চলারপথে ডেস্ক :
ঘূর্ণিঝড় মোকা’র কারণে স্থগিত হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষাগুলো আগামী ২৩ মে’র পর নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি জানান, সব বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
আজ ১৫ মে সোমবার ঢাকার টিচার্স ট্রেনিং কলেজে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী সম্ভাব্য এই সময় জানিয়েছেন বলে জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, সব বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, চলমান এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হলেই স্থগিত পরীক্ষা নেওয়া হবে।
ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। আর সোমবার অনুষ্ঠিতব্য দেশের সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
প্রসঙ্গত, আগামী ২৩ মে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে। একই দিন শেষ হবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল তত্ত্বীয় পরীক্ষা। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে।
চলারপথে রিপোর্ট:
কুমিল্লায় বাথরুমের বালতিতে পড়ে আয়ান নামে ১১ মাসের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
নিহত আয়ান জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ছোটখিল গ্রামের সৌদি প্রবাসী ইলিয়াছ মজুমদারের ছেলে।
আজ ২৮ মে রবিবার দুপুরে কুমিল্লা পদুয়ার বাজার এলাকায় আয়ানের খালার বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আয়ান জ্বর, সর্দি এবং কাশিতে আক্রান্ত হওয়ায় রবিবার সকালে তার মা চৌদ্দগ্রাম থেকে কুমিল্লার শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এম.এ মান্নানের চেম্বারে নিয়ে যায়।
ডাক্তার দেখানো শেষ করে আয়ানের খালার বাসা কুমিল্লা শহরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় যায় তারা। বাসায় গিয়ে পরিবারের সবাই দুপুরের খাবার গ্রহণের সময় শিশু আয়ান পার্শ্ববর্তী রুমে গিয়ে বাথরুমে ডুকে পড়ে।
এসময় বাথরুমে থাকা পানির বালতিতে পড়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর তার মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আয়ানকে খুঁজতে থাকে।
একপর্যায়ে বাথরুমের বালতিতে আয়ানের নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে সবাই। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। রবিবার বাদ আছর গ্রামের বাড়ী ছোটখিলে জানাযার নামাজ শেষে তার লাশ দাফন করা হয়।
অনলাইন ডেস্ক :
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে বলেছেন, ‘আমরা মনে করি যে, কোটা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আছে। তেমনি অযৌক্তিকভাবে যে কোটা সংরক্ষণ করা আছে, এগুলোকে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসা দরকার। সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি এবং করব। আমাদের সংবিধানে কোটার কথা বলা আছে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অগ্রসরতার জন্য কোটার প্রয়োজন আছে।
আজ ১৩ জুলাই শনিবার দুপুরে মাদারীপুর জেলার শিবচরে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে ‘দাদাভাই হাউজিং এস্টেট’ এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের তো আর কোটার দরকার নাই। তাদের সন্তানেরাও কোটার বাইরে চলে গেছে। এখন অন্যদেরকে কোটা দেওয়া হবে কিনা তা আদালত যেভাবে নির্দেশনা দেবে, সরকার সেভাবেই কাজ করবে। এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলব, আপনারা আরেকটু অপেক্ষা করুন, ধৈর্যধারণ করুন। এভাবে আপনারা পড়াশোনা নষ্ট করে যেভাবে মাঠে আছেন, আপনাদের প্রতি সিমপ্যাথি থাকা স্বত্বেও আমরা মনে করি আপনারা নিজেদের ক্ষতি করছেন। মন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা মাঠ থেকে উঠে আসুন, পড়াশোনায় মনোনিবেশ করুন। সেই সঙ্গে আপনাদের দাবির ব্যাপারেও সোচ্চার থাকুন। আমরা আপনাদের অভিভাবক, আমরা আপনাদের প্রতি বিরূপ মনোভাব নাই। শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ জনগণের প্রতি যথেষ্ট সংবেদনশীল, ছাত্রছাত্রীদের প্রতিও সংবেদনশীল। আমাদের সরকার অবশ্যই সব দিকেই বিচার বিশ্লেষণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
এর আগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে উপজেলার দাদা ভাই উপশহরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগদান করেন। এসময় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এসময় শিবচরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৪ বাস্তবায়নের জন্য ছাতিয়ান, কাঠবাদাম, জারুল, চেরি, কাঁঠাল, জলপাই, জামরুল, পলাশ, গাব, জাম্বুরা, দেশী টগর, রাধাচূড়া, নারকেল, সোনালু, নিম, বকুল, করবি, আলমন্ডা, মৌসুন্দা গোলাপি, চালতা, চাইনিজ টগর, সিজিমাস, গোল্ডেন সাওয়ার, ল্যাংড়া আম রঙ্গন গোলাপি, বোতল ব্রাশ, কৃষ্ণচূড়া, পেয়ারা, মেহেদী, শিউলি, লটকন, মেহগনি, বড়ই, আম, ফলসা, জাম, হরতকি,বয়রা, অর্জুন, হিজল, ডেউয়া, আমলকী ইত্যাদি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নবীরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. হামিদুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো.আব্দুল মতিন, যুগ্ম সচিব শাহনাজ সামাদ, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক(যুগ্ম সচিব) মো.শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব -শেখ নূর মোহাম্মদ, মো.সোহেল হাসান, আবুল কালাম আজাদ, ফরিদুল ইসলাম, মো.জহিরুল ইসলাম, দেবময় দেওয়ান, মুহাম্মদ ইকবাল হুসাইন, মো.আতিউর রহমান।
মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান, মাদারীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, পুলিশ সুপার শফিউর রহমান,শিবচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. মো. সেলিম মিয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুন, শিবচর পৌর মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক :
পিরোজপুরের কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার আইনে দুই ব্যবসায়ী ও ইলিশ ধরার প্রস্তুতির সময় দুই জেলেকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
আজ ১৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ বায়েজিদুর রহমান ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায়ের নেতৃত্বে এবং থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে উপজেলার দক্ষিণ বাজারে মেসার্স সাগর এন্টারপ্রাইজের মালিক বাসুদেব কুন্ডুকে মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক ও খাদ্য মজুদ রাখা ও লাইসেন্স না থাকায় ১০ হাজার টাকা এবং চিরাপাড়ার শেখ বেকারির মালিক লিমন শেখকে খাদ্যে নিষিদ্ধ কেমিক্যাল মিশানো, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন করার দায়ে ৭ হাজার টাকাসহ মোট ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া, কাউখালী নৌ পুলিশ নদীর পাড়ে ইলিশ মাছ ধরার প্রস্তুতিকালে পাঁচ হাজার মিটার কারেন্ট ও ইলিশ মাছ ধরার জালসহ দুইজনকে আটক করা হয়।
তারা হলেন- উপজেলার আমরাজুড়ি গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে শহিদুল শেখ (৪৫) ও হরিনধারা গ্রামের সেলিম গাজীর ছেলে জালিছ মাহমুদ (২২)।
পরে আটকদের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ বায়েজিদুর রহমানের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে আদালত প্রত্যেকে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করেন এবং জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীনির্ভর ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমা আজ ১৩ অক্টোবর সারা দেশের সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটি দেশবাসীকে দেখার আহ্ববান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভারতের খ্যাতিমান পরিচালক শ্যাম বেনেগালের পরিচালনায় ‘মুজিব’ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। বৃহস্পতিবার সিনেমাটর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখেন। এ সময় তাঁর পাশে বসা ছিলেন বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করা আরিফিন শুভও।
সিনেমা দেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে কী বলেছেন এমন প্রশ্নে সাংবাদিকদের আরিফিন শুভ জানিয়েছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মেয়ে (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) মনে করেছে আমি তুলে ধরতে পেরেছি, আমি পেরেছি কি না সেটা ভাবার বা প্রয়োজন আমি দেখি না। যাঁর বাবার চরিত্র করেছি তার মনে হয়েছে আমি পেরেছি। যিনি তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন, একজন কন্যার যদি তাঁর বাবাকে নিয়ে মনে হয়, আমার বাবার চরিত্র এ সুন্দর করেছে। উনি রীতিমতো আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে করছে? কীভাবে করলা এত সুন্দর করে?’
সিনেমাটি প্রসঙ্গে কিছু বলার আছে কি না এমন প্রশ্নে আরিফিন শুভর উত্তর, ‘আমার তিন বছরের চেষ্টা সিনেমায় দেওয়া আছে। মানুষ দেখুক সেটার জন্য অপেক্ষা, নতুন করে কিছুই বলার নেই।’
বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীনির্ভর ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমা শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সারা দেশের ১৫৩ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে।
ভারতের খ্যাতিমান পরিচালক শ্যাম বেনেগালের ‘মুজিব’ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ, শেখ হাসিনার একটি চরিত্রে চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া ও বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছার বড়বেলার চরিত্রে অভিনয় করছেন নুসরাত ইমরোজ তিশাসহ শতাধিক অভিনেতা কাজ করছেন সিনেমাটিতে।
২০২১ সালের জানুয়ারির শেষ দিকে মুম্বাইয়ের দাদা সাহেব ফালকে স্টুডিওতে সিনেমাটির প্রথম ধাপের শুট শুরু হয়। সিনেমাটিতে সহযোগী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন দয়াল নিহালানি। চিত্রনাট্য লিখেছেন অতুল তিওয়ারি ও শামা জায়েদি। শিল্প নির্দেশনার দায়িত্বে রয়েছেন নীতিশ রায়। কস্টিউম ডিরেক্টর হিসেবে আছেন শ্যাম বেনেগালের মেয়ে পিয়া বেনেগাল।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে প্লাস্টিকের বোতলমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিতায় প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে এখন ব্যবহৃত হচ্ছে কাচের জগ আর গ্লাস। এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। উপদেষ্টা পরিষদের সহকর্মী সদস্যদের প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি। প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে যমুনাকে প্লাস্টিকের বোতলমুক্ত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্লাস্টিকের বোতলজাত পানি ব্যবহার বন্ধ বলে জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি আরো বলেন, প্রথমে আমি ভেবেছিলাম এটি সম্ভব হবে না। তবে এই পরিবর্তনের পরে প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেছে।