চলারপথে রিপোর্ট :
সম্প্রতি পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তা রোধকল্পে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৫ মে সোমবার সকালে ইন্দুরকানী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের সকল সদস্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
ইন্দুরকানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুন্নেসা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচেতনতামূলক এ সভায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
এ সময় বক্তারা পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর বিভিন্ন কারণ তুলে ধরার পাশাপাশি সেগুলো সমাধানের উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেন। তবে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু সংখ্যা কমানোর লক্ষ্যে শিশুদের সাঁতার শেখানোসহ পরিবারের সদস্যদের সচেতন হওয়ার প্রতি জোর দেন বক্তারা।
চলারপথে ডেস্ক :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে আইনমন্ত্রী অ্যাড: আনিসুল হক এম.পি বলেছেন, বিচারকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে আইনজীবী ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও তার মক্কেল ক্ষতিগ্রস্ত হন। কারণ বিচারকের হাতে কলম থাকে। এটা আইনজীবীদের মাথায় রাখতে হবে। এ কারণে বিচারকদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে।
বিচারকদের আশস্ত করে আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘যারা অপরাধ করেছেন সেটা প্রমাণিত হলে তাদের বিচার হবে। যারা নির্দোষ তাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। আইনজীবী বা বিচারপ্রার্থীর দাবির মুখে কোনো বিচারককে বদলি করা হবে না। সরকার এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না যাতে বিচার বিভাগের ওপর খবরদারি হয় এবং ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়।’
আজ ২১ জানুয়ারি শনিবার রাজধানীর বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের বিচারকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্ধোধন শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে কর্মশালায় আইন সচিব গোলাম সারওয়ার ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) শেখ আশফাকুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমি একজন আইনজীবী, এটা আমার বড় পরিচয়। একজন বিচারকের প্রতি সম্মানটা স্বাভাবিকভাবে আসা উচিত। বার ও বেঞ্চের মধ্যে সুসম্পর্ক ছাড়া বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার পায় না। সম্প্রতি বার ও বেঞ্চের মধ্যে কিছুটা অসহিষ্ণুতা লক্ষ্য করছি। এটা কাম্য নয়।
বিচারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানে বিচারকদের বড় ভাইয়ের ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলে সমস্যা কমে আসবে। সমস্যা হলে তা ব্যক্তি পর্যায়ে সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমন একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গতিশীল বিচার বিভাগের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে শোষিত-বঞ্চিত-নির্যাতিত এবং অসহায় মানুষ স্বল্প খরচে দ্রুত ন্যায়বিচার পাবেন। বস্তুত ন্যায়বিচার খাদ্য ও বস্ত্রের মতোই জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য উপাদান। কেননা খাদ্য ছাড়া যেমন জীবন বেঁচে থাকতে পারে না, বস্ত্র ছাড়া যেমন মানুষ জনসমক্ষে বের হতে পারে না, তেমনি ন্যায়বিচার ছাড়া মানুষ সমাজে শান্তিতে বসবাস করতে পারে না। ন্যায়বিচারের অনুপস্থিতিতে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
ফরিদপুরের বোয়ালমারীর মধুমতি নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের ১০০০ মিটারের অধিক চায়না দুয়ারী এবং অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। আজ ২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে উপজেলার হরিহরনগর বাওর সংলগ্ন মধুমতির নদীর তীরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা মৎস্য বিভাগের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোশারেফ হোসাইন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোশারেফ হোসাইন জানান, উপজেলার হরিহর নগর বাওর এলাকায় চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মধুমতি নদী থেকে অবৈধ জাল দিয়ে ছোট ছোট রেনু পোনা ধ্বংস করে আসছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের ১০০০ মিটারের অধিক চায়না দুয়ারী এবং অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তা ধ্বংস করা হয়েছে।
মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোশারেফ হোসাইন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে ছিলেন উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন।
অনলাইন ডেস্ক :
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে নির্বাচন কমিশন সংস্কার থেকে কোন রকম বাধা দেয়া হচ্ছে না কিংবা কোন রকম বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার।
আজ ১৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার বিষয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, সব দলের অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হউক, সেই সুপারিশ করবে নির্বাচন সংস্কার কমিশন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে অযোগ্য না হলে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। সংস্কার কমিশন চায় সব দলের অংশগ্রহণে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হউক, এমন প্রত্যাশাই করেন তারা।
এসময় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ জেলা-মহানগর সুজনের সভাপতি, বিভাগীয় সমন্বয়কসহ সুজনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বাদ এশা পরমানন্দপুর ঈদগাহ মাঠে চতুর্থ জানাজা শেষে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।
এর আগে আজ ৩০ সেপ্টেম্বর শনিবার রাত ৩টায় রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।
উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞার ছেলে মাইনুল হাসান তুষার বলেন, ‘বাবা দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে এক সপ্তাহ আগে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিলেন। শুক্রবার রাত ৩টা ২ মিনিটে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।’
এর আগে উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞার প্রথম জানাযা শনিবার সকাল ১১টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। পরে সড়কপথে মরদেহ সরাইল উপজেলা সদরে আনা হয়। শনিবার বাদ আসর সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে মরদেহ নেওয়া হয় অরুয়াইল আব্দুস সাত্তার ডিগ্রি কলেজ মাঠে। বাদ মাগরিব তৃতীয় জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হয় পরমানন্দপুর গ্রামে। শনিবার বাদ এশা পরমানন্দপুর ঈদগাহ মাঠে চতুর্থ জানাজা শেষে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।
এ দিকে সরাইল সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জানাজায় অংশ নেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য বি এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার, সরাইল উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, নাসিরনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. রাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজমুল হোসেন, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা প্রমুখ। এ সময় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলী আজাদ উপস্থিত ছিলেন। তবে জানাজায় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ কোনো নেতা উপস্থিত ছিলেন না।
উকিল আব্দুস সাত্তারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আল-মামুন সরকার।
জানা যায়, আব্দুস সাত্তার ভূঞা ১৯৩৯ সালের ১৬ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে আইনজীবী পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতিও ছিলেন।
আব্দুস সাত্তার ভূঞা ১৯৭৯ সালে তৎকালীন কুমিল্লা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তৎকালীন ৪ দলীয় জোট সরকার থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে আবদুস সাত্তার আইন, মৎস্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনের পরে রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় ছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য হিসেবে জয়লাভ করেন। ২০২৩ সালের ২ জানুয়ারি তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে ২ ফেব্রুয়ারি উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন এ নেতা। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তার পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেন।
নওগাঁ প্রতিনিধি :
নওগাঁর রাণীনগরের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী রক্তদহ বিল। বিলের আশপাশে ৪০টি গ্রামের মানুষের বসবাস। এই মানুষদের চলাচলের একমাত্র ভরসা মেঠো পথের শেষে খেয়াঘাটের নৌকা। বিলে পানি যতদিন থাকে, ততদিন নৌকায় পারাপার আর যখন পানি থাকে না, তখন প্রয়োজনীয় কর্ম সমাধান করতে ৪০-৫০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে নওগাঁ, বগুড়া, রাণীনগর ও আদমদীঘিতে যেতে হয়।
এতে করে বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করে আসতে হচ্ছে এই অঞ্চলের লাখো মানুষদের। কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে যুগের পর যুগ। হাজার চেষ্টাতে এই অঞ্চলের মানুষদের ভাগ্যে খেয়াঘাটে একটি ব্রিজ জোটেনি। ফলে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল থেকেও বঞ্চিত এই কৃষিপ্রধান অঞ্চল।
বোদলা গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান মুহরী জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ের একাধিক পাঠ্যবইয়েও এই বিলের ইতিহাস লিপিবদ্ধ আছে। কয়েক হাজার বিঘা জমি নিয়ে এই বিল অবস্থিত। বিলের পূর্বপাশে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কৃষি প্রধান অঞ্চল বোদলা, পালশা, কৃষ্ণপুর, তেবাড়িয়াসহ ৪০টি গ্রাম অবস্থিত। এই মানুষদের সহজেই নওগাঁ, বগুড়া, রাণীনগর, আদমদীঘি, সান্তাহারে চলাচলের সহজপথ হচ্ছে বিলের মধ্য দিয়ে রাস্তা। বিলের মধ্য একটি ব্রিজ না হওয়ার কারণে মেঠোপথ দিয়েই খেয়াঘাটে পারাপার হতে হয়। পারাপারের জন্য খেয়াঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় নৌকার জন্য। এই অঞ্চলের মানুষদের হাতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় হাতে বেশি নিয়ে অন্যত্র যেতে হয়। একটি ব্রিজের অভাবে এখনো এই অঞ্চলের মানুষদের প্রাচীন যুগে বসবাস করতে হচ্ছে। দিনের বেলায় ঘাটে এসে নৌকা পাওয়া গেলেও রাতের বেলায় ৪০-৫০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে এই অঞ্চলের মানুষদের নিজের বাড়িতে ফিরতে হয়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষার্থী ও জরুরি রোগীদের। অনেক প্রসূতিদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে এই খেয়াঘাটে এসেই প্রসব হয়ে যায়।
উপজেলার তেবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা বাদশা বলেন, এই বিলের একপ্রান্তে শত বছরের ঐতিহাসিক কোসমুড়ির দরগা রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন মানত পূরণ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এসে থাকে। এছাড়াও বর্ষাকালে এই বিলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেক দর্শনার্থীরা এসে থাকেন। তাই এই ঘাটে একটি ব্রিজ হলে এই বিল পর্যটকদের কাছে একটি আকর্ষণীয় স্পট হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। ফলে এখানে অনেক বেকার মানুষের কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হবে।
নওগাঁ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমার জানা মতে ব্রিজ নির্মাণের সকল প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে। সকল বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে অর্থ বরাদ্দ পেলেই ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। আমি আশাবাদী দ্রুত এই অঞ্চলের মানুষদের শত বছরের স্বপ্নের ব্রিজ নির্মাণের সুখবর দ্রুতই পাওয়া যাবে।
নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, চীনের হুয়াংহু নদীর মতো এই রক্তবিলও এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি দুঃখ। এই ঘাটে একটি ব্রিজ এই অঞ্চলটিকে আমুল বদলে দিতে পারে। আমিও সংশ্লিষ্ট বিভাগকে একাধিকবার ব্রিজ নির্মাণের জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তাগাদা দিয়েছি। দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের সুখবর পাওয়া যাবে।