অনলাইন ডেস্ক :
রাজধানীতে অক্টোবরে গণপরিবহনে যুক্ত হচ্ছে ১০০ এসি বৈদ্যুতিক বাস বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।
আজ ৯ মে মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ফুলবাড়িয়া নগরভবনে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ২৭তম সভা শেষে কমিটির সভাপতি শেখ ফজলে নূর তাপস এ কথা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আমাদের নগর পরিবহন বীরদর্পে এগিয়ে চলছে। এ বছরের মধ্যেই ১০০টি বৈদ্যুতিক বাস নামবে, যা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন পরিচালনা করবে।
তিনি আরো বলেন, এর মাধ্যমে আমরা ঢাকা শহরকে পরিবেশবান্ধব নগরে পরিণত করতে পারব। আমরা বায়ুদূষণের যে তকমা ছিল তা থেকে বের হতে পারব।
অনলাইন ডেস্ক :
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেছেন, দুর্নীতির তথ্য তামাদি হয় না। সংসদ নির্বাচন শেষে প্রার্থীদের হলফনামায় অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য যাচাই করা যাবে।
আজ ১ জানুয়ারি সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয় মিলনায়তনে রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র্যাক) অ্যাওয়ার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দুদক কমিশনার জহুরুল হক, আছিয়া খাতুন ও দুদক সচিব মাহবুব হোসেন। সভাপতিত্ব করেন র্যাক সভাপতি আহম্মদ ফয়েজ।
অনুষ্ঠান শেষে দুদক চেয়ারম্যানের হাত থেকে র্যাক পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রিন্ট, অনলাইন পোর্টাল ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নির্বাচিত তিন সাংবাদিক। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন প্রিন্ট ক্যাটেগরিতে দৈনিক বাংলার বিশেষ প্রতিবেদক নুরুজ্জামান লাবু, অনলাইন ক্যাটেগরিতে ঢাকা পোস্টের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এফ এম আবদুর রহমান মাসুম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ক্যাটেগরিতে মাই টিভির জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মাহবুব সৈকত। প্রত্যেককে পুরস্কারের ক্রেস্ট ও এক লাখ টাকা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে সাংবাদিকদের উদ্দেশে দুদক চেয়ারম্যান ফরমায়েশি কোনো প্রতিবেদন তৈরি না করে দুর্নীতির তথ্যবহুল প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান জানান।
কমিশনার জহুরুল হক বলেন, যে পরিমাণ টাকা প্রতিবছর পাচার হয়, সে টাকায় দশটা পদ্মা সেতু নির্মাণ করা যাবে। দুর্নীতির সেসব তথ্য সাংবাদিকদের প্রকাশ করার পরামর্শ দেন তিনি।
কমিশনার আছিয়া খাতুন দুর্নীতির আরও গভীরে প্রবেশ করে তা তুলে ধরার আহ্বান জানান। একই আহ্বান জানিয়ে দুদক সচিব মাহবুব হোসেন কমিশনের সহযোদ্ধা হিসেবে র্যাহক অন্তর্ভুক্ত সাংবাদিকরা কাজ করছেন বলে উল্লেখ করেন।
অনলাইন ডেস্ক :
বিশিষ্ট পরমাণুবিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার। তিনি ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে।
আজ ৯ মে বৃহস্পতিবার সকালে রংপুরের পীরগঞ্জে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবে বিভিন্ন সংগঠন।
পীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, ড. ওয়াজেদ মিয়ার পরিবার, উপজেলা আওয়ামী লীগ, ড. ওয়াজেদ স্মৃতি সংসদ ও ড. ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন ফাতিহা পাঠ, কবর জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল ও গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হলে ‘বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতি পাঠাগার’-এর পক্ষ থেকে আলোচনা ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
ওয়াজেদ মিয়ার জন্ম ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের লালদীঘির ফতেহপুর গ্রামে।
তিনি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন এবং ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৬১-৬২ শিক্ষাবছরের জন্য হল ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন।
তিনি ১৯৬৩ সালের ১ এপ্রিল তৎকালীন পাকিস্তান আণবিক শক্তি কমিশনের চাকরিতে যোগ দেন।
১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
ওয়াজেদ মিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের পদার্থবিজ্ঞান, ফলিত পদার্থবিজ্ঞান ও প্রকৌশলের ছাত্রদের জন্য দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ’ এবং ১৯৯৫ সালে ‘বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকারের চালচিত্র’ নামে দুটি বই লিখেছেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ইজতেমা ময়দানে নিরীহ মুসল্লিদের ওপর সাদ পন্থীদের হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে এবং দেশব্যাপী সাদ পন্থীদের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উলামা মাশায়েখ ও তৌহিদি জনতা।
আজ ২০ ডিসেম্বর শুক্রবার জুম্মা নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসার তৌহিদী জনতা শহরের টেংকের পাড় মাঠে এসে সমাবেত হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে কুমারশীল মোড়, হাসপাতাল রোড, কোর্টরোড ও মাদরাসা মোড়সহ বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদিক্ষিন করে কাউতলী মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, হেফাজত ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মুফতি মুবারকুল্লাহ্, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আজম, দফতর সম্পাদক মাওলানা বেলাল হোসাইন প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ইজতেমা ময়দানে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাদপন্থীদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবি জানান। পাশাপাশি দেশ ব্যাপী সাদ পন্থীদের কার্যক্রম নিষিদ্ধেরও দাবি তুলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
সৌদি আরবের জেদ্দায় স্ট্রোক করে মোহাম্মদ হকসাব (৫৪) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। আজ ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোরে জেদ্দায় নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মোহাম্মদ হকসাব নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ মাঝির বাড়ির মো. মোস্তফার ছেলে।
নিহতের মেয়ের জামাই ও সৌদি আরব প্রবাসী সাইফ আল হাসান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোহাম্মদ হকসাব দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে প্রবাস জীবনে ছিলেন। এর মধ্যে সর্বশেষ চার বছর তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। প্রবাসে কাজের সংকট, কাজ করেও বেতন না পাওয়া এবং পারিবারিক নানা দুশ্চিন্তায় তিনি মানসিক চাপে ভুগছিলেন।
তিনি আরো জানান, হকসাব উদ্দিনের ইচ্ছা ছিল আর কিছুদিন প্রবাসে থেকে দেশে স্থায়ীভাবে ফিরে যাওয়ার। তবে সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই তাকে লাশ হয়ে দেশে ফিরতে হলো। মরদেহ দেশে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবার।
এদিকে, তার মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক :
দেশজুড়ে নাগরিক সেবা গ্রহণের পদ্ধতিকে সহজ করতে চালু হতে যাচ্ছে নতুন এক সেবা আউটলেট- ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’, সংক্ষেপে ‘নাগরিক সেবা’।
আজ ৩০ এপ্রিল বুধবার প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এমন তথ্য জানিয়েছেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, এক ঠিকানায় সকল নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে আসছে নতুন সেবা আউটলেট “নাগরিক সেবা বাংলাদেশ”! সংক্ষেপে “নাগরিক সেবা”। বাংলাদেশের সব শহরে, সব গ্রামে, সব ওয়ার্ডে। সেবাদাতা হিসেবে উদ্যোক্তারা আবেদন করতে পারবেন আগামীকাল থেকেই।
পোস্টে তিনি আরো উল্লেখ করেন, আগামীকাল (১ মে) শুক্রবার থেকে সেবা আউটলেট পরিচালনার জন্য উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আগ্রহীরা নাগরিক সেবা প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে সেবাদাতা হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
ধারণা করা হচ্ছে, ‘এক ঠিকানায় সকল সেবা’ শ্লোগানে যাত্রা শুরু করতে যাওয়া এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি শহর, গ্রাম ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নাগরিকরা একই স্থান থেকে একাধিক সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে নাগরিকদের সময়, অর্থ এবং ভোগান্তি—সবকিছুই কমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।