জায়েদুল কবির ভাঙ্গি :
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় এক সহযোগী অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী মো. রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে শ্রীপুর থানা পুলিশ। এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি সকালে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়ন থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করা হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী (১৭) তেলিহাটি ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। গ্রেপ্তার রুহুল আমিন (৩৭) উপজেলার উত্তর পেলাইদ গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি কারখানার কর্মচারী। তিনি মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
মামলা ও ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ১৭ জানুয়ারি সকালে রুহুল আমিনের সহযোগিতায় আশিক নামে এক যুবক জোরপূর্বক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসার আগেই অপহরণকারীরা সিএনজি অটোরিকশাযোগে পালিয়ে যায়। পরিবার ধাওয়া করেও তাদের আটকাতে পারেনি। অপহরণের পর থেকে মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।
পরদিন ভুক্তভোগীর বাবা থানায় মামলা করলে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে। তবে অপহরণকারীরা তখন পালিয়ে যায়। পরে রোববার সকালে রুহুল আমিনের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভুক্তভোগীর বাবা অভিযোগ করেন, অপহরণকারীরা তার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ জানান, অপহরণ মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে রোববার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
অনলাইন ডেস্ক :
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে নিখোঁজ ১১ বছর বয়সী কিশোরী আরাবি ইসলাম সুবার খোঁজ মিলেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সুবা নওগাঁর এক কিশোরের সাথে পালিয়েছেন। সেখানেই অবস্থান করছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মায়ের চিকিৎসা করাতে বরিশাল থেকে ঢাকায় এসেছিলেন সুবা। আরাবি ইসলাম সুবা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আজ ৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাকারিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নিখোঁজ সুবার সন্ধার পাওয়া গেছে। নওগাঁ জেলার এলাকায় তিনি আছেন। ছেলেটিও সঙ্গে আছেন। তবে তারা ভালো আছেন। যতোটুকু জানা গেছে, প্রেমের টানে সুবা ঘর ছেড়েছেন।
এদিকে, সুবার নিখোঁজের ঘটনায় আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। তাকে উদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা।
এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেলে সিসিটিভি ফুটেজ ঘেঁটে পুলিশ দেখতে পায়, মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটির টোকিও স্কয়ারে সুবা একটি ছেলের হাত ধরে হাঁটাহাঁটি করছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য দুই মাস আগে বরিশাল থেকে ঢাকায় এসেছিলেন ১১ বছরের সুবা। আত্মীয়ের বাসায় উঠেছিলেন। ওই বাসা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি বেরিয়ে নিখোঁজ হন সুবা। তার সন্ধান চেয়ে বাবা ইমরান রাজিব সোমবার সন্ধ্যায় আদাবর থানায় জিডি করেন
পুলিশ বলছে, নিখোঁজ হওয়ার আগে সুবার সাথে তার এক আত্মীয় ছিলেন। তাকে (ওই আত্মীয়কে) পরে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়।
অনলাইন ডেস্ক :
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, নির্বাচনের পরে দেশে কোনো রকমের কূটনৈতিক সমস্যার আশঙ্কা নেই।
আজ ২২ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে দেশে একটা কূটনৈতিক সংকট ছিল, নির্বাচনের পর কূটনীতিকরা মন্ত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন, তাহলে কি বলা যায় কূটনৈতিক সংকট যেটা ছিলো সেটা কেটে গেছে, না কি কিছু কিছু দেশের সঙ্গে সেটা এখনো আছে এমন প্রশ্নেন জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি কূটনৈতিক সংকট বলবো না, আমার মনে হয়, আপনাদের মনে একটা দুশ্চিন্তা ছিল। আমি সেটাই বলবো একটা কূটনৈতিক সংকট হতে পারে। অবশ্যই আপনারা দেখেছেন নির্বাচনের পরে সে রকম কোনো কূটনৈতিক সমস্যার আশঙ্কা নেই।
হাইকমিশনার বলছিলেন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আইনের যেসব সমস্যা রয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের যেসব উন্নয়ন অংশীদার আছে। সেসব উন্নয়ন অংশীজনদের সঙ্গে আইনের প্রয়োগ, আইনের ধারাগুলোর স্পষ্টিকরণ এগুলো সব সময়ই প্রয়োজন হয়। যেসব সমস্যা ও আইনে যে অবকাঠামো সেটা অনেক দিন আগে থেকেই প্রায় এক।
তিনি বলেন, আইনে যেসব পরিবর্তন ভারতে হয়েছে, সে সব পরিবর্তন আমাদের দেশেও সম্ভাবনা আছে কিনা এবং আমাদের দেশে আইনে যেসব পরিবর্তন করেছি সেগুলো ভারতে সম্ভাবনা আছে কিনা সে বিষয়ে আমরা সব সময় আলাপ করে থাকি। আজকেও আলাপ করেছি।
আইনমন্ত্রী বলেন, আজকে বিশেষ একটি বিষয়ে আলাপ করেছি, সেটা হলো, ভারতের ভূপালে একটা ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি আছে। সেখানে আমাদের ১২০৬ জুডিসিয়াল অফিসার ট্রেনিং নিচ্ছেন। প্রায় দুই হাজার ট্রেনিং নেবেন। আমরা দেশে একটা ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি করতে যাচ্ছি। সেখানে ভারতের অভিজ্ঞতা আমাদের প্রয়োজন হবে। এসব বিষয় নিয়েই আলাপ-আলোচনা করেছি। আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।
নিরাপত্তা বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, না আজকে সে বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
অনলাইন ডেস্ক :
কারও স্বীকৃতির জন্য সরকার বসে নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, কারও রিকগনিশনের জন্য চাতক অপেক্ষায় বসে আছি, নির্বাচিত সরকার এমন দেউলিয়া অবস্থায় পড়েছে, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।
আজ ২১ জানুয়ারি রবিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
কাদের বলেন, বিএনপি হিংসায় জ্বলছে। কারণ তারা নির্বাচনে অংশ না নিলেও দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। বিএনপি এখন ঈর্ষাকাতর।
সেতুমন্ত্রী বলেন, দেশপ্রেমিক সরকার হিসেবে আওয়ামী লীগ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আর আন্দোলনের নামে বিএনপি সহিংসতার আশ্রয় নিলে তার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের দায়িত্ব পালন করবে এবং রাজনৈতিকভাবে আমরাও মোকাবিলা করবো।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির তথাকথিত আন্দোলনের রূপরেখা কেউ দেখেনি। তাদের আন্দোলনের বিষয়টি স্পষ্ট নয়। তথাকথিত আন্দোলনের ডাক দিয়ে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন দেশ-বিদেশে হাসি-তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছে। তাদের কথিত আন্দোলন দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ধ্বংসের পাঁয়তারা বলে মনে করি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়ার অধিকার বিএনপির আছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে যদি তারা ২৮ অক্টোবর এবং পরবর্তী সময় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করে, মানুষ পুড়িয়ে মারে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।
অনলাইন ডেস্ক :
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। পরীক্ষায় পাসের হার ৮০.৩৯ শতাংশ। শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন।
এর আগে ফলের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকাল ৯টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেন। এরপর বাটন চেপে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে মোবাইল ফোনের এসএমএস এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।
বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরবেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, অনলাইনে ফল প্রকাশিত হবে। পরীক্ষার্থীরা ঘরে বসেই ফল পাবেন।
যেভাবে ফল জানা যাবে: অনলাইন ও মোবাইল থেকে এসএমএস করে ফল জানা যাবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো রেজাল্ট শিট ডাউনলোডের ক্ষেত্রে www.dhakaeducationboard.gov.bd থেকে রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। আর www.educationboardresults.gov.bd-তে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এ ছাড়া এসএসসি ও বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর টাইপ করে রোল ও পাসের বছর দিয়ে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করেও ফল পাওয়া যাবে। উদাহরণ: SSC DHA ১২৩৪৫৬ ২০২৩ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। দাখিলের ক্ষেত্রে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষরের জায়গায় MAD এবং কারিগরির ক্ষেত্রে TEC লিখতে হবে।
২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় গত ৩০ এপ্রিল। শেষ হয় ২৮ মে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এ বছর ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অনলাইন ডেস্ক :
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে হলে আমাদের কম শব্দযুক্ত দেশে থাকতে হবে। হর্ন বাজানোর আগে ভাবতে হবে, এটি জরুরি কিনা। সব ড্রাইভারকে হর্ন না বাজানোর জন্য সচেতন করতে হবে।
আজ ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজধানীর পরিবেশ অধিদফতরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির প্রশিক্ষকদের শব্দ সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণে এ কথা বলেন তিনি। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, রেড লাইট থেকে গ্রিন লাইটে আসলেই সব গাড়ি হর্ন বাজানো শুরু করে। এটা উচিত নয়। বিশেষ করে, বাচ্চাদের স্কুলে নেওয়ার সময় রিকশায় যে শব্দ হয়, তাতে অনেক সময় কানের সমস্যা হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, ইসলাম ধর্মে উচ্চস্বরে নয়, নিচু করে কথা বলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এমনভাবে কথা বলতে হবে যেন মানুষের বিরক্তির কারণ না হয়। আমরা মনে করি যে যত জোরে কথা বলতে পারি, সে তত শক্তিশালী। কিন্তু আসলে যুক্তিপূর্ণ কথা বলাই আসল ক্ষমতা। আমাদের ব্যক্তিগত পর্যায়ে পরিবর্তন আনলেই সমাজে ও রাষ্ট্রে পরিবর্তন আনা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের পরিচালক প্রমুখ।