব্যথা অনুভব করা
হাটু ভেঙে বসতে না পারা
আক্রান্ত অঙ্গ ছোট হয়ে যাওয়া
কুচকিতে উরুতে, নিতম্বে ব্যথা হওয়া
বিশ্রাম নেওয়ার সময় ব্যথা অনুভব হওয়া
ক্রস পায়ে বসতে না পারা

৫.রোগ নির্ণয়ঃ
এক্স-রে
এমআরআই
সিটি স্ক্যান
হাড়ের স্ক্যান
বাইওপসি
হাড়ের কার্যকারিতা পরীক্ষা

৬. চিকিৎসাঃ
এ রোগের চিকিৎসা কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে, যেমনঃ বয়স,রোগের পর্যায়, হাড়ের ক্ষতির পরিমান।

নন সার্জিক্যাল চিকিৎসাঃ
আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা বা গরম সেঁক, কিছু ননস্টেরয়েডাল এন্টি ইনফ্লামেটরি ঔষধ, ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন এবং বিশ্রাম কার্যকর।

সার্জিক্যাল চিকিৎসাঃ
কোর ডি কম্প্রেশন ( Core Decompression)
হাড় গ্রাফটিং (Bone Grafting)
অস্টিওটমি (Osteotomy)
সম্পূর্ণ হিপ জয়েন্ট প্রতিস্থাপন (Total Hip Joint Replacement)

৭. জটিলতাঃ
চিকিৎসা করা না হলে, এই রোগ ধীরে ধীরে খারাপ রূপ ধারণ করে, অ্যাভাসকুলার নেক্রোসিসের ফলে হাড়ের মসৃণ আকৃতি নষ্ট হয় ফলে আর্থ্রাইটিস হতে পারে। ব্যথা বা অন্য কোন লক্ষণ প্রকাশ পেলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরনাপন্ন হতে হবে।

লেখক: ডা. মো. সফিউল্যাহ প্রধান, ফিজিওথেরাপি, ডিজএবিলিটিস ও রিহেবিলিটেশন স্পেশালিস্ট, সহযোগী অধ্যাপক (আইআইএইচএস) ও কনসালটেন্ট ডিপিআরসি, শ্যামলী, ঢাকা।

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকার উপায়

লাইফস্টাইল, 23 December 2024, 1620 Views,
প্রতীকি ছবি

অনলাইন ডেস্ক :
বর্তমানে থাকা মানেই অতীত বা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে বিভ্রান্ত না হওয়া। বর্তমানে থাকার আরেকটি অর্থ হচ্ছে নিজের সামনে যা কিছু আছে তার ওপর মনোনিবেশ করা। তা একটি পাখির কিচিরমিচিরের শব্দ হোক কিংবা এক কাপ কফির স্বাদ হোক-সেদিকে ইতিবাচক মনোযোগ দিতে পারলে নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত এবং সুখি ভাবতে পারবেন। নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখার জন্য এই মুহূর্তে যা হচ্ছে, যা শুনতে পাচ্ছেন এবং যা দেখতে পাচ্ছেন তার দিকে মনোযোগ দেওয়া হতে পারে সবচেয়ে ভালো উপায়। আরো কিছু উপায়ে দুশ্চিন্তা দূর করতে পারেন।

গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস: গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস হতে পারে বর্তমানে থাকার অন্যতম সহজ উপায়। আপনার শরীরে বাতাসের প্রবেশ এবং প্রস্থানের দিকে মনোনিবেশ করতে পারেন। এ জন্য কয়েকটি গভীর শ্বাস নিন। যা মনকে শান্ত করবে এবং বর্তমান মুহূর্তে কি ঘটছে সেদিকে মনোযোগ দিতে পারবেন। আপনার চিন্তাগুলো পর্যবেণ করুন: শুধুমাত্র চিন্তায় ডুবে না থেকে, সিনেমা দেখার মতো সেগুলো পর্যবেণ করার চেষ্টা করুন। দৃশ্যগুলো লক্ষ্য করুন দেখবেন সেগুলো মেঘের মতো একের পর এক ভেসে চলে যাচ্ছে। এতে আপনি বিচ্ছিন্নতাবোধ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

ইন্দ্রিয়গুলো কাজে লাগান: মুহূর্তগুলো পরিপূর্ণভাবে বোঝার জন্য আপনার চারপাশকে সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি করতে, শুনতে, স্পর্শ করতে, স্বাদ নিতে এবং গন্ধ নিতে কিছু সময় ব্যয় করতে পারেন। কৃতজ্ঞতা অনুশীলন করুন: আপনি যে জন্য কৃতজ্ঞ, বা যার জন্য কৃতজ্ঞ তার ওপর মনোযোগ দিন। এতে নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকতে পারবেন। কার প্রতি কৃতজ্ঞ, কেন কৃতজ্ঞ এসব ভাবার জন্য প্রতিদিন কিছু সময় ব্যয় করতে পারেন। এতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে। বিচার করা ছেড়ে দিন: আমরা আমাদের চিন্তাভাবনা এবং কাজকে কঠোরভাবে বিচার করি এবং একটি রায় দিয়ে থাকি। এই অভ্যাস ছেড়ে দিতে পারেন। আপনার চিন্তাভাবনা এবং অনুভূতিগুলোকে গ্রহণ করুন। এই গ্রহণযোগ্যতা আপনার মনকে শান্ত করতে সহায়তা দেবে। সূত্র: মিডিয়াম