চলারপথে রিপোর্ট :
রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে আখাউড়ায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে এক মুরগী ব্যবসায়ী ও তিন মুদি দোকানিকে ছয় হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আজ ২৮ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার পৌর শহরের সড়ক বাজারে অভিযান পরিচালনা করে এসব জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা স্যানিটারি ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলামসহ থানা পুলিশের একটি দল।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, পণ্যের সঠিক মূল্য তালিকা দোকানে প্রদর্শন না করা ও ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ দেখাতে না পরায় তাদের সতর্কতামূলক এ জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিটসহ মো. কালু (৪১) নামে এক কালোবাজারিকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।
আজ ১৭ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের সামনে টিকিট বিক্রির সময় তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম আজ দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত মো. কালু ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার মো. সাচ্চু মিয়ার ছেলে।
ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, কালুর কাছ থেকে আন্তঃনগর ট্রেনের পাঁচটি টিকিট পাওয়া যায়। এসব টিকিটে ১৭টি আসন রয়েছে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে টিকিট বিক্রির পাঁচ হাজার ১০০ টাকা জব্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম বলেন, শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদির নেতৃতে গত ১ দশকের বেশি সময় ধরে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরার মানুষের সহায়তা আমাদেরকে আমৃত্যু বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে।
আজ ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে আখাউড়া চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে যাওয়ার সময় সীমান্তের শূণ্য রেখায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, এশিয়ান কনফ্লুয়েন্স (সিভিল সোসাইটি) পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে কাজ করে তাদের আমন্ত্রণে আগরতলা যাচ্ছি। আগরতলার পলো টাওয়ার হোটেলে একটি সভা হবে। সভায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একজন মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ত্রিপুরার ম‚খ্যমন্ত্রী থাকার কথা রয়েছে।
সভায় এই অঞ্চল দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি, মানুষের যাতায়াতের সুবিধার বিষয়ে আলোচনা করবো। তছাড়া রেল যোগাযোগ, সড়ক যোগাযোগে বিনিয়োগ হচ্ছে এগুলো আপডেট করবো।
সামনের দিনে আরও কিছু কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। তিনি আরও বলেন সীমান্তের ১০০ মিটারের ভেতরে সাধারণত কোন স্থাপনা করার নিয়ম নাই। কিন্তু ভারত-বাংলাদেশ উভয় উভয়ের উপর নির্ভরশীল। তাই আমরাও ছাড় দিয়েছি।
ভারতও ছাড় দিয়েছে। বাংলাদেশের সাথে উত্তর-প‚র্ব ভারতের ৭টি রাজ্যের বাজার তৈরি হয়েছে। তাদের ক্রমবধর্মান উন্নতি হচ্ছে। এটাকে আমাদের বাজারের সাথে সম্পৃক্ত করতে চাই। এজন্য কানেক্টিভিটির কোন বিকল্প নাই। সেটার উপায় খোঁজা, দেখা।
এ পর্যন্ত দু’পক্ষের সরকার যতটুকু করেছে এটা কতটুকু প্রভাব ফেলেছে সেখান থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সামনের দিনে কাজ করা। এমন একটি ধারণা নিয়ে যাচ্ছি।
বিএসএফ’র আপত্তির কারণে আখাউড়া ইমিগ্রেশন ভবনের নির্মাণ কাজ ৬ বছর ধরে বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আপডেট আছে। শিগ্রই দেখবেন। অপেক্ষা করেন সমাধান দেখবেন।
এসময় মন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন নাঈম রাজ্জাক এমপি, সহকারি পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক, মোঃ আল আমিনুল ইমাম, পরিচালক স্টেট মিনিস্টার অফিস।
ভারতে প্রবেশকালে সীমান্তের শূণ্য রেখায় তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার আরিফ মোহাম্মদ। এর আগে তিনি ঢাকা থেকে সড়ক পথে আখাউড়া চেকপোষ্টে এসে পৌঁছেন। এসময় তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার অংগ্যজাই মারমা, আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসাদুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ আতিকুল ইসলাম, আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ স্বপন চন্দ্র দাস প্রমুখ।
চলারপথে রিপোর্ট :
আখাউড়া উপজেলায় ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোন ডিসপ্লে জব্দ করা হয়েছে।
আজ ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া পৌর এলাকার বাইপাসে বিজিবির অভিযানে এসব ডিসপ্লে জব্দ করা হয়।
বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়নের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে মনিয়ন্দ বিওপির টহল দলের অভিযানের সময় ১১৭১ টি মোবাইল ফোন ডিসপ্লে জব্দ করা হয়। এ সময় পাচারকারি পালিয়ে যায়।
চলারপথে রিপোর্ট :
৬ ডিসেম্বর আখাউড়াবাসীর জন্য স্মরণীয় দিন। ১৭৭১ সালের এই দিনে আখাউড়া এলাকার মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভারত সীমান্তবর্তী হওয়ায় মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে এই এলাকায় পাকিস্তানি সেনাদের সম্মুখযুদ্ধ হয়। ১৯৭১ সালের ২৩ আগস্ট পাকিস্তানি বাহিনী আখাউড়া উপজেলার গঙ্গাসাগরে গণহত্যা চালায়। ওই দিন একই গ্রামের ২৭ জনসহ ৩৩ জনকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে হানাদাররা। ১৮ এপ্রিল আখাউড়া রণাঙ্গনে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে শহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি মোস্তফা কামাল।
১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর উপজেলার আজমপুর ও রাজাপুর এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ হয়। ৩ ডিসেম্বর হওয়া যুদ্ধে দখলদার বাহিনীর ১১ সেনা নিহত ও মুক্তিবাহিনীর ২ জন শহীদ হন। ৪ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী মিলে আখাউড়া আক্রমণ করে। ওই দিন আজমপুরে শহীদ হন লেফটেন্যান্ট ইবনে ফজল বদিউজ্জামান।
৫ ডিসেম্বর সারা দিন ও রাত যুদ্ধের পর ৬ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয় আখাউড়া।
মোহাম্দ ইসলাম হোসাইন, আখাউড়া থেকে :
আখাউড়া পৌরসভায় নতুন করে হাটবাজার ইজারাসহ শহরের যানজট ও অপরিচ্ছন্নতা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি এসব তথ্য জানান।
৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর ১২টায় পৌর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় পৌরসভার নতুন বাজারহাট ইজারা দেয়াসহ পৌর শহরের যানজট ও অপরিচ্ছন্নতা নিরসনে সাংবাদিকদের নিকট পরামর্শ চেয়েছেন পৌর প্রশাসক। সভায় যানজট নিরশনে ব্যাটারি ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সার যত্রতত্র চলাচল নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা গ্রহনে কথা বলা হয়। রাস্তার উপর যেখানে সেখানে দোকান পাট, বাইক ও অটোরিক্সা পার্কিং নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত স্থান ব্যবহারের উপরও গুরুত্ব দেয়া হয়। শহরের বিভিন্ন এলাকা, পাড়া, মহল্লার রিকশা ভাড়া নির্ধারন করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
পৌরশহরের বর্জ ব্যবস্থাপনাকে আরো উন্নত করার কথা বলা হয়। প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি বর্জ সংগ্রহ কার্যক্রম করার প্রস্তাব দেয়া হয়। বর্জ ব্যবস্থাপনাকে সুশৃঙ্খল পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারলে একটি স্বাস্থ্যকর, সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসাবে গড়ে তুলা সম্ভব বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেন। জনগণের জন্য সহনশীল রেখে পৌর শহরের বাজারহাট ইজারা দেয়ার কথা বলা হয়। শহরের বড় বাজারে সরকারী বাজার থাকা সত্যেও সড়ক বাজার এলাকায় অবস্থিত রেলওয়ের ভুমিতে ভাড়া দিয়ে বাজার পরিচালনার বিষয়টিও সভায় উপস্থাপন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী তানভীর হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফয়সাল, আখাউড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নবী ভুইয়া, টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মো: সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক নাছির উদ্দিন, জুটন বনিক, আখাউড়া প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল হোসেন মামুন, মোহাম্দ ইসলাম হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।