চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন বিআরডিবি অফিস চত্বরে ৬৫৪ ফ্যামিলি কাডধারীর মাঝে আজ ২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ন্যায্যমূল্যে টিসিবির চাল, ডাল ও তৈল বিক্রি করা হয়।
কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কসবা পৌর প্রশাসক মুহাম্মদ শাহরিয়ার মুক্তার এর নির্দেশে ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে টিসিবির ডিলার মেসার্স মামুন স্টোর এর মাধ্যমে উপকারভোগী প্রতি কাডধারীর মাঝে প্রতি কেজি ৬০ টাকা দরে ২ কেজি মসুর ডাল এবং প্রতি কেজি ৩০ টাকা দরে ৫ কেজি চাল নির্ধারিত ২৭০ টাকা মূল্যে বিক্রি করা হয়।
টিসিবির পণ্য বিক্রি অনুষ্ঠানে ট্যাগ অফিসার সহকারী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রাসেল, পৌরসভার কর্মচারীগণ সহ পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে খুনিচক্র বাংলাদেশকে হত্যা করতে চেয়েছিল, আওয়ামী লীগকে হত্যা করতে চেয়েছিল। এখনো আওয়ামী লীগ তথা বাংলাদেশকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে। তাই আপনাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই।
আজ ২ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন। ইনডেমনিটি আইন বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা বিচার শুরু করেছেন। তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশের উন্নতি করেছেন। শেখ হাসিনা দেশের টাকায় পদ্মা সেতু করেছেন। অথচ এই খালেদা জিয়া বলেছিলেন- পদ্মা সেতু দিয়ে গাড়ি চলবে না, সেতু ভেঙ্গে পড়বে। শেখ হাসিনা মানুষের জন্য কাজ করেন। মানুষের টাকা মানুষকে দিয়ে দেন। সেই জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশটাকে উদ্ধার করেছেন। তিনি বহু কষ্ট করে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন। বাংলাদেশকে এখন পৃথিবীর সব দেশ মর্যাদার সঙ্গে দেখে।
আনিসুল হক বলেন, এক সময় অতীতের সরকারগুলো বাজেট ঘোষণার আগে দেশের অর্থমন্ত্রী ব্রিফকেস নিয়ে দেশে দেশে ঘুরে ভিক্ষা করে টাকা এনে বাজেট ঘোষণা করতো। বিদেশিরা বাংলাদেশকে ভিক্ষুক হিসেবে জানতো। বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলতো। বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার করিম শাহরিয়ার ভুইয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওসার ভূঁইয়া জীবন, কসবা পৌরসভার মেয়র এম.জি হাক্কানী, জেলা পরিষদের সদস্য এ এম আজিজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সোহাগ, বায়েক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।
চলারপথে রিপোর্ট :
আজ ৭ ডিসেম্বর নাসিরনগর পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরের ইতিহাসে এ দিনটি বিশেষ স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এইদিনে দেশপ্রেমিক মুক্তিকামী মানুষ নাসিরনগর থানার অভ্যন্তরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নাসিরনগরকে পাক হানাদার মুক্ত করে।
১৯৭১-এর এই দিনে মুক্তিপাগল জনতা ও দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধারা নাসিরনগর থেকে পাক-হানাদারদের বিতাড়িত করেন। হানাদার মুক্ত করে এই দিনে নাসিরনগরের আকাশে উড়েছিল লাল সবুজের পতাকা। নাসিরনগরের ইতিহাসে এ দিনটি বিশেষ স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ১৫ নভেম্বর পাকহানাদার বাহিনী উপজেলার বেশ কিছু গ্রামে অগ্নিসংযোগ,লুটপাটসহ নারকীয় তান্ডব চালায়। মুক্তিযোদ্ধা ও সংগ্রামী জনতা পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই করে অবশেষে ৭ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা এলাকায় ঢ়ুকতে থাকে,ক্রমেই শ্লোগানের আওয়াজ স্পষ্ট হয়, কেটে যায় শংকা। মুক্তিযোদ্ধাদের কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে মুক্তির উল্লাসে মেতে উঠে স্বরস্তরের মানুষ। মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীরা এগিয়ে যায় সামনের দিকে,পিছু হটে হানাদার বাহিনী। নাসিরনগর থানা অভ্যন্তরে (পুলিশ ষ্টেশন) স্বাধীন বাংলার আকাশে লাল সবুজের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এই দিনে নাসিরনগরকে পাক-হানাদার মুক্ত করেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ছোট ভাইয়ের ঘুষির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ৫ জানুয়ারি সোমবার দিবাগত রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পাকশিমুল পূর্ব পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত মিঠুন মিয়া (৩৫) পাকশিমুল পূর্বপাড়া গ্রামের মো. আঙুর মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাকশিমুল পূর্ব পাড়া গ্রামের মিঠুন মিয়ার সাথে তার ছোট ভাই ইমরান মিয়ার পূর্ব শত্রুতা ছিল। ৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে বাড়িতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে ছোট ভাই ইমরান বড় ভাই মিঠুন মিয়ার বুকে ঘুসি মারলে মিঠুন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে স্বজনেরা মিঠুন মিয়াকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আজ ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত জেলি যুক্ত চিংড়ি মাছ বিক্রির দায়ে এক মাছ বিক্রেতাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ ১৩ অক্টোবর সোমবার সকালে সরাইল উপজেলা সদরের উচালিয়াপাড়া মোড় বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসাইন।
জরিমানাপ্রাপ্ত মো. উদয় মিয়া (২৫) জেলার সরাইল উপজেলার বেপারিপাড়া এলাকার মো. রজব আলীর ছেলে।
এ ব্যাপারে অভিযান পরিচালনাকারী সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসাইন জানান, অনেক দিন ধরে উচালিয়াপাড়া মোড়ে চিংড়ি মাছ ব্যবসায়ী চক্রটি ক্রেতা সাধারণের সাথে প্রতারণা করে ভেজাল জেলি-পদার্থ মেশানো চিংড়ি মাছ বিক্রি করে আসছে। এমন গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সকালে বাজারে অভিযান পরিচালনা করে চিংড়ি মাছের নমুনা সংগ্রহ করে দেখতে পাওয়া যায় মাছের ভেতরে প্রচুর ভেজাল জেলি-পদার্থ মেশানো হয়েছে। এসব চিংড়ি মাছ মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর।
তিনি আরো জানান, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাছ বিক্রেতা উদয় মিয়াকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। জনস্বার্থে তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানকালে সরাইল থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
হবিগঞ্জ শহরে অভিযান চালিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এসময় নানা অসঙ্গতি থাকায় ৩টি হাসপাতাল- ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিককে মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুপুরে এই অভিযান চালান হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস।
এসময় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ মুখলিছুর রহমান সহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়- অভিযানকালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, লাইসেন্স হালনাগাদ না থাকা, মানহীন রিপোর্ট প্রদান, নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা বেশি মূল্য রাখাসহ নানাবিধ অসংগতি পরিলক্ষিত হয় দি জাপান বাংলাদেশ হাসপাতাল, দি স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ও দি এপোলো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। পরে দি জাপান বাংলাদেশ হাসপাতালকে ২০ হাজার টাকা, দি স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২০ হাজার টাকা এবং দি এপোলো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়।
হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এছাড়াও আরো বেশ কয়েক কিছু বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করা হয়।