চলারপথে রিপোর্ট :
বিদায় ২০২৪, স্বাগত ২০২৫। শুভ হোক নতুন বছর। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মতো আমরাও আমাদের অগণিত পাঠকদের জানাই ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’। রাজনৈতিক সহিংসতা, নানা দুর্যোগ-দুর্ঘটনা আর ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ইংরেজি ২০২৪ সাল। মহাকালে মিলিয়ে গেল আরো একটি খ্রিস্টীয় বছর। সেইন্ট গ্রেগরি প্রবর্তিত ক্যালেন্ডারের হিসাবে ২০২৪ সাল শেষ হয়ে শুরু হয়েছে ২০২৫ সাল। সারাবিশ্বের মানুষ আনন্দ-উল্লাস করে পালন করছে এই নতুন বছরের শুরুর ক্ষণটিকে।
মহাকালের অতল গর্ভে হারিয়ে গেছে অনেক প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সাক্ষী হয়ে থাকা আরো একটি বছর। আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।/ তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে। – কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের এ কথার মতই দুঃখ, কষ্ট সবকিছু কাটিয়ে নতুন জীবনের দিকে যাত্রার প্রেরণা নেবে মানুষ। নতুন বছরটি যেন সমাজ জীবন থেকে, প্রতিটি মানুষের মন থেকে সকল গ্লানি, অনিশ্চয়তা, হিংসা, লোভ ও পাপ দূর করে। রাজনৈতিক হানাহানি থেমে গিয়ে আমাদের প্রিয় স্বদেশ যেন সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যেতে পারে। নতুন বছরটি আনন্দে, শান্তিতে ভরে উঠুক-এই প্রত্যাশা। শুভ নববর্ষ ২০২৫!
চলারপথে রিপোর্ট :
আজ বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস। সাদাছড়ি বহনকারী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে নিরাপদে পথ চলতে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতি বছর ১৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশেও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।
এবারের সাদাছড়ি দিবসের স্লোগান হিসেবে ঠিক করা হয়েছে- ‘দৃষ্টিজয়ে ব্যবহার করি, প্রযুক্তিনির্ভর সাদাছড়ি’। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থা ও সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই দিবসটি পালন করে থাকে। দিবসটি উপলক্ষে আজ জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে সাদাছড়ি বিতরণ, আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের হিসাবমতে, বিশ্বে ২৮ কোটি ৫০ লাখ মানুষ পুরোপুরি ও আংশিকভাবে চোখে দেখে না। এসব দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষ চলাচলের জন্য হাতে সাদাছড়ি ব্যবহার করে। যাতে যারা চোখে দেখে তারা তাদের চলাচলে সহযোগিতা করে। ১৯৬৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য এই দিবসটি পালন শুরু হয়।
অনলাইন ডেস্ক :
আজ জাতীয় চা দিবস। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশের সংকল্প, রপ্তানিমুখী চা শিল্প’। দিবসটি উদযাপনে বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। আলোচনা অনুষ্ঠান এবং মেলা আয়োজন করা হয়েছে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
চা দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে চা শিল্পের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের চা শিল্প এখন টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। গত দুই দশকে উত্তরাঞ্চলে সমতল ভূমিতে চা আবাদে বিপ্লব ঘটে গেছে।
চা দিবস উদযাপনের বিস্তারিত তুলে ধরতে ব্রিফিং করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে। চায়ের ওপর তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮টি ক্যাটেগরিতে বিভিন্ন চা কোম্পানি ও ব্যক্তির হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, দেশে বর্তমানে ১৬৮টি বৃহৎ চা বাগান এবং প্রায় ৮ হাজার ক্ষুদ্র চা বাগান রয়েছে। চা শিল্পের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর যুগান্তকারী সব উদ্যোগের ধারাবাহিকতা ও সরকারের নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে দেশের চা শিল্প টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
আরো উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব সেলিম উদ্দিন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ প্রমুখ।
চলারপথে ডেস্ক :
ভরিতে ১ হাজার ১৬৭ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার দাম কমে হয়েছে ৯২ হাজার ২৬২ টাকা। এতদিন ছিল ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা। দেশের বাজারে এটিই ছিল সোনার সর্বোচ্চ দাম।
আজ ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আগামীকাল ৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার থেকে সোনার এ নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।
নতুন দাম অনুযায়ী, রবিবার থেকে ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনা কিনতে লাগবে ৯২ হাজার ২৬২ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ১১০৮ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ৮৮ হাজার ৬৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম কমানো হয়েছে ৯৯২ টাকা এখন কিনতে লাগবে ৭৫ হাজার ৪৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৪৬৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার ৮৬৯ টাকা।
সবশেষ গত ১৪ জানুয়ারি বাজুস সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। যা ১৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। ওই দাম অনুযায়ী আজ পর্যন্ত সোনা কেনাবেচা হয়েছে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনা ৮৯ হাজার ১৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৭৬ হাজার ৪৫৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হয়েছে ৬৩ হাজার ৩৩৬ টাকা।
এদিকে সোনার দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রূপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের রুপার দাম প্রতি ভরি ১ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১০৫০ টাকায় অপরিবর্তিত আছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি)’র আর্থিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের কৃষি গবেষণায় ড্রোন ভিত্তিক হাই-থ্রূপুট প্ল্যান্ট ফেনোটাইপিং রিসার্চ বিষয়ে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াস উদ্দীন মিয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ এবং রিসোর্স স্পিকার হিসেবে ইরির (ফিলিপাইন) সিনিয়র বিজ্ঞানী ডা: স্টিফেন পি. ক্লাসেন (স্টিভ), যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মার্গারেট ক্রাউস প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) বাংলাদেশ অফিসের এসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট ড. মোঃ কামাল হেসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রজনন পরীক্ষায় ড্রোন-ভিত্তিক উচ্চ থ্রুপুট ফেনোটাইপিং কৌশলগুলির অপ্টিমাইজেশন এবং ব্যবহার শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রফেসর ড. এ. কে. এম. আমিনুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদীয় ডীন, পরিচালকসহ দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আগত ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ গ্রহণ করেন।
জায়েদুল কবির ভাঙ্গি, আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর:
গাজীপুর জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোঃ শরিফ উদ্দীন। এর আগে তিনি বরিশালের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আজ ২৬ নভেম্বর বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ মাহবুবুর রহমান। একই প্রজ্ঞাপনে গাজীপুরের বর্তমান পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেককে বদলি করে জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের ৬৪ জেলায় লটারির মাধ্যমে পুলিশ সুপার নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়। গত সোমবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনায়’ এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এতে গাজীপুরের জন্য নির্বাচিত হন বরিশালের বর্তমান এসপি মোঃ শরিফ উদ্দীন।
২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর তিনি বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার পদে যোগ দেন। ২৫তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের কর্মকর্তা শরিফ উদ্দীন ২০০৬ সালের ২১ আগস্ট চাকরিতে যোগ দেন। এর আগে তিনি পিবিআই নাটোর জেলায় দায়িত্ব পালন করছেন।
ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বিএসসি (কৃষি) ও এমএসসি (এগ্রো ফরেস্ট্রি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। রাজশাহীতে তার বাড়ি।