বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের কমিটি ঘোষণা এতে বাসুদেব ইউনিয়ন শাখার ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির গঠন ও অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপি’র সদর উপজেলা শাখা কমিটির আহবায়ক মোঃ জহিরুল ইসলাম চৌধুরী লিটন ও সদস্য সচিব মোঃ আলমগীর হোসেনের দলীয় তিনটি প্যাডে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি অনুমোদনে স্বাক্ষর দেওয়া হয়।
বাসুদেব ইউনিয়ন কমিটিতে কাজী আবুল খায়েরকে সভাপতি, মোঃ মুহিত উল্লাহ মোল্লা মানিক কে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মোঃ জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়াকে সাধারণ সম্পাদক, মোঃ মুহিউদ্দিন ভূঁইয়া মুক্তাকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মোঃ সুমন ভূঁইয়াকে সাংগঠনিক সম্পাদক (১) ও মোঃ কামাল খাঁনকে সাংগঠনিক সম্পাদক (২) মনোনীত করা হয়।
আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মোঃ আলমগীর হোসেন। তিনি আশা করেন সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এই বাসুদেব ইউনিয়ন কমিটি কেন্দ্র এবং জেলা সদর কমিটির সাথে সমন্বয় রেখে বিএনপি’র সকল কর্মসূচিকে বেগবান করে তুলবেন।
বাসুদেব ইউনিয়ন বিএনপিকে একটি যোগ্য নেতৃত্ব এবং শক্তিশালী গ্রহণযোগ্য কমিটি উপহার দেওয়ায় নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল, আহবায়ক মোঃ জহিরুল ইসলাম চৌধুরী লিটন ভাই ও সদস্য সচিব মোঃ আলমগীর হোসেন কে ধন্যবাদ জানান।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির নয়াপল্টনের কার্যালয়ে কারণ দর্শানোর লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৩ জানুয়ারি সোমবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে তাদেরকে কারণ দর্শানো হয়েছে।
বিএনপির দুই নেতা হলেন : জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকন। তারা দু’জনই জেলা বিএনপির ৩২ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
জানা গেছে, কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে জেলা বিএনপি দুই ভাগে বিভক্ত। আগামী ১৮ জানুয়ারি জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন। রবিবার হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও জহিরুল হক খোকনের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির একটি বড় অংশ সমাবেশ করে সম্মেলন প্রতিহতের ঘোষণা দেন।
কারণ দর্শানোর নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার উজানভাটি রেস্টুরেন্টে জাতীয় নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্ল্যাহ বুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মান্নান, সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম, সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লা ও জহিরুল হকের সমন্বয়ে একটি যৌথ এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে হাফিজুর রহমান মোল্লা ও জহিরুল হকের পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপিত হয়। দাবিগুলো আলোচনার ভিত্তিতে যে সিদ্ধান্ত হয় সেটি বাস্তবায়নের আগে হাফিজুর রহমান মোল্লা ও জহিরুল হক সম্মেলন বিরোধী সভা-সমাবেশ করে যাচ্ছেন। যা সম্পূর্ণরূপে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপ। কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার যথাযথ কারণ জানাতে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জহিরুল হক বলেন, আমরা সংগঠন ও সম্মেলন বিরোধী কোনো সমাবেশ করিনি। গতকাল রবিবার আমরা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে ৩১ দফা দাবি বাস্তবায়নে সমাবেশ করেছি। সেটিই ব্যানারে লেখা ছিল। আমরা কোনো শর্ত ভঙ্গ করিনি বরং আমাদেরকে কারণ দর্শানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হচ্ছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
প্রফেসর মুখলেছুর রহমান খান স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট-২০২৩ (সিজন-২) এর ফাইনাল ২ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, মাউশি’র সাবেক মহাপরিচালক (গ্রেড-১) প্রফেসর ফাহিমা খাতুন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাঃ মোঃ আবু সাঈদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মহিউদ্দিন খান খোকন, স্পাইডার গ্র“পের ডিরেক্টর কাজী রহমতউল্লাহ শৈবাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রবিউল হোসেন রুবেল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ হামজা মাহমুদ, নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এস আর এম ওসমান গণি সজিব, প্রয়াত প্রফেসর মুখলেছুর রহমান খানের বড় ছেলে আবুল কালাম আজাদ, মেয়ে রাহেলা বেগম, ছোট ছেলে রোটারী ক্লাব অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিতাসের প্রেসিডেন্ট ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান খান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শেখর চন্দ্র।
সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন সাব্বির হোসেন সৌরভ, স্বদেশ, আকিল ও সবুর। খেলা পরিচালনা করেন সালাউদ্দিন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ফাহিমা খাতুন বলেন, খেলাধুলা ছাত্র-যুব সমাজকে অপরাধমূল কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখে, আর ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে। তাই আমাদের সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মানের জন্য বেশি বেশি করে খেলাধুলার আয়োজন করে দিতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। যুব সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতেই প্রফেসর মুখলেছুর রহমান খান স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্ট এর আয়োজন করা হয়েছে। আমি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। তিনি বলেন, প্রফেসর মুখলেছুর রহমান খান একজন বড় মনের মানুষ ছিলেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যখন জয়বাংলা শ্লোগান দিতে দ্বিধা করতো, তখনও তিনি জয়বাংলা শ্লোগান দিতেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে আন্ত:ধর্মীয় উদ্যোগ গ্রহনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে স্থানীয় একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টের হল রুমে আয়োজিত ‘ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে আন্ত:ধর্মীয় সম্প্রীতি’ বিষয়ক এক সেমিনারে এ অঙ্গীকার করা হয়। ‘রূপসা’ নামে একটি সংস্থা এ সেমিনারের আয়োজন করে। এ সময় বক্তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় একটি অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করেন। সেমিনারে জানানো হয়, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় পুরো জেলাব্যাপি এ ধরণের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন রূপসার নির্বাহী পরিচালক হিরন্ময় মন্ডল।
এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আশেকুর রহমান, জাতীয় ইমাম পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, মডেল মসজিদের ইমাম মো. জয়নুল আবেদীন, ব্রাহ্মণ সংসদ কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জয়শঙ্কর চক্রবর্তী, ব্রাহ্মণ সংসদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি খোকন কান্তি আচার্য্য, সহ-সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যাপিস্ট চার্চের প্রাক্তন পাল কর বার্ট বিজন ঘোষ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ‘কোনো ধর্মেই হানাহানির কথা বলা নেই। বাংলাদেশে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা এমন একটি দেশ গড়ে তুলবো যেখানে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া এবং সহানুভুতি বিরাজ করে। আমরা সামাজিক অন্যায় মোকাবেলা করতে এবং সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তুলতে সহযোগিতার সঙ্গে কাজ করবো যেখানে সকলে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে।
চলারপথে রিপোর্ট :
মাদক মামলায় মো. জসিম মিয়া (৬২) নামের সশ্রম কারাদন্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ ৭ অক্টোবর শনিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের কোড্ডা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জসিম মিয়া ওই গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার সহকারী উপ পরিদর্শক বাপন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জসিম মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা ছিল। সেই মামলায় গত মে মাসে জসিম মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছর তিনমাস সশ্রম কারাদন্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরো একমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন। রায়ের পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। শনিবার সকালে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গণমানুষের নেতা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার পহেলা বৈশাখকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পহেলা বৈশাখকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের স্বীকৃতি দিয়েছেন।
গতকাল ১৪ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমি আয়োজিত ৭ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, যতদিন বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকবে, ততদিন পহেলা বৈশাখের মতো আমাদের এই সংস্কৃতি বেঁচে থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, পৌর সভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আঃ কুদদূস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ডাঃ আবু সাঈদ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ভাষা ও সাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি এস.আর ওসমান গনি সজীব। ৭ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলায় বিভিন্ন ধরনের পন্য নিয়ে ১৮টি স্টল বসে।