ঘরোয়া উপায়ে মুখের ব্ল্যাকহেডস দূর করুন

লাইফস্টাইল, 23 December 2024,

অনলাইন ডেস্ক :
ধুলাবালি, মরা চামড়া ইত্যাদি নানান কারণে নাকের দুই পাশ, থুতনি ও গালে ব্ল্যাকহেডস হয়। মূলত তৈলাক্ত ত্বকে এগুলো বেশি হয়ে থাকে। ব্ল্যাকহেডস চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট করে। পারলারে গিয়ে মুখের যত্ন নিলে আবারও কিছুদিন পর এগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। এজন্য নিয়মিত ঘরেই যত্ন নেয়া দরকার।

ব্ল্যাকহেডস দূর করার ঘরোয়া উপায়
চিনির স্ক্রাব
ফাংশনাল প্ল্যান্ট সায়েন্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চিনির স্ক্রাব খুব ভালভাবে ত্বক এক্সফোলিয়েট করতে পারে। অর্থাৎ ত্বকের ভেতর থেকে মৃত কোষ টেনে বের করতে পারে। বাজারের যেকোনো স্ক্রাবারের চেয়ে কয়েকগুণে ভালো কাজ করে চিনির স্ক্রাব।

আধা চা চামচ চিনির সাথে এক চামচ নারকেল তেল অথবা আমন্ড অয়েল বা জোজোবা অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ত্বকে মালিশ করুন ৫ মিনিট। ১৫ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। গালে অনেক বেশি ব্ল্যাকহেডস থাকলে সপ্তাহে ২-৩ দিন স্ক্রাব করতে পারেন।

টি ট্রি তেল
টি ট্রি তেলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। এই তেলের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণও আছে। ত্বকের যে কোনো সংক্রমণ, দাগছোপ, ব্রণ-ফুস্কুড়ির সমস্যা দূর করতে পারে টি ট্রি অয়েল। তবে ব্যবহারবিধি জানতে হবে।

প্রথমে উষ্ণ পানিতে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। শুকনো করে মুছে তুলোয় টি ট্রি অয়েল নিয়ে গাল ও নাকের যেখানে ব্ল্যাকহেডস হয়েছে সেখানে লাগিয়ে রাখতে হবে। তবে এসেনশিয়াল অয়েল সরাসরি ত্বকে লাগালে যদি কোনও সমস্যা হয়, তাহলে নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। মিনিট ১৫ রেখে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

মধুর স্ক্রাব
ত্বকের জন্য মধু খুবই উপকারী। এক চা চামচ মধুর সাথে এক চামচ চিনি ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ভালো করে ত্বকে মালিশ করে নিন। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন স্ক্রাব করলে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

Leave a Reply

কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যৌথবাহিনীর সমন্বিত মহড়া

দুলাল মিয়া : সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় Read more

ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের পক্ষে…

দুলাল মিয়া : ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের পক্ষে লিফলেট Read more

আখাউড়া পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি এয়ারগান উদ্ধার

চলারপথে রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের নোনাসার Read more

নির্বাচনি জ্বরে কাঁপছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, আলোচনায় খেজুর…

দুলাল মিয়া : মাঝখানে আর মাত্র ৩দিন বাকি। নির্বাচনি জ্বরে Read more

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন শরিফ বিতরণ

চলারপথে রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগর এবং কুমিল্লার Read more

বৈষম্যের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল ঐতিহাসিক…

অনলাইন ডেস্ক : সামাজিক বৈষম্য দূর করে ‘ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার Read more

ক্ষমতায় এলে সবার আগে তিস্তা মহাপরিকল্পনা…

অনলাইন ডেস্ক : ক্ষমতায় এলে সর্বপ্রথম তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্ব Read more

বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে প্রতিটি…

দুলাল মিয়া : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে Read more

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনে পৌঁছেছে ৯ হাজারের…

দুলাল মিয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় পোস্টাল ভোট সংগ্রহ কার্যক্রমে ব্যাপক Read more

যে দেশকে বিশ্বাস করে না, সে…

অনলাইন ডেস্ক : স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন করা সম্ভব Read more

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের প্রধান গ্রেফতার

দুলাল মিয়া : আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারকে গ্রেফতার করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া Read more

ফেনী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার

চলারপথে রিপোর্ট : ফেনীর ছাগলনাইয়া সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে একটি Read more

অনলাইনে পণ্য কিনে প্রতারিত হলে আইনি প্রতিকার যেভাবে পাবেন

লাইফস্টাইল, 21 September 2025, 413 Views,

অনলাইন ডেস্ক :
এখন অনলাইনের যুগ। আজকাল গ্রাহকদের অনেকেই শপিং মল কিংবা দোকানে যাওয়ার চেয়ে ঘরে বসে পণ্য কিনতে পছন্দ করেন। কিন্তু অনেক সময় অনলাইনে পণ্য কিনে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগও পাওয়া যায়। অনলাইনে অর্ডার করে বা পণ্য কিনে প্রতারিত হলে কী ধরনের আইনি সুবিধা পেতে পারেন এবং ডিজিটাল কমার্স বা অনলাইন ব্যবসা পরিচালনায় সরকারের নির্দেশনা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মমতাজ পারভীন।
অনলাইনে অর্ডার করে কীভাবে প্রতারিত হয় ক্রেতা?

আইনজীবী মমতাজ পারভীন বলেন, আজকাল অনলাইনে কেনাকাটার প্লাটফর্ম যেমন বেড়েছে, একই হারে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অনলাইনে কেনা-কাটার হার। সূঁচ থেকে শুরু করে কম্পিউটার কী নেই অনলাইন মার্কেটে। অনলাইন মার্কেট যত প্রসারিত হচ্ছে, ততই বেড়ে গেছে প্রতারণা। কিছু সুযোগ সন্ধানী মানুষ নানা প্রতারণার জাল বিছিয়ে ঠকিয়ে যাচ্ছে অনলাইন ক্রেতাদের। ক্রেতারা হচ্ছেন হয়রানির শিকার। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে সারাবছর যত অভিযোগ দাখিল হয়, তার ৮০ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটায় প্রতারণা বা হয়রানির শিকার হওয়া বিষয়ক অভিযোগ।

সাধারণত অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো মানসম্মত জিনিস না দেওয়া, এক পণ্য দেখিয়ে আরেক পণ্য দেওয়া, অগ্রিম টাকা নিয়ে সময়মতো পণ্য ডেলিভারি না দেওয়া বা টাকা নিয়ে পণ্য না দিয়ে ব্লক করে দেওয়া, টাকা রিফান্ড না দেওয়া, ত্রুটিপূর্ণ পণ্য দেওয়া ইত্যাদি ছাড়াও প্রতারিত হওয়ার আরও নানা অভিযোগ আছে ক্রেতাদের।

আইনি প্রতিকার কী?

আইনজীবী মমতাজ পারভীন বলেন, অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে প্রতারণা বা হয়রানির শিকার হলে আপনি নানাভাবে প্রতিকার পেতে পারেন। যেমন:

অনলাইনে পণ্য কিনে প্রতারিত হলে যেভাবে আইনি প্রতিকার পাবেন
অনলাইন প্রতারণা, অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণা, অনলাইন শপিং প্রতারণা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, প্রতারণায় আইনি প্রতিকার, অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ, ভোক্তা অধিকার আইন বাংলাদেশ, অনলাইনে প্রতারণার শিকার, ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা, অনলাইন শপিং প্রতারণা সমাধান, অনলাইন
ছবি: সংগৃহীত

এখন অনলাইনের যুগ। গ্রাহকদের অনেকেই শপিং মল কিংবা দোকানে যাওয়ার চেয়ে ঘরে বসে পণ্য কিনতে পছন্দ করেন। কিন্তু অনেক সময় অনলাইনে পণ্য কিনে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগও পাওয়া যায়।

অনলাইনে অর্ডার করে বা পণ্য কিনে প্রতারিত হলে কী ধরনের আইনি সুবিধা পেতে পারেন এবং ডিজিটাল কমার্স বা অনলাইন ব্যবসা পরিচালনায় সরকারের নির্দেশনা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মমতাজ পারভীন।
অনলাইনে অর্ডার করে কীভাবে প্রতারিত হয় ক্রেতা?

আইনজীবী মমতাজ পারভীন বলেন, আজকাল অনলাইনে কেনাকাটার প্লাটফর্ম যেমন বেড়েছে, একই হারে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অনলাইনে কেনা-কাটার হার। সূঁচ থেকে শুরু করে কম্পিউটার কী নেই অনলাইন মার্কেটে। অনলাইন মার্কেট যত প্রসারিত হচ্ছে, ততই বেড়ে গেছে প্রতারণা। কিছু সুযোগ সন্ধানী মানুষ নানা প্রতারণার জাল বিছিয়ে ঠকিয়ে যাচ্ছে অনলাইন ক্রেতাদের। ক্রেতারা হচ্ছেন হয়রানির শিকার। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে সারাবছর যত অভিযোগ দাখিল হয়, তার ৮০ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটায় প্রতারণা বা হয়রানির শিকার হওয়া বিষয়ক অভিযোগ।

সাধারণত অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো মানসম্মত জিনিস না দেওয়া, এক পণ্য দেখিয়ে আরেক পণ্য দেওয়া, অগ্রিম টাকা নিয়ে সময়মতো পণ্য ডেলিভারি না দেওয়া বা টাকা নিয়ে পণ্য না দিয়ে ব্লক করে দেওয়া, টাকা রিফান্ড না দেওয়া, ত্রুটিপূর্ণ পণ্য দেওয়া ইত্যাদি ছাড়াও প্রতারিত হওয়ার আরও নানা অভিযোগ আছে ক্রেতাদের।
আরও
কুকুরকে পিটিয়ে হত্যা: আইনে শাস্তি কী
আইনি প্রতিকার কী?

আইনজীবী মমতাজ পারভীন বলেন, অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে প্রতারণা বা হয়রানির শিকার হলে আপনি নানাভাবে প্রতিকার পেতে পারেন। যেমন:

১. ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানাতে পারেন। প্রতিকার লাভের এটাই সবচেয়ে ভালো, সুবিধাজনক ও সহজলভ্য উপায়। কারণ এখানে খুব সহজেই অভিযোগ দাখিল করা যায় এবং স্বল্প সময়ে ও কম খরচে বিচার পাওয়া যায়। কোনো আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না, ব্যক্তি নিজেই অভিযোগ করতে পারেন আবার নিজের পক্ষে নিজেই শুনানি করতে পারেন।

২. সিভিল কোর্ট বা দেওয়ানি আদালতে টাকা ফেরত পাওয়ার মামলা বা ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারেন। আবার চাইলে থানায় গিয়ে প্রতারণার মামলা দায়ের করতে পারেন।

৩. এছাড়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইনে (১৬১২১) ফোন করেও অভিযোগ দাখিল করা যায়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে কীভাবে অভিযোগ দাখিল করতে হয়?

আইনজীবী মমতাজ পারভীন বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে হলে অবশ্যই লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে হবে। ফ্যাক্স, ইমেইল, ওয়েবসাইট বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও অভিযোগ জানানো যায়। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের ‘জাতীয় ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্র’ বক্স থেকে নির্ধারিত অভিযোগ ফর্ম ডাউনলোড করে ফর্মটি পূরণ করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে সরাসরি জমা দিতে হবে বা অনলাইনে সাবমিট করতে হবে। অভিযোগ করার সময় অভিযোগের সঙ্গে অবশ্যই পণ্য বা সেবা ক্রয়ের রশিদ বা প্রমাণ সংযুক্ত করতে হবে। অভিযোগকারীর পূর্ণ নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, পেশা ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে এবং বিক্রেতা বা যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তার ডিটেইলসও দিতে হবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানিয়ে প্রতিকার পেতে হলে অবশ্যই ঘটনা ঘটার ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ দাখিল করতে হবে।
অভিযোগ প্রমাণের জন্য কী কী সংগ্রহে রাখা জরুরি?

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযোগ করার সময় প্রতারিত হওয়া ওয়েবসাইট, অ্যাপ, পেজ বা আইডি ইত্যাদির লিংক, পেমেন্টের তথ্য এবং রসিদসহ বিস্তারিত তথ্য লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হয়। তাই অভিযোগ করার আগে এই প্রমাণগুলো সংগ্রহ করে রাখতে হবে। প্রতারিত হওয়া ওয়েবসাইট, পণ্যের ছবি, পেমেন্টের রশিদ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ ও অভিযোগ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রমাণ যতটা সম্ভব সংগ্রহে রাখতে হবে।

অনলাইন কেনা-কাটায় সতর্কতা

১. অপরিচিত ওয়েবসাইট, পেজ বা আইডি থেকে কেনাকাটা না করাই ভালো। একান্তই যদি কিনতে হয় পেজ বা ওয়েবসাইটের রিভিউ চেক করে যতটা সম্ভব খোঁজ নিয়ে তারপর কেনাকাটা করা উচিত।

২. অগ্রিম মূল্য পরিশোধ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সবসময় ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য কেনা উচিত।

৩. অপরিচিত পেজ বা ওয়েবসাইটে কেনাকাটা করার সময় অস্বাভাবিক কম দামে পণ্য বিক্রির প্রলোভনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।

৪. পেমেন্টের জন্য মানি ট্রান্সফার, মানি অর্ডার অথবা প্রিলোডেড কার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকাই ভালো।

৫. কখনো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যক্তিগত তথ্য বা আর্থিক বিবরণী শেয়ার করা উচিত নয়।

৬. কেনাকাটার ক্ষেত্রে পণ্য সম্পর্কে যাচাই করে টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন ক্লিয়ার করে নিতে হবে।

৭. প্রত্যেক পারচেজের ক্ষেত্রে অর্ডার সংক্রান্ত সব কনভারসেশনের স্ক্রিনশট বা প্রমাণ সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।

ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা

আইনজীবী মমতাজ পারভীন বলেন, ডিজিটাল কমার্স বা অনলাইন ব্যবসা পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য ২০২০ সালের ‘জাতীয় ডিজিটাল কমার্স পলিসি’ সংশোধন করে ২০২১ সালের ৪ জুলাই ‘ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১’ প্রণয়ন করা হয়। এতে অনলাইনে ব্যবসা পরিচালনা ও কেনাকাটার বিষয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া আছে।

অনলাইন কেনাকাটায় কোনগুলো ভোক্তার অধিকার আর কোনগুলো প্রতারণা সে বিষয়টি পরিষ্কার করে দেওয়া আছে। ‘ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১’ এর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

১. বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শিত পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য ডেলিভারিম্যান বা ডেলিভারি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করতে হবে এবং ক্রেতাকে তা টেলিফোন, ই-মেইল অথবা এসএমএসের মাধ্যমে জানাতে হবে।

২. পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করা হয়ে থাকলে ক্রেতা ও বিক্রেতা একই শহরে অবস্থান করলে ক্রয়াদেশ গ্রহণের পরবর্তী সর্বোচ্চ পাঁচ দিন এবং ভিন্ন শহরে বা গ্রামে অবস্থিত হলে সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি করতে হবে।

৩. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে ডেলিভারির সময় আরও সংক্ষিপ্ত হবে এবং ক্রেতাকে তা ক্রয়াদেশ গ্রহণের সময় সুস্পষ্টভাবে অবহিত করতে হবে।

৪. একটি ক্রয়াদেশে একাধিক পণ্য থাকলে আলাদা আলাদা পণ্যের জন্য সাধারণত আলাদা আলাদা ডেলিভারি চার্জ আরোপ করা যাবে না। তবে, মার্কেটপ্লেসে পণ্যে আলাদা আলাদা ডেলিভারি প্রদান করা হলে আলাদা আলাদা চার্জ গ্রহণ করা যাবে। এক্ষেত্রে ক্রেতাকে ক্রয়াদেশ নিশ্চিত করার সময় বা ইনভয়েসে আগেই জানাতে হবে।

৫. পণ্য সরবরাহের সময় মুদ্রিত বিল প্রদান করতে হবে, যাতে প্রদেয় বা প্রদত্ত ভ্যাট ও আয়কর (যদি থাকে) উল্লেখ থাকতে হবে।

৬. ক্রেতা কোনো মাধ্যমে (ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং ও অন্যান্য) অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করলে এবং বিক্রেতা কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে মূল্য পরিশোধের সর্বোচ্চ ১০ দিনের (সংশ্লিষ্ট অর্থ প্রদানকারী মাধ্যমের ব্যবহৃত সময় ছাড়া) মধ্যে ক্রেতার পরিশোধিত সম্পূর্ণ অর্থ যে মাধ্যমে ক্রেতা অর্থ পরিশোধ করেছে সেই একই মাধ্যমে (ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি) ফেরত দিতে হবে।

এক্ষেত্রে কোনো চার্জ থাকলে মার্কেটপ্লেস বা বিক্রেতাকে তা বহন করতে হবে। মূল্য ফেরতের বিষয়ে ক্রেতাকে ই-মেইল, এসএমএস, ফোন বা অন্য মাধ্যমে অবহিত করতে হবে। তবে, এক্ষেত্রে ক্রেতার পরিশোধিত মূলের অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা যাবে না। ক্রেতা যথাসময়ে পণ্য বা সেবা গ্রহণে ব্যর্থ হলে এ সময়সীমা শিথিল করা যাবে।

৭. যেকোনো ধরনের ঘোষিত ডিসকাউন্ট বিক্রয় কার্যক্রমের সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর করতে হবে। ক্যাশব্যাক অফার মূল্য পরিশোধের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর হতে হবে। ক্যাশব্যাক অফার বা মূল্যছাড় অফারের ঘোষিত অর্থ সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবা বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার পর কোনো ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের ওয়ালেটে জমা রাখা যাবে না।

৮. যেখানে এক বা একাধিক তৃতীয় পক্ষ পণ্য সম্পর্কিত তথ্য সন্নিবেশ করে থাকে এবং লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে, বিক্রয়যোগ্য পণ্য বা সেবার যথাযথ বিবরণ, যেমন: পণ্যের পরিমাণ, উপাদান, রঙ, আকৃতি, গুণগত মান ইত্যাদি মূল্য এবং ডেলিভারিসহ অন্যান্য চার্জ যদি থাকে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। পণ্য বা সেবাকে চিহ্নিত করার জন্য পরিপূর্ণ বর্ণনা যা পণ্য বা সেবাকে চিহ্নিত করতে সক্ষম এমন তথ্য প্রদান করতে হবে। সুস্পষ্টতার জন্য বাস্তবসম্মত হলে পণ্যের ছবি, ভিডিও, রঙ, আকৃতি, পরিমাপ, ওজন ও উপাদান ইত্যাদি এবং সেবার ক্ষেত্রে সেবার ধরন, সেবা প্রদান পদ্ধতি, পরিমাপ যোগ্যতা (যদি থাকে) ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হবে। পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ (ব্র্যান্ড, মডেল, ডেলিভারি সময় ইত্যাদি) ক্রেতাদের জন্য দিতে হবে, যাতে ক্রেতা জেনে-বুঝে পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে পারে।

৯. বিক্রির জন্য প্রদর্শিত পণ্য বিক্রেতা বা তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে এবং বিজ্ঞপ্তিতে কী পরিমাণ পণ্য স্টকে রয়েছে তা উল্লেখ করতে হবে এবং প্রতিটি বিক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই পণ্যের স্টক হালনাগাদ করতে হবে। বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শিত পণ্য বিক্রেতা বা তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ‘স্টকে নেই’ বা ‘আউট অব স্টক’ কথাটি স্পষ্টভাবে পণ্যের পাশে লিখে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের পেমেন্ট গ্রহণ করা যাবে না।

১০. অগ্রিম মূল্য আদায়ের ক্ষেত্রে প্রদর্শিত পণ্য অবশ্যই দেশের ভেতরে ‘রেডি টু শিপ’ মার্কেটপ্লেসের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে বা মার্কেটপ্লেসে নিবন্ধিত থার্ড পার্টি (বিক্রেতার নিয়ন্ত্রণে) পর্যায়ে থাকতে হবে। সম্পূর্ণ মূল্য গ্রহণের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি পারসন বা প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করার মতো অবস্থায় নেই এমন পণ্যের ক্ষেত্রে পণ্যমূল্যের ১০ শতাংশের বেশি অগ্রিম গ্রহণ করা যাবে না। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত এসক্রো সার্ভিসের মাধ্যমে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত অগ্রিম গ্রহণ করা যাবে।

১১. কোনো ধরনের অফার, ডিসকাউন্ট, ফ্রি ডেলিভারি বা অন্য কোনো সুবিধা থাকলে তা পরিষ্কারভাবে পণ্যের বর্ণনায় থাকতে হবে।

এসব নির্দেশনার কোনো একটি লঙ্ঘন হলেই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করা যাবে।

নিয়মিত ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে গেলে যেসব ক্ষতি হতে পারে

লাইফস্টাইল, 18 January 2025, 1075 Views,

অনলাইন ডেস্ক :
মানুষ ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যাওয়া খুব সহজ বলে মনে করে। তবে, অনেকেই দৈনন্দিন রুটিনে ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যান। কিন্তু ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যাওয়ার ফলে যে সমস্যা হয়, তা তারা বোঝেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে ব্রেকফাস্ট যাতে বাদ না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যাওয়ার ফলে যে ক্ষতি হতে পারে তা নিয়েই আজকের প্রতিবেদন। চলুন, জানা যাক। দিন শুরু করার জন্য ব্রেকফাস্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এটি আমাদের সারাদিন কাজ করতে এবং ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহ করে। ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে আমাদের শরীর ও মুখের ওপর অনেক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ত্বকের সমস্যা
ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে ব্রণ, বলিরেখা ও ত্বকের স্বর পরিবর্তনের মতো ত্বকের সমস্যা হতে পারে। একবার আপনার মুখে এইসব ঘটতে শুরু করলে ওষুধ খাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।

চোখের নিচে কালো দাগ
ব্রেকফাস্ট না করলে চোখের নিচে কালো দাগ পড়তে পারে। যা ক্লান্তি ও দুর্বলতার লক্ষণ। ব্রেকফাস্ট অনেক শক্তি দেয়, কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্ষুধার্ত থাকলে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে যাওয়ার সম্ভবনা বাড়ে।

আরও পড়ুন
প্রাকৃতিক ভাবে ঘন করুন ভ্রু

মুখের রঙের পরিবর্তন
ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে গেলে মুখের রঙের পরিবর্তন হতে পারে। যেমন- মুখ ফ্যাকাশে বা শুকনো দেখায়। সেইসঙ্গে মুখের রং ফরসা হয়ে যায়।

শক্তির অভাব
ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে গেলে শক্তির অভাব হতে পারে। যার ফলে আপনি ক্লান্ত ও দুর্বল বোধ করতে পারেন।

জমের সমস্যা
ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে অ্যাসিডিটি, গ্যাস ও পেটে ব্যথার মতো হজমের সমস্যা হতে পারে। সকালের খাবার বাদ দিলে পেটে গ্যাসের সমস্যা হয়।

আরও পড়ুন
মন ভালো করার টিপস জেনে নিন

ওজন বৃদ্ধি
ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে ওজন বাড়তে পারে। কারণ আপনি দিনের বেলা বেশি খেতে পারেন।

মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব
ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যাওয়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন- স্ট্রেস, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা। তাই ব্রেকফাস্ট কখনই বাদ দেওয়া উচিৎ নয়। একটি স্বাস্থ্যকর ও সুষম সকালের নাস্তা আপনাকে সারা দিনের জন্য শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহ করে।

প্রস্রাবের গন্ধ কি জানাচ্ছে আপনার শরীরের স্বাস্থ্য?

লাইফস্টাইল, 31 January 2026, 68 Views,

অনলাইন ডেস্ক :
প্রস্রাব শুধু বর্জ্য নিষ্কাশনের মাধ্যমই নয়, এটি শরীরের ভেতরের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি জানাতে সাহায্য করে। সাধারণত হালকা গন্ধের হওয়া স্বাভাবিক। তবে হঠাৎ তীব্র বা অস্বাভাবিক গন্ধ দেখা দিলে তা বিভিন্ন সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

নেফ্রোলজিস্ট ডা. আদিত্য নায়ক এবং ইউরোলজিস্ট ডা. প্রদীপ রাও বলছেন, সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো পানিশূন্যতা। শরীরে পানি কম থাকলে প্রস্রাব ঘনীভূত হয়ে অ্যামোনিয়ার মতো তীব্র গন্ধ বের হতে পারে।

খাবার ও ওষুধও প্রস্রাবের গন্ধে প্রভাব ফেলে। রসুন, পেঁয়াজ, অ্যাসপারাগাস, অতিরিক্ত কফি বা অ্যালকোহল গ্রহণ করলে বিশেষ গন্ধ হতে পারে। ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স বা কিছু অ্যান্টিবায়োটিকও একই ধরনের গন্ধের কারণ হতে পারে। এই সবক্ষেত্রে সাধারণত তা ক্ষতিকর নয়।

তবে কিছু ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে:
মূত্রনালির সংক্রমণ (UTI): তীব্র দুর্গন্ধের সঙ্গে ব্যথা, জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন প্রস্রাব।

ডায়াবেটিস: অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে প্রস্রাবে মিষ্টি বা অ্যাসিডিক গন্ধ দেখা দিতে পারে।

কিডনির সমস্যা: প্রস্রাবের রঙ গাঢ়, ব্যথা, জ্বর বা কোমরের পাশে ব্যথা থাকলে সতর্ক হওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনে ৪–৮ বার প্রস্রাব করা স্বাভাবিক। এর বেশি বা কম, সঙ্গে ব্যথা, জ্বালাপোড়া বা অস্বাভাবিক রঙ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সাধারণ পরীক্ষা হিসেবে প্রস্রাব পরীক্ষা, রক্তে শর্করার পরীক্ষা এবং কিডনির কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।

উপসংহার: প্রস্রাবের গন্ধ অনেক ক্ষেত্রে সাময়িক হলেও দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র পরিবর্তন শরীরের ভেতরের সমস্যা নির্দেশ করতে পারে। তাই অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

মন ভালো করার টিপস জেনে নিন

লাইফস্টাইল, 14 January 2025, 1112 Views,

অনলাইন ডেস্ক :
মন হঠাৎ করেই খারাপ হচ্ছে। খিটখিটে হচ্ছে মেজাজ। কর্মব্যস্ত এই সময়ে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই মন খারাপ হয়। আমাদের মন খারাপ হওয়া মানেই কিন্তু মানসিক রোগ না। মন খারাপ হলো সাধারণ আবেগ। বিভিন্ন কারণে আমাদের মন খারাপ হতে পারে। তবে হঠাৎ মন খারাপ হলে তখন কোনো কাজে মন বসতে চায় না, তখন ভালো লাগে না আশপাশের মানুষজনের কথাও। আমরা সবাই কম-বেশি এমন সমস্যায় পড়ি, যখন কিছুই ভালো লাগবে না তখন যা করতে পারেন:

আরও পড়ুন
এইচএমপি ভাইরাস ঠেকাতে যেসব সতর্কতা মানার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

* নিয়মিত ব্যায়াম করুন, এটা মনকে সারাদিন সতেজ রাখতে সাহায্য করে

* উল্টো পরিস্থিতি জটিল করে তোলে

* সুষম খাদ্য গ্রহণ

* কোনো বিষয় নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন না হওয়া

* ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে

আরও পড়ুন
ঘরোয়া উপায়ে কমবে পিঠের ব্যথা

* উত্তেজনা কোনো বিষয়ে সমাধান বয়ে আনে না

* সময় মতো সব কাজ করার অভ্যেস গড়ে তুলতে হবে

* অনেকেই আছেন সারা রাত জেগে কাজ করেন আর সারাদিন ঘুমান। এটা শরীর ও মন দুটোর জন্যই ক্ষতিকর

* ইতিবাচক চিন্তা করুন, জীবনকে সহজ করে দেখুন

* দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন

* বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন

* মনে কষ্ট পুষে না রেখে বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
ঘরোয়া উপায়ে মুখের ব্ল্যাকহেডস দূর করুন

* সময় পেলে পছন্দের কোথাও বেড়াতে যাওয়া যায়

* গান শুনুন, মাছ ধরুন, সাঁতার কাটুন বাধা-ধরা জীবন থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভালো লাগার কাজে, নির্মল আনন্দে ডুবে থাকুন

* এতো কিছুর পরও যদি মন ভালো না হয়, তবে কাউন্সিলরের পরামর্শ নিন।

এইচএমপি ভাইরাস ঠেকাতে যেসব সতর্কতা মানার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

জাতীয়, লাইফস্টাইল, 13 January 2025, 1653 Views,

অনলাইন ডেস্ক :
হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস বা এইচএমপি ভাইরাস ঠেকাতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা, শীতকালীন রোগ থেকে রক্ষায় মাস্ক ব্যবহারসহ সাতটি পরামর্শ মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত বৃহস্পতিবার দেশে এইচএমপি শনাক্ত হওয়ার পর সংক্রমণ ঠেকাতে ১২ জানুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় এসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ১৪ বছরের কম বয়সি শিশু এবং ৬৫ বছর বা এর বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন, হাঁপানি বা ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, গর্ভবতী নারী ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য উচ্চ ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

এইচএমপি ভাইরাস অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের রোগের মত ফ্লু এর মত উপসর্গ সৃষ্টি করে,যা সাধারণত দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায় বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। তবে, আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই জানিয়ে অধিদপ্তর বলেছে, সংক্রমণ এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

এছাড়া অন্যান্য সতর্কতার মধ্যে রয়েছে, জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে থাকা, হাঁচি বা কাশির সময় বাহু বা টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে রাখা, ঘন ঘন সাবান ও পানি অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া (অন্তত ২০ সেকেন্ড) ইত্যাদি।

এইচএমপি ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিভিল সার্জন, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা, দেশের সব বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সব বন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা