অনলাইন ডেস্ক :
লিওনেল মেসির সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করে ফেলেছে সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল। সৌদি প্রো লিগ কর্তৃপক্ষ তাকে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন ডলার বেতন দেবে।
সংবাদ মাধ্যম এএফপি এমনটিই জানিয়েছে। সূত্রের বরাত দিয়ে প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, দুই পক্ষ চুক্তির বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। আগামী মৌসুমে লিও সৌদি লিগে খেলবেন।
আগামী জুনে পিএসজির সঙ্গে চুক্তি শেষ হচ্ছে মেসির। বেতন বাড়ালে মেসি প্যারিসের দলটির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দুই পক্ষ ওই বিষয়ে সমঝোতায় আসতে পারেনি বলে সংবাদ মাধ্যম দাবি করেছিল।
মৌসুমে শেষে ফ্রি এজেন্টে কাতার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টাইন তারকা মেসি ক্যাম্প ন্যুতে ফিরবেন বলে গুঞ্জন ছিল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যাওয়ারও গুঞ্জন ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সৌদি প্রো লিগেই মেসি খেলবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এএফপির দেওয়া তথ্য শেষ পর্যন্ত সঠিক হলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং লিওনেল মেসির মধ্যে আবার লড়াই জমবে। গত জানুয়ারির দলবদলের মৌসুমে পর্তুগিজ তারকা রোনালদো সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু ভালো-খারাপ সময় পার করেছেন তিনি। মেসি আসলে আবার তিতি তেঁতে উঠতে পারেন।
অনলাইন ডেস্ক :
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়ের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী পরীমণি। আজ ২৭ জানুয়ারি সোমবার ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদের আদালত শুনানি শেষে জামিনের আদেশ দেন। এদিন সকাল ১০টার দিকে আদালতে পৌঁছান পরীমণি।
এর আগে, গতকাল রবিবার মামলাটি চার্জ শুনানির জন্য ছিলো। তবে পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি আদালতে হাজির হননি। তাদের পক্ষে সময় আবেদন করা হয়। আদালত সময় আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে রবিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদ এ পরোয়ানা জারি করেন।
আরজিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন। বাদী ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত সোয়া ১টার দিকে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদী নাসির উদ্দিনকে ডাক দেন এবং তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমনি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসির উদ্দিনকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য বাদীকে চাপ দেন। বাদী এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি বাদীকে গালমন্দ করেন। বাদী এবং আসামিদের মধ্যে বাদানুবাদের একপর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনটিও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির উদ্দিন মাথায় এবং বুকে আঘাত পান।
এতে আরো উল্লেখ করা হয়, পরীমনি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদীসহ দুজনের নামে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
গত বছর এ মামলায় পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরীমনি ছাড়া এ মামলায় তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে তার সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
এরপর গত বছর ১৮ এপ্রিল এ মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানি শেষে তাদের দু’জনকে হাজির হতে সমন জারি করেন।
এরপর গত বছর ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম. সাইফুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
অনলাইন ডেস্ক :
তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আফগানিস্তানকে ৫৯ রানে অলআউট করে দিয়েছে পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে ৪৭.১ ওভারে ২০১ রানে অলআউট হওয়া পাকিস্তান তুলে নিয়েছে ১৪২ রানের জয়।
পাকিস্তানের পেসার হ্যারিস রউফের আগুনে পুড়েছে আফগানরা। ডানহাতি এই পেসার তুলে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। তার ওই ফাইফারে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানে অলআউট হয়েছে হাসমতউল্লাহ শাহেদির দল।
ওয়ানডে ফরম্যাটে আফগানিস্তানের সর্বনিম্ন রান ৫৮। ২০১৬ সালে জিম্বাবুয়ে তাদের ওই রানে অলআউট করেছিল। তার আগের বছর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৩ রানে থেমেছিল আফগানরা। ২০১০ সালে কেনিয়া তাদের ৮৮ রানে অলআউট করেছিল। একশ’ রানের নিচে ওটাই ছিল তাদের শেষ অলআউট হওয়ার ঘটনা।
সর্বশেষ এই হাম্বানতোতায় শ্রীলঙ্কায় বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল আফগানিস্তান। অলআউট হয়েছিল ১১৬ রানে। এছাড়া গত ছয়-সাত বছরে এতো বড় ব্যাটিং বিপর্যয় দেখিনি সাহসী ক্রিকেট খেলতে থাকা আফগানিস্তান।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের আয়োজক আফগানিস্তান। নিরপেক্ষ ভেন্যু শ্রীলঙ্কার হাম্বানতোতায় মঙ্গলবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। মুজিব উর তিনটি ও রশিদ খান-মোহাম্মদ নবী দুটি করে উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে থামিয়ে দেয়।
পাকিস্তানের হয়ে ইমাম উল ৬১ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া মিডল অর্ডারে ইফতিখার ৩০ ও শাদাব খান খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস।
জবাব দিতে নেমে আফগানিস্তান চতুর্থ ওভারে ৪ রানে হারায় তিন উইকেট। শুরুর তিন ব্যাটার ডাক মেরে ফিরে যান। সেখান থেকে আর উঠতে পারেনি দলটি। আফগানদের হয়ে ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ১৮ ও আজমতুল্লাহ ওমরজাই ১৬ রানের ইনিংস খেলেন। আর কেউ দশ রানের ঘরে ঢুকতে পারেননি।
পাকিস্তানের হয়ে হ্যারিস রউফ ৬.২ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৮ রান দিয়ে তুলে নেন পাঁচ উইকেট। এছাড়া শাহিন আফ্রিদি দুই উইকেট নেন। একটি করে উইকেট দখল করেন নাসিম শাহ ও শাদাব খান।
অনলাইন ডেস্ক :
জাতীয় দলের ব্যস্ততা না থাকায় ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট মাতাচ্ছেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। আফগানদের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে সম্প্রতি কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন তিনি। মন্ট্রিয়াল টাইগার্সের হয়ে ৪ ম্যাচ খেলে ২৫.৫০ গড়ে করেন ১০২ রান। স্ট্রাইকরেটও আকর্ষণীয়, ১৫৪.৫৫। তাছাড়া বল হাতে ৭ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে পুরো আসর না খেলেই সাকিব যোগ দেন শ্রীলঙ্কায়। গল টাইটান্সের হয়ে বর্তমানে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ খেলছেন তিনি। এর মধ্যেই শ্রীলঙ্কা বসে বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হওয়ার খবর জানতে পারেন সাকিব। অধিনায়ক হওয়ার সুখবর পেয়েই হয়তো স্ত্রী-পুত্র ও কন্যাদের নিয়ে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছেন সাকিব।
পরিবারের ঘুরে বেড়ানোর একটি ছবি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন সাকিবপত্নী উম্মে আহমেদ শিশির। ছবিতে আছেন পরিবারের পাঁচ সদস্যের সবাই। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শিশিরের কোলে আছে ছোট মেয়ে আর ছেলে সাকিবের কোলে। বড় মেয়ে সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ছবিটিতে শিশির ক্যাপশন দিয়েছেন, ‘ফ্যামিলি আউটিং।’
ইতোমধ্যে গল টাইটান্সের হয়ে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার খেলে ফেলেছেন ৫ ম্যাচ। যেখানে ৪ ইনিংস ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ১৭.৫০ গড় ও ১২৫ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৭০ রান। ৭.০৫ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৫ উইকেট।
অনলাইন ডেস্ক :
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী প্রয়াত অঞ্জনা রহমানের প্রথম নামাজে জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। আজ ৪ জানুয়ারি শনিবার দুপুরে অভিনেত্রীর প্রথম জানাযা সম্পন্ন হয়েছে বিএফডিসিতে। যেখানে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিনোদন অঙ্গনের ব্যক্তিত্বরা। এর আগে বেলা সোয়া ১১টায় অভিনেত্রীর মরদেহবাহী গাড়িটি প্রবেশ করে চলচ্চিত্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন-বিএফডিসির ভেতরে। সেখানে অঞ্জনাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পরিচালক ছটকু আহমেদ, নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য ও অভিনেতা সনি রহমানসহ চলচ্চিত্র ও অভিনয় জগতের অনেকে।
এ সময় অঞ্জনার ছেলে নিশাত রহমান মনি জানান, বাদ জোহর এফডিসিতে জানাযা শেষে অভিনেত্রীর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে। সেখানে আরেকবার জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে শেষ শয্যায় শায়িত হবেন অঞ্জনা।
এর আগে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে অঞ্জনাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। ইনফেকশন তার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পর ১ জানুয়ারি বুধবার বিএসএমএমইউ’র আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় অভিনেত্রীকে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি হাসপাতালটির ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে ছোটবেলা থেকে অঞ্জনা রহমান একজন নামি নৃত্যশিল্পী ছিলেন। নৃত্যের প্রতি আগ্রহের কারণে তার বাবা মা তাকে নৃত্য শিখতে ভারতে পাঠান। সেখানে তিনি ওস্তাদ বাবুরাজ হীরালালের অধীনে নাচের তালিম নেন এবং কত্থক নৃত্য শিখেন। নৃত্যে তিনি তিনবার জাতীয় পুরস্কারও লাভ করেন।
১৯৭৬ সালে বাবুল চৌধুরীর ‘সেতু’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে অভিনয় জীবনে পথচলা শুরু করেন অঞ্জনা। তবে তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র শামসুদ্দিন টগর পরিচালিত ‘দস্যু বনহুর’। রহস্য ভিত্তিক এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন সোহেল রানা।
১৯৭৮ সালে তিনি আজিজুর রহমান পরিচালিত ‘অশিক্ষিত’ চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাকের বিপরীতে অভিনয় করে নিজের ক্যারিয়ারকে সফলতার পথে এগিয়ে নেন।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি রাজ্জাক, আলমগীর, জসিম, বুলবুল আহমেদ, জাফর ইকবাল, ওয়াসিম, উজ্জ্বল, ফারুক, ইলিয়াস জাভেদ, মিঠুন চক্রবর্তী (ভারত), ইলিয়াস কাঞ্চন, ফয়সাল (পাকিস্তান), নাদিম (পাকিস্তান), জাভেদ শেখ (পাকিস্তান), ইসমাইল শাহ (পাকিস্তান), শীবশ্রেষ্ঠ (নেপাল), ভুবন কেসিসহ (নেপাল) জনপ্রিয় অভিনেতাদের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন।
প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন গুণী এই অভিনেত্রী। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলো- সুখের সংসার, যাদু নগর, নেপালী মেয়ে, রাখে আল্লাহ মারে কে, একই রাস্তা, অঙ্কুর, মাধবীলতা, জবরদস্ত, জিদ্দী, আশীর্বাদ, শাহী কানুন, রূপসী বাংলা, বাপের বেটা, মরুর বুকে, প্রমাণ, বিক্রম, আকাশপরি, রাজার রাজা, বিধিলিপি, দিদার, আনারকলি, অগ্নিপুরুষ, টার্গেট, আন, মহারাজ, মানা, আশার প্রদীপ, প্রতিরোধ (বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনা), বেদনা, সোনার পালঙ্ক, চোখের মনি, প্রেমের সমাধি, ঈমানদার, অংশীদার, সুখ, দোযখ ইত্যাদি।
বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, নেপাল, থাইল্যান্ড ও শ্রীলংকাসহ বহু দেশে ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।
অভিনয়ে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮১ সালে ‘গাংচিল’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য এবং ১৯৮৬ সালে ‘পরিণীতা’ চলচ্চিত্রের জন্য অঞ্জনা রহমান দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া মোহনা, পরিণীতা ও রাম রহিম জন চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে তিনবার বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন তিনি।
বিনোদন ডেস্ক :
ভারতীয় গোয়েন্দা ভিত্তিক প্রথম টিভি সিরিজ ‘সি. আই. ডি’ এর অভিনেতা দীনেশ ফাদনিস মারা গেছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১২টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর প্রকাশ করেছে।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় মুম্বাইয়ের তুঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দীনেশকে। তারপর থেকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আজ তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
প্রথমে জানা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দীনেশ। কিন্তু এ তথ্য সঠিক নয় বলে জানান সিআইডির আরেক অভিনেতা নয়ানন্দ শেঠি। এ অভিনেতা পিঙ্কভিলাকে বলেন, ‘এটি হার্ট অ্যাটাক নয়; তার লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে দ্রুত তাকে তুঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গত দুই দিন তার শারীরিক অবস্থা অনেক বেশি আশঙ্কাজনক ছিল। তবে এখনো তার শারীরিক অবস্থার বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয়নি। আশা করছি, খুব শিগগির সে সুস্থ হয়ে ওঠবে।’
মূলত, ঔষুধের প্রতিক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন দীনেশ। তা জানিয়ে দয়ানন্দ শেঠি বলেন, ‘দীনেশের অন্য রোগের চিকিৎসা চলছিল। সেসব ঔষুধের প্রতিক্রিয়ায় দীনেশের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এজন্য খুব ভেবেচিন্তে ঔষুধ খাওয়া উচিত।’
১৯৯৭ সালে প্রচার শুরু হয় সিআইডির। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এ সিরিয়ালের ইন্সপেক্টর ফ্রেডরিক্স বা ফ্রেডি চরিত্রে অভিনয় করেন দীনেশ ফাদনিস। তার চরিত্রটি টেলিভিশন দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। নব্বই দশক থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ভারতীয় টেলিভিশনের সবচেয়ে জনপ্রিয় শোগুলোর একটি সিআইডি।