দুলাল মিয়া :
বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান লিটন মুন্সির নেতৃত্বে চান্দুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় খেজুর গাছ প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
প্রচারণা চলাকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জননন্দিত নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের পক্ষে ভোট চেয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করা হয়। এ সময় স্থানীয় জনগণের ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায় এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন।
প্রচারণাকালে বক্তারা বলেন, খেজুর গাছ প্রতীক ন্যায়, সততা ও উন্নয়নের প্রতীক। এই প্রতীকের মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তারা আসন্ন নির্বাচনে খেজুর গাছ মার্কায় ভোট দিয়ে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে বিজয়ী করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতা-কর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সর্বস্তরের জনগণ। প্রচারণাকে ঘিরে পুরো এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
চান্দুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় এ প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালিত হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী র.আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ১৬৮ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১০০/১৫০ জনকে আসামী করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানায় আরো একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিগত ২০১৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের গাড়ি ভাংচুর, হামলা ও বিষ্ফোরনে ঘটনায় বিএনপি নেতা এস.এম. রাষ্টু বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার দুপুরে বিজয়নগর থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।
বাদী এস.এম রাষ্টু বিজয়নগর উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের মৃত মিয়া চান সরকারের ছেলে।
মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামীরা হলেন বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মৃধা, বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাছিমা মুকাই আলী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফয়জুন নাহার টুনি, কাজী শফিকুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা কাজী শফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল খাঁন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউছার ভূইয়া, জেলা যুব মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদক আলম তারা দুলি, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এস.এম. মাহবুব, ইউপি চেয়ারম্যান কাজী ছৈয়দুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান শামীউল হক চৌধুরী শামীম, ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ভূইয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইউপি চেয়ারম্যান সারোয়ার রহমান ভূইয়া, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান রতন, আওয়ামীলীগ নেতা তৈফিকুল ইসলাম মুকুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সুর্নিমল সাহা, শিক্ষক জিয়াউর রহমান, পত্তন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দুধ মিয়াসহ ১৬৮ জন।
এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ১০০/১৫০ জনকে আসামী করা হয়।
মামলায় বাদী এস.এম রাষ্টু অভিযোগ করে বলেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
নির্বাচনের আগে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপজেলার মীর্জাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গেলে আসামীরা অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে বিএনপির প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের উপর আক্রমন করে। আসামীরা খালেদ মাহবুব শ্যামলের দুটি গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এলাকায় ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে ও বিএনপির নেতা-কর্মীদেরকে মারধোর করে। ঘটনার পরদিন বাদি থানায় মামলা করতে গেলে আসামীদের হস্তক্ষেপে মামলা করতে পারেননি। তাই মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাফায়েত আহমেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে নিশ্চিত করেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২ হাজার ৭২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪০৩ বোতল ইস্কফ সিরাপ, ১০০ কেজি গাঁজা, ২১ বোতল বিদেশী মদ এবং ২৩ বোতল বিয়ার উদ্ধার করেছে বিজিবির সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ ব্যাটালিয়ন) সদস্যরা।
২১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দিনব্যাপী জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী কালাছড়া, ছানিপুর, নোয়াবাদী, রাজাপুর, কাশিনগর, হীরাপুর, আনোয়ারপুর, কামালমোড়া এবং বিষ্ণুপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান এই মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
আজ ২২ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুরে বিজিবির ২৫ ব্যাটালিয়ন থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যগুলো ধ্বংসের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে জমা দেয়া হয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
বিজয়নগরে বাড়ির সীমানা বিরোধের জেরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন হয়েছেন।
আজ ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নের শ্রীপুর বড় বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম ইয়াকুব আলী (৪৮)। তিনি শ্রীপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলী ভূইয়ার ছেলে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পৈত্রিক সম্পত্তির বণ্টন নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে মো. ইসহাক আলী ভূঁইয়ার সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল ছোট ভাই ইয়াকুব আলীর। সকালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে মো. ইসহাক আলী ভূঁইয়া তার ছেলে সালাহউদ্দিন ভুঁইয়া, জাহিদ হাসান ভুঁইয়া ও স্ত্রী জোসনা বেগম দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হামলা করে ইয়াকুবের ওপর। এক পর্যায়ে মো. ইসহাক আলী ভূঁইয়া হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই ইয়াকুব আলী ভূঁইয়া (৪৮) মারা যান।
ওসি মো. রাজু আহমেদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মর্গে পাঠানো হয়েছে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিমের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
বিজয়নগরে ১ হাজার ৯শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের আউলিয়া বাজার এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মাদকদ্রব্য বহনকারী একটি মোটর সাইকেলও জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বিজয়নগর উপজেলার বামুটিয়া গ্রামের ইমরান মিয়া (৩৪) ও একই উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের আবদুল হক (৩৪)।
এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১ হাজার ৯শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় একটি মোটর সাইকেলও জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সমন্বয় গঠিত বিজয়নগর উপজেলা নাগরিক ফোরাম কতৃক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার উপজেলার বেগম মরিয়ম মেমোরিয়াল মডেল স্কুল প্রাঙ্গণে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন হয়।
ইফতার পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুল হাসান শান্তের সঞ্চালনায় ও সংগঠনের সহ-সভাপতি এ বি এম মোর্শেদ কামাল এর কোরআন তেলওয়াতের পরে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহযোগী অধ্যাপক, বিজয়নগরের কৃতিসন্তান ডাঃ এ কে আজাদ, চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ এম শামীউল হক চৌধুরী, চম্পকনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, বিজয়নগর উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ দবির আহমেদ ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা মিজবাহ উদ্দীন, ইছাপুরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ ইসহাক সরকার, বুধন্তী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এফতেহারুল ইসলাম শামীম মাস্টার প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা উক্ত সংগঠনের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এবং আগামী দিনে উপজেলার সকল শ্রেণী পেশার সকলকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করার পরামর্শ প্রদান করেন।
বিজয়নগর উপজেলা নাগরিক ফোরাম এর সভাপতি মোঃ আব্দুর রশিদ খান এর সভাপতিত্বে এসময় সংগঠনের পক্ষে সহ-সভাপতি মোঃ সাদেকুল ইসলাম রতন স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, নিদারাবাদ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশেক মাওলা কাইজার, অগ্রণী ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ আবুল মোবারক, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি হালিমা চৌধুরী, বিজয়নগর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ ইলিয়াস সরকার, ইছাপুরা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ রাষ্টু সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা রেনু সরকার, বিজয়নগর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হানিফ, সহ-সভাপতি মোঃ হাবিবউল্লাহ, উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারী এসোসিয়েশন এর সভাপতি মোঃ আলাল উদ্দিন, ফতেহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমান দস্তগীর, বেগম মরিয়ম মেমোরিয়াল মডেল স্কুল প্রধান শিক্ষক মোঃ ইকবাল হোসেন, বিজয়নগর উপজেলা প্রেসক্লাব এর দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার দের শতাধিক মানুষ।
এসময় মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় মিলাদ কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও দৌলতবাড়ি দরবার শরিফের গদ্দিনিশী পীর আলহাজ্ব শাহ্ সূফী হযরত মাওলানা সৈয়দ নাঈম উদ্দিন আহমেদ।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলের সংগঠনের সহ-সভাপতি মোঃ শাহ আলম এর নেতৃত্বে সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী আজ্জম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান হেলন, কোষাধ্যক্ষ মোঃ মাহিদুল ইসলাম, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মহি উদ্দিন রুবেল, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন, সহ-সম্পাদক মোঃ আব্দুল হামিদ, মোঃ সিরাজুল ইসলাম মাস্টার, জিয়াউর রহমানসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।