অনলাইন ডেস্ক :
ভারতে ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছের চাপায় সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত আরো পাঁচজন।
আজ ১০ এপ্রিল সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের আকোলায় একটি টিনের চালায় গাছ পড়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মহারাষ্ট্রের আকোলায় একটি মন্দিরের সামনে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় গাছ উপড়ে পড়ে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। প্রবল বৃষ্টি এবং জোরালো বাতাসের কারণে পুরানো একটি নিম গাছ টিনের শেডের ওপর ভেঙে পড়ে। ঘটনার সময় টিন শেডের নিচে বহু ভক্ত আশ্রয় নিয়েছিলেন।
পুলিশ জানায়, শেডের নিচে চাপা পড়েন ৩৫ থেকে ৪০ জন। তাদের মধ্যে সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন।
এ ঘটনায় আরো পাঁচজনকে আহত অবস্থায় আকোলা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবীস এ মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকার নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।
ফডনবীস বলেছেন, ‘ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য জড়ো হওয়া মানুষদের গাছচাপা পড়া এবং কিছু ভক্ত নিহত হওয়ার ঘটনা বেদনাদায়ক। নিহতদের প্রতি আমি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। ’
তিনি আরো বলেন, ‘কালেক্টর ও পুলিশ সুপার অবিলম্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
চলারপথে রিপোর্ট :
ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া স্থলবন্দর তলিয়ে গেছে। পানি উঠেছে আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামে। পানির তোড়ে একটি অস্থায়ী সেতু ভেঙে আখাউড়া-আগরতলা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত থেকে আখাউড়ায় ভারি বর্ষণ শুরু হয়।
সকাল থেকে বন্দরের পাশ বয়ে যাওয়া খাল দিয়ে ভারত থেকে তীব্র বেগে পানি ঢুকতে থাকে। এক পর্যায়ে স্থলবন্দর, বাউতলা, বীরচন্দ্রপুর, কালিকাপুর, বঙ্গেরচর, সাহেবনগরসহ অন্তত ১০টি গ্রামে পানি ঢুকে পড়ে। ভেঙে যায় গাজীরবাজার এলাকার অস্থায়ী সেতু। এর আগে গতকাল ২০ আগস্ট মঙ্গলবার খলাপাড়া এলাকায় হাওড়া নদীর বাধের কিছু অংশ ভেঙে পানি ঢুকতে শুরু করে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেছেন।
দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দিন জানান, সকালে তীব্র বেগে ভারতীয় পাহাড়ি পানি ঢুকতে থাকে। এতে কয়েকটি গ্রামে পানি ওঠার পাশাপাশি আখাউড়া-আগরতলা সড়কের অস্থায়ী সেতু ভেঙে যায়। পুরো বন্দর এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।
ইউএনও গাজালা পারভীন জানান, বেশ কয়েকটি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। এলাকাবাসী মিলে বাঁধের অংশ মেরামত করেছেন। সেতুটি মেরামতের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগকে খবর দেওয়া হয়েছে। তবে, দ্রুত যান চলাচলের উপযোগী করা যাবে না।
অনলাইন ডেস্ক :
কানাডা থেকে আসা অ্যালুমিনিয়াম এবং স্টিলের ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো বিদ্যুতের উপর শুল্কের পরিকল্পনা বাতিল করে কানাডার অন্টারিও’র প্রধান। এর ফলে কানাডার উপর দ্বিগুণ শুল্কের হুমকি থেকে সরে এসেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ১১ মার্চ মঙ্গলবার অ্যালুমিনিয়াম এবং স্টিলের উপর কর দ্বিগুণ করার প্রস্তাব আপাতত স্থগিত রাখার ঘোষণা করে ট্রাম্প প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো এই পরিপ্রেক্ষিতে জানান, কানাডার উপর দ্বিগুণ শুল্কের হুমকি থেকে আপাতত সরে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
তবে, আজ ১২ মার্চ বুধবার থেকেই অ্যালুমিনিয়াম এবং স্টিল আমদানির উপর ২৫ শতাংশ নতুন শুল্ক ধার্য হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার আপাতত সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করেনি। এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে কানাডা থেকে আনা অ্যালুমিনিয়াম এবং স্টিলের উপর তিনি দ্বিগুণ শুল্ক ধার্য করবেন। সেক্ষত্রে ৫০ শতাংশ কর দিতে হতো।
এর অনেক আগেই ট্রাম্পের কানাডার উপর কর আরোপ করার ঘোষণার পর গত সোমবার ওটাওয়ার প্রধান ডগ ফোর্ড প্রস্তাব করেন সেক্ষেত্রে তারাও আমেরিকাকে বিদ্যুৎ রপ্তানির উপর শুল্প বসাবে। এর পরেই ট্রাম্প কর দ্বিগুণ করার হুমকি দিয়েছিলেন।
তার ট্রুথ সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, বাণিজ্য সচিবকে তিনি জানিয়েছেন যেন কানাডা থেকে আসা অ্যালুমিনিয়াম এবং স্টিলের দ্রব্যের উপর আরো ২৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। বুধবার থেকেই তা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার এই ঘোষণার পরেই স্টক মার্কেটে ধস নামে।
কানাডা যদি কর না কমায় তাহলে আমদানি করা গাড়ির উপরে কর বসানো হবে বলে হুমকি দেন ট্রাম্প।
কানাডার আগামী প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের এই ঘোষণা প্রসঙ্গে বলেন, এটা কানাডার ‘প্রতিটি শ্রমিক, পরিবার এবং ব্যবসার উপর আঘাত।’
এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, সরকার নিশ্চিত করতে চায় যে আমাদের প্রতিক্রিয়ায় যেন যুক্তরাষ্ট্রের উপর সর্বাধিক এবং কানাডার উপর সব থেকে কম প্রভাব পরে। তাদের নির্ধারিত কর ততদিন পর্যন্ত বহাল থাকবে, যতদিন না পর্যন্ত আমেরিকা কানাডার প্রতি সম্মান দেখাবে এবং মুক্ত বাণিজ্যের নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির গোড়ার দিকে কানাডার দ্রব্য সামগ্রীর উপর ২৫ শতাংশ কর বসানোর কথা ঘোষণা করে হোয়াইট হাউস। তাদের তরফ থেকে বলা হয় মাদক ব্যবসা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি কানাডা। মার্চ থেকে নতুন শুল্ক চালু হওয়ার কথা থাকলেও কানাডা তাদের সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা পাঠাতে সম্মত হয়।
এই শুল্ক পরিস্থিতি আরো জটিল হয় যখন সোমবার অন্টারিও’র প্রধান ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্রের উপভোক্তাদের জন্যও তিনি ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত কর বসাবেন। কানাডা-আমেরিকার সীমান্ত প্রদেশ অন্টারিও থেকে নিউ ইয়র্ক, মিশিগান এবং মিনেসোটায় বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। তিনি অন্যান্য প্রদেশকেও আমেরিকার উপর শুল্ক বাড়াতে বলেন। সূত্র : এপি ও ডয়চে ভেলে।
অনলাইন ডেস্ক :
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তি জগতে নতুন এক দিগন্তের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব। এবার সেই যাত্রায় বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে চীন। দেশটি আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে ৬G নেটওয়ার্ক চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। চীনের শীর্ষ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
চলমান ‘গ্লোবাল ৬জি কনফারেন্স ২০২৫’-এ বৃহস্পতিবার চায়না ইঞ্জিনিয়ারিং একাডেমির বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ উ হ্য ছুয়ান এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ৬জি শুধু আগের প্রজন্মের চেয়ে দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক নয়, এটি একটি প্রযুক্তিগত বিপ্লব।
বিশেষজ্ঞরা জানান, ১জি থেকে ৪জি পর্যন্ত প্রযুক্তির ব্যবহার সীমাবদ্ধ ছিল কেবল ভয়েস ও ডেটা সেবার মধ্যে। পরে ৫জি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পর্যায়ে ব্যবহৃত হতে শুরু করলেও প্রত্যাশিত হারে শিল্প খাতে অগ্রগতি আসেনি। সে অভিজ্ঞতা থেকেই ৬জি নিয়ে গড়ে উঠছে নতুন প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ।
উ হ্য ছুয়ান বলেন, আগামী প্রজন্মের স্মার্টফোন হবে সম্পূর্ণ এআই-চালিত, যেগুলো শুধু কনটেন্ট ব্যবহারে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ব্যবহারকারীদের আরো দ্রুত ও সহজে কনটেন্ট তৈরি করতেও সক্ষম করে তুলবে।
চীনের বিজ্ঞান একাডেমির সদস্য এবং পারপল মাউন্টেন ল্যাবরেটরিজের পরিচালক ইয়ু সিয়াওহু জানান, ৬জি প্রযুক্তি শুধু উচ্চগতির ইন্টারনেট নয়, বরং এটি সেন্সিং এবং স্বল্প উচ্চতার কমিউনিকেশন সিস্টেমসহ নতুন প্রযুক্তির যুগের সূচনা করবে।
তিনি আরও বলেন, ৬জি যুগে যোগাযোগ, কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল একত্র হয়ে গড়ে তুলবে একটি সুপার-কনভার্জড প্রযুক্তি ব্যবস্থা।
চীনের চিয়াংসু প্রদেশের নানচিং শহরে শুরু হওয়া এই গ্লোবাল ৬জি কনফারেন্স চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয়— ‘ফ্রন্টিয়ার ইনোভেশন ড্রাইভিং ৬জি ডেভেলপমেন্ট’। সূত্র: সিজিটিএন
অনলাইন ডেস্ক :
কি পরিমাণ দুর্নীতি হলে একটি সেতু বাতাসেরে ধাক্কায় ধসে পড়তে পারে। হা ঘটনা সত্য সামান্য বাতাসের ধাক্কায় নির্মাণাধীন আস্ত একটা সেতু ধসে পড়েছে। আবার শুনলে আবাক হওয়ার মত। এই সেতু নির্মান চলছে প্রায় আট বছর ধরে। এখন কি হবে?
জানা যায়, ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে রাতে একটু ঝড়ো বাতাসেই ধসে পড়েছে ৮ বছর ধরে নির্মাণাধীন সেতু। এ ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন অর্ধ-শতাধিক মানুষ। ধ্বংসস্তূপ এদিক-সেদিক হলেই তার নিচে চাপা পড়তেন তারা।
আজ ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে এনডিটিভি। সোমবার দিবাগত রাতে তেলেঙ্গানা রাজ্যের পেদ্দাপল্লী জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিন রাতে তেলেঙ্গানার পেড্ডাপল্লি জেলায় একটি নির্মীয়মাণ সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ে। রাত পৌনে ৯টার দিকে প্রচণ্ড বাতাসের কারণে দুটি পিলারের মধ্যে পাঁচটি কংক্রিটের গার্ডার ভেঙে পড়ে। বাকি তিনিটি শিগগিরই ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
তবে সেতুটি থেকে ৬০০ মিটার দূরে ওদেদু গ্রামের সরপঞ্চ সিরিকোন্ডা বাক্কা রাও বলেন, সৌভাগ্যক্রমে একটি ৬৫ জনের একটি বিয়ের বাস মাত্র এক মিনিট আগে অতিক্রম করে কংক্রিটের নিচে চাপা পড়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
জানা যায়, ২০১৬ সালে তৎকালীন তেলেঙ্গানা বিধানসভার স্পিকার এস মধুসূদন চারী এবং স্থানীয় বিধায়ক পুট্টা মধু মানাইর নদীর ওপর প্রায় এক কিলোমিটার সেতুর উদ্বোধন করেছিলেন এবং এর জন্য প্রায় ৪৯ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছিল। কাজটি এক বছরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল এবং তিনটি শহর মন্থনী, পরাকাল এবং জাম্মিকুন্টার মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার কমিয়ে আনার কথা ছিল। সেতুটি ভূপালপল্লীর টেকুমাতলা মণ্ডলের গারমিল্লাপাল্লু থেকে পেড্ডাপল্লীর ওডেডেডুকে সংযুক্ত করার কথা ছিল।
সাংবাদকিদের স্থানীয়রা জানান, কমিশনের জন্য চাপ থাকায় এবং সরকার তার বকেয়া পরিশোধ না করায় ঠিকাদার এক বা দুই বছরের মধ্যে কাজ বন্ধ করে দেন। ওই একই ঠিকাদার ভেমুলাওয়াদায় একটি সেতু নির্মাণ করেছিলেন যা ২০২১ সালে ভারী বৃষ্টিতে ভেসে যায়। গ্রামবাসীরা গত পাঁচ বছর ধরে সেতুর নীচে কাঁচা রাস্তা তৈরি করে চলাচল করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সন্দীপ রাও বলেন, প্রকল্পের খরচ বেড়ে গিয়েছিল এবং গত বছর ৬০ শতাংশ কাজ শেষ না করেই আরও ১১ কোটি টাকা খরচ যোগ করা হয়েছিল।
অনলাইন ডেস্ক :
নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থ ক্যারিবিয়ান দ্বীপ পুয়ের্তো রিকোতে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। রাজধানী সান জুয়ানের একটি মসজিদে গিয়ে তিনি মুসল্লিদের সাথে নামাজে অংশ নেন। মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিরা তাকে উচ্ছ্বাসের সাথে স্বাগত জানান।
খুতবার পর ৩৪ বছর বয়সি এই নেতা সাধারণ মুসল্লিদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ পড়েন। নামাজ শেষে তাকে মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করতেও দেখা যায়।
জোহরান মামদানি মাত্র দুই দিন আগে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পান। তিনি সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো ও রিপাবলিকান কার্টিস স্লিওয়াকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনে দুই মিলিয়নেরও বেশি ভোট পড়ে, যা শহরের ইতিহাসে রেকর্ড।
৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি পুয়ের্তো রিকো সফরে যান বার্ষিক ‘সোমোস কনফারেন্স’-এ অংশ নিতে। সান জুয়ানে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে প্রতি বছর নিউইয়র্কের রাজনীতিক, নীতিনির্ধারক ও লবিস্টরা একত্রিত হন। সম্মেলনে বিভিন্ন কর্মশালা ও আলোচনার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিকভাবে মতবিনিময়ের সুযোগও থাকে।
নির্বাচনের পর এটি জোহরান মামদানির প্রথম বড় রাজনৈতিক সফর। সম্মেলনে তিনি তার প্রশাসনের পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এই সফরে তিনি তার একটি টিম নিয়ে অংশ নিচ্ছেন এবং ইতোমধ্যে সিটি হলে প্রশাসন গঠনের জন্য একটি ট্রানজিশন টিম গঠন করেছেন।
সম্মেলনে তিনি নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমসের আয়োজিত এক সংবর্ধনায়ও যোগ দেবেন। লেটিটিয়া জেমস ছিলেন মামদানির নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম প্রধান সমর্থক।