নবীনগর প্রতিনিধি :
নবীনদের জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হোক প্রাথমিক শিক্ষা, এই শ্লোগানে আজ ৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার নবীনগরে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদেরকে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।উক্ত নবীন বরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সভাপতি এটিএম রেজাউল করিম সবুজের সভাপতিত্বে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল চৌধুরী, সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুুম, মোঃ মনসুর আলী, মতিউর রহমান, নবীনগর মডেল প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ আবু কাওছার, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন প্রাথমিক স্কুলের সদ্য নিযয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকদের অধিকাংশই উচ্চশিক্ষিত। আপনারা জাতি গড়ার কারিগর, আপনাদের মাধ্যমে আমাদের সন্তানরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গয়ে উঠবে। আপনাদের মেধা এবং শ্রম দিযয়ে এই উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থায় এবং আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে আপনারা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সকল নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নবীনগরে ৩১ শয্যার ৩ তলা বিশিষ্ট নবনির্মিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনটি উৎসব মুখর পরিবেশে উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ ৩ জুন শনিবার দুপুরে স্থানীয় সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল ভবন উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো এমপি নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে ১০০ শর্যায় উন্নতি করাসহ বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবে।
এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ একরাম উল্লাহ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডাক্তার মোঃ শাহ আলম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা নির্বাহী অফিসার একরামুল ছিদ্দিক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হাবিবুর রহমান, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সাদেক, জেলা পরিষদ সদস্য নাসির উদ্দিন, নবীনগর সরকারি কলেজের সাবেক জি এস মোঃ সোহেল প্রমুখ।
চলারপথে রিপোর্ট :
নবীনগরে নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের মেঘনা নদীর তীরে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নবাসীর উদ্যাগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বড়িকান্দি ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. বাহা উদ্দিন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ফেরদৌস আহমেদ, মো. তোফাজ্জল আহমেদ তপু প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, গত ৪-৫ মাস যাবৎ মেঘনা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের বড়িকান্দি, শ্রীঘর, কান্দা পাড়া গ্রামের প্রায় ২০ বিঘা জমি বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া কান্দাপাড়া গ্রামের ১০/১২ টি বাড়ি হুমকির মুখে।
বক্তারা অবিলম্বে নিয়ম বহির্ভূত বালু উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসন থেকে দেয়া ইজারার মাধ্যমে নবীনগরের বড়িকান্দি ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা নতুনচর ও জাফরাবাদ মৌজা থেকে বালু উত্তােলন হচ্ছে।
ইজারাদার সংশ্লিষ্টরা জানান, ইজারার স্থান থেকে ভাঙ্গন এলাকা প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে।
নবীনগর প্রতিনিধি :
নবীনগর উপজেলার মেঘনা নদীবাহিত পলির বেলে-দোঁয়াশ মাটিতে ব্যাপক ভাবে সরিষা চাষ হচ্ছে। এ বছর সরিষা চাষে সাফল্যে আশানুরুপ সরিষা উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে এ এলাকার কৃষকরা রবি মৌসুমে সরিষা চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যাশা করছে। উপজেলার যে সব ইউনিয়নে বেশী সরিষা আবাদ বেশী হয় সে সকল ইউনিয়ন গুলো হল রছুুল্লাবাদ, বীরগাঁও, বড়াইল, সলিমগঞ্জ, কৃষ্ণনগর, বিটঘর, নাটঘর। এ বছর কৃষকরা কৃষি বিভাগের পরামর্শে সরিষা চাষ করেছে প্রায় ১৫০০ হেক্টর জমিতে। মন প্র্রতি সরিষার মুল্য ৩,৫০০-৪,০০০ টাকা। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৮-৯ মন সরিষা উৎপাদন হয়। এ বছর বৃষ্টিতে ক্ষতি না হলে প্রায় ২,০০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদ হত।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর গ্রামের মো. আবু তাহের তার চাষকৃত জমির পরিমান- ৫০ শতক। বিটঘর ইউনিয়নের গুড়িগ্রামের হারেছ ভূঁইয়া তার চাষকৃত জমির পরিমাণ- ১০০ শতক। প্রতিটি জমিতেই তরতাজা সবুজ সরিষা গাছ গুলোতে হলুদ ফুলে ফুলে ভরে ওঠায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটতে শুরু করেছে। সরেজমিনে এ সমস্ত এলাকা পরিদর্শনে দেখা গেছে, ইতোমধ্যে কোন কোন জমিতে তাজা সরিষা ফুল / কোন জমিতে ফুল ঝড়তে শুরু হয়েছে। কোন জমির গাছ গুলোতে সরিষার দানা ও বাঁধতে শুরু করেছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ২০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের জমিতে সরিষার চাষাবাদ হয়েছে। রতনপুর ইউনিয়নের ভিটি বিশারা গ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক মিয়া জানান, এ বছরই তিনি ৩ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। তার জমিতে সরিষার গাছ গুলো যেভাবে লকলকিয়ে উঠেছে এবং হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে তাতে তিনি এ বছর সরিষার ভাল পাবেন বলে আশাবাদি হয়েছেন। রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের রছুল্লাবাদ গ্রামের কৃষক খন্দকার ফরিদ মিয়া জানান, এবার আবহাওয়া ভাল থাকায় জমিতে সরিষার ফলন ভাল হবে বলে তিনি আশা করছেন। গত বছর যে সমস্ত জমিতে অন্য ফসল চাষ করেছিলেন এবার সেই জমিতেই অত্যান্ত কম খরচে সরিষা চাষ করেছেন। সরিষার বাড়ন্ত ফুলে ভরা গাছগুলো দেখে তিনি আশান্বিত হয়েছেন । এবারে সরিষা উৎপাদন করে তিনি যথেষ্টই লাভবান হতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।
উপজেলা কৃষি অফিসার জগলুল হায়দার জানান,অপেক্ষাকৃত নীচু এলাকার চেয়ে উঁচু এলাকার পলি সমৃদ্ধ বেলে-দোঁয়াশ মাটিতে সরিষা ফসলের আবাদ ভাল হচ্ছে। কারণ এ রুপ জমি গুলো অত্যন্ত উর্বর। এ বছর রবি মৌসুমে কৃষকরা মরিচ, সরিষা, ছিটানো পিঁয়াজ, মিষ্টি কুমড়া, ডাল, ভুট্টা, ধনিয়া পাতা, গোলআলু – মিষ্টি আলু, বাদামসহ বিভিন্ন জাতের ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে চাই, যা গ্রামাঞ্চলের চিরায়ত অভাব নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর :
নবীনগর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। এই নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ এর নবীনগর প্রতিনিধি, সাপ্তাহিক মলয়ার প্রকাশক, মোহাম্মদ হোসেন (শান্তি) ও সাবেক সভাপতি, বিজয় টিভির প্রতিনিধি,সাংবাদিক জালাল উদ্দীন মনির।
সভাপতি পদে জালাল উদ্দীন মনির ১২ ভোট পেয়েছেন, মোহাম্মদ হোসেন শান্তি ১৮ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন।এবং সাধারণ সম্পাদক পদে প্রভাষক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও যুগান্তর প্রতিনিধি সাংবাদিক মোস্তাক আহমেদ উজ্জল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। দেলোয়ার হোসেন ১১ ভোট পেয়েছেন। মোস্তাক আহমেদ উজ্জ্বল ২১ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সভাপতি পদে লড়েছেন প্রেসক্লাবের বর্তমান সহ-সভাপতি জ.ই বুলবুল। তার অপর প্রার্থী একই গ্রামের, একই পদে লড়বেন ঢাকা প্রতিদিন এর প্রতিনিধি মো. মনির হোসেন। মনির হোসেন পেয়েছেন ১১ভোট, বুলবুল ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সাংবাদিক মিঠু সূত্রধর পলাশ ও শিক্ষক কামরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, মিঠু ১৩ ভোট পেয়েছেন, কামরুল ইসলাম ১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাহী সদস্য পদে বর্তমান সভাপতি সকলের শ্যামাপ্রসাদ চক্রবর্তী শ্যামল ২৬ ভোট ও আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো: সাইদুল আলম সোহরাব ২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক নূরে আলম ৩ ভোট ও আমজাদ হোসেন ৫ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনে জয়ী ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে পাঁচজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
তারা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বাবু, দপ্তর ও আপ্যায়ন সম্পাদক সেলিম রেজা, ক্রীড়া সাহিত্য সাংস্কৃতিক ওপাঠাগার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাদল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক এস এ রুবেল। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা কৃষি অফিসার জাহাঙ্গীর আলম,নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিব চৌধুরী, এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেধাবী শিক্ষার্থী আনিকা আক্তারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল রবিবার বিকেলে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী আনিকার পড়াশুনা চালানোর জন্য তার হাতে ২০ হাজার টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোঃ শাহগীর আলম।
আনিকা আক্তার জেলার নবীনগর উপজেলার ভোলাচং গ্রামের কাজীমাবাদ শালকান্দি গ্রামের প্রয়াত মোঃ ফারুকুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে।
আনিকা আক্তার যখন ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী তখন তার বাবা ফারুকুল ইসলাম মারা যান।এরপর দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে আনিকার পড়াশুনা চালিয়ে যান মা আয়েশা খাতুন।
অভাব অনটনের কারণে আনিকার বই কেনা, বিদ্যালয়ের বেতন, পরীক্ষার ফি ও ফরম পূরণের টাকা দেওয়ার মতো অবস্থা ছিলোনা মা আয়েশা খাতুনের। অনেক কষ্ট করে এসব টাকা পয়সা যোগাড় করতে হয়েছে আয়েশা খাতুনকে।
তবে কোনো কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি সংগ্রামী আনিকার। ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নবীনগর উপজেলার ভোলাচং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগে সকল বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে আনিকা। পরে সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হয়।
কিন্তু বিপত্তি বাঁধে এইচএসসি পর্যায়ের পড়াশোনার খরচ চালানো নিয়ে। বিষয়টি জানতে পেরে জেলা প্রশাসক মোঃ শাহগীর আলম তাকে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ শাহগীর আলম বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই কৃতি শিক্ষার্থীকে ২০ হাজার টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। যেহেতু এই শিক্ষার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, তাই সেখানে পড়াশোনার খরচ তেমন হবে না। নিয়মিত ক্লাশে উপস্থিত থাকলে এবং মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে এই শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল করতে পারবে। তিনি এই শিক্ষার্থী ও তার মাকে সহায়তা ববাদ দেয়া টাকা পড়াশোনার জন্য খরচের পরামর্শ দেন।
এ ব্যাপারে আনিকা বলেন, বাবার আদর স্নেহ পেলেও সে কথা মনে নেই। মা আমার সব। এক চাচি পরীক্ষার ফি যোগাড় করে দিতেন। বই কেনাসহ অন্যান্য টাকা মামা দিতেন। বাবার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না বলে সৌদি আরব প্রবাসী মামা আমজাদ হোসেনের বাড়িতে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি।
নবীনগর পৌরসভার মেয়র শিব সংকর দাস বিদ্যালয়ের বেতন ও এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে ফি মওকুফ করিয়েছেন। শিক্ষকরা বিনা টাকা পড়িয়েছেন। আনিকা বলেন, সহায়তা পেয়েছি। জেলা প্রশাসক স্যারের কাছে কৃতজ্ঞ। এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের হোস্টেলে একটি সীট পেলেই হয়। প্রয়োজনে টিউশনি করব, তবুুও পড়াশোনা চালিয়ে যাব।
আনিকার মা আয়েশা খাতুন বলেন, মেয়ের বাবা বেঁচে নেই। আমার আয়ের কোনা উৎস নেই। সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসনকে তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি চাই মেয়ে পড়াশোনা করে সামনে এগিয়ে যাক।