নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গণভবনে ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেছেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক।
জানা গেছে, নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম এবং জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান লিটন বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গনভবনে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান লিটন বলেন, বিশ্বমানবতার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা চতুর্থবার মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মত সরকার গঠন করবে। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আগামী নির্বাচনে জেলার ৫টি আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করা হবে বলে আমরা অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছি।
চলারপথে রিপোর্ট :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩- (সদর-বিজয়নগরের আংশিক) আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপির প্রার্থী, বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি সুন্দর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে আমাদের প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি গণমানুষের দল। আমরা সব সময় জনগনের সাথে ছিলাম এবং জনগণের রায় নিয়েই বিএনপি সরকার গঠন করবে।
এদিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান, প্রার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তারা যেন নির্বাচনী আচরন বিধি মেনে চলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তিনি এক লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এ নিয়ে চতুর্থ বারের মতো নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হলেন তিনি।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমান কেচি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৭ভোট।
৭ জানুয়ারি রবিবার রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান তার কার্যালয়ে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচনে মোট ৩৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট শেষ হয় বিকেল ৪টায়। এরপর শুরু হয় গণনা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মোট ভোটার ৬ লাখ ২১ হাজার ৫৮৪জন। আসনটির ১৯২ ভোট কেন্দ্রের ১৩৩৯টি ভোটকক্ষে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়।
অনলাইন ডেস্ক :
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এই স্বৈরাচার সরকারের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। তাদের হাত থেকে কেউ বাঁচতে পারবে না। শুধু বিএনপি নেতাকর্মী নয়, কেউ এই সরকারের নির্যাতন থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে হবে, আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।’
আজ ৩১ মার্চ শুক্রবার মিরপুর পল্লবী থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, তারা সংগ্রাম করছেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। এমন একটি সরকার সবার ওপরে চেপে বসেছে যে মানুষের মর্যাদা দিতে জানে না, মানুষের জীবনের মূল্য দিতে জানে না। তারা যেকোনো উপায়ে হোক ক্ষমতা আকড়ে ধরতে চায়। কেউ বাদ যাচ্ছে না । সাধারণ মানুষও বাদ যাচ্ছে না। নওগাঁর একজন মহিলাকে কী কারণে র্যাব তুলে নিয়ে গেল তার কারণ এখনও জানা যায়নি।
ডিজিটাল আইনের কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ আইনের অপপ্রয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলে একজন অসহায় নিরাপরাধ নারীকে জীবন দিতে হলো। এর দায় কে নেবে? এর সম্পূর্ণ দায় সরকারকেই নিতে হবে। প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধেই শুধু মামলা নয়, এই সরকার আরো তিনজন সম্পাদককে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে। তারা হলেন- সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও যায়যায়দিনের সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমান। অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতন-হয়রানি করছে। সাংবাদিকরাও রক্ষা পাচ্ছে না। আজকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা, কথা বলার স্বাধীনতা- কোনোটাই নেই দেশে।
তিনি বলেন, সরকার আবারও একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেনি, কিন্তু রাজনৈতিক দলের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। তারা সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। তারা আবারও একটা নতুন নির্বাচনের পায়তারা করছে। ‘১৪ ও ‘১৮ সালের মতো রাতে ভোট করে ক্ষমতায় থাকতে চায়। কিন্তু সেটি এদেশের জনগণ হতে দেবে না।
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ দলটির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে, সেটি ঠেকানোর মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই। আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি। আজ ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত গণমিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
রফিক সিকদার বলেন, ড. ইউনূস সাহেবের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেবে-আমরা তাতে বিশ্বাসী। কেউ কেউ চট্টগ্রাম, মিরপুর ও এয়ারপোর্টে আগুন লাগিয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু জনগণ জেগে উঠেছে-বিগত ১৫ বছর তারা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার আর তা হবে না। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে এবং সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে জনগণের ভোটে সরকার গঠিত হবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য ভিপি নাজমুল হুদা।
এর আগে এদিন বিকেলে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের আশ্রাফবাদ থেকে শুরু করে হোসেনপুর, ছলিমাবাদসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে হাজারো নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে উপজেলা চত্বরে সমবেত হন। মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতিউর রহমান জালু, প্রফেসর মুজিবুর রহমান, জামাল মেম্বার বিএনপি নেতা মনির হোসেন, আলমগীর হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার শাকিল প্রমুখ।
আখাউড়া প্রতিনিধি :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেছেন “বেগম খালেদা জিয়া জনগণের মুক্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন।”
আজ ৯ জানুয়ারি শুক্রবার কসবার বিনাউটি এলাকায় রাউতাট মসজিদ নির্মাণ উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর পরে তিনি আড়াইবাড়ি দরবার শরীফ জামে মসজিদে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে যোগ দেন এবং মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
পরে তিনি কসবা সদরে তালতলা গ্রামের কৃতি সন্তান সাবেক যুগ্ম সচিব আজগর আলীর জানাযায় অংশ নেন। পাশাপাশি খাড়েরা ইউনিয়নের সাব্বিরের বাড়িতে এতিমদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং বেগম জিয়ার মৃত্যুতে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে তবারক বিতরণ করেন।
“শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার সময় এখন”— কবীর ভূইয়া। কবীর আহমেদ ভূইয়া বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। কিন্তু এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে জনগণের দীর্ঘদিনের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।
সারা দিনব্যাপী কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, কসবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট ফখর উদ্দীন খান, সাঃ সম্পাদক শরিফুল হক স্বপন, কসবা পৌর বিএনপির সভাপতি শরীফুল ইসলাম ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুম খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি বশির চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদদীন, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ডাঃ বদিউল আলম, পৌর বিএনপির সহ সভাপতি ওমর ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দীন, আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আবদু, সাঃ সম্পাদক ডাঃ খোরশেদ আলম, আখাউড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ সেলিম ভূইয়া,সাঃ সম্পাদক আক্তার খান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট নুরুজ্জামান, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক রুমেল আহমেদ, বিনাউটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুমন চৌধুরী, কসবা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জমির খান, সদস্য সচিব নাসিম ভূইয়া, আখাউড়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ মোহসীন, কসবা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক সাদ্দাম হোসেন, সিরাজুল হক ইমু, পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ মহসীন, সদস্য সচিব রাকিব মিয়া, গোলাম মুস্তফা, কাজী ওসমান, পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক সহিদুল খাঁ,সদস্য সচিব মহসিন সরকার, টি আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাএদলের সভাপতি তারেকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল ভূঁইয়া, আখাউড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হাসান সানি, আখাউড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ইমরান মোল্লা, সাবেক সদস্য সচিব মোবারক মিয়া,আখাউড়া উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক আমজাদ খান, সদস্য সচিব বাহাদুর তিতাসসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।