চলারপথে রিপোর্ট :
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থেকে এক ব্যক্তির (৫০) মরদেহ উদ্ধার করেছে হাইওয়ে পুলিশ।
আজ ২৪ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার শশই এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, স্থানীয়রা মহাসড়কের পাশে মরদেহটি দেখতে পেয়ে খবর দিলে পুলিশ তা উদ্ধার করে। নিহতের মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার পরিচয় শনাক্তসহ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা অব্যাগত রয়েছে।
দুলাল মিয়া :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের আংশিক) আসনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শীর্ষ উলামা-মাশায়েখ সমর্থিত ও বিএনপি-জমিয়ত জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরামহীন প্রচার-প্রচারণায় গ্রাম-গঞ্জে অবিরাম ছুটে চলছেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে প্রিয় নবী (সাঃ) এর প্রিয় গাছ খেজুর গাছ-কে বিজয়ী করতে মরিয়া তার নেতা কর্মীরা। এ লক্ষ্যে কর্মীরা সকাল থেকে মধ্য রাত অবধি মাঠে-ময়দানে চষে বেড়াচ্ছেন। বিজয় নিশ্চিত করতে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিতে নারাজ তার নেতা কর্মীরা।
আজ ২৮ জানুয়ারি বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের দোয়ারে দোয়ারে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শীর্ষ উলামা-মাশায়েখ সমর্থিত ও বিএনপি-জমিয়ত জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবসহ নেতা কর্মীরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার রসুলপুর মোড়ে খেজুর গাছ মার্কার গণসংযোগে অংশ গ্রহণ করেন তিনি। এ সময় তিনি হুজুর স্থানীয়দের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে খেজুর গাছ মার্কায় ভোট দিয়ে তাঁকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহরসহ বিভিন্ন এলাকায়, পরে তিনি বিজয়নগরে উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের পথসভায় যোগ দেন। এর আগে বিণ্নি আলোচনা সভা ও পথসভা করেন। প্রতিটি পথ ও জনসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
গণসংযোগের সময় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, আমি আপনাদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। উন্নয়নের মিথ্যা আশ্বাস আমি আপনাদেরকে দিবো না। ইনশাল্লাহ এতটুকু ওয়াদা আমি দিতে পারি যদি আল্লাহর রহমতে নির্বাচিত হতে পারি তবে নিজে দুর্নীতি করবো না এবং অন্যকেও করতে দিবো না। উন্নয়ন বরাদ্দ যা আসবে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে।
এছাড়াও এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত করবেন বলে ভোটারদের তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
পথসভায় সকলের দোয়া, ভোট ও সহযোগিতা কামনা করেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। এ সময় প্রায় ৩০টি বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। গতকাল রবিবার রাতে ও আজ ২৮ এপ্রিল সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের খাদুরাইল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের আমিন মেম্বার ও গিয়াস উদ্দিনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। রোববার রাতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গিয়াস উদ্দিন ও আমিন মেম্বারের নেতৃত্বে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষের লোকজন। এরই জের ধরে আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষের লোকজন। এক পর্যায়ে গ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। এ সময় ১২/১৫টি বাড়িঘরে ভাংচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আহতরা হলেন, আমসু মিয়া (২৪), আকবর মিয়া (৫০), বকুল মিয়া (২৮), মোনায়েম খাঁ (৩৭), রঙ্গু মিয়া (৩৮), মনির হোসেন (৩৫), তোফাজ্জল মিয়া (৩৫), সাইফুল ইসলাম (২৫), মরম ইসলাম (৩৫), জাকির হোসেন (৩৩), লিটন মিয়া (৩৩), আতিক মিয়া (২৫), রহিছ মিয়া (৫৫), মহরম আলীর স্ত্রীর(২৮)।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তার ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম মেম্বার ও শফিক রায়হন শ্রাবনের পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগরে নিদারাবাদ ইউনিয়ন স্কুল এণ্ড কলেজে ২০২৪ সনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১০ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ দিনব্যাপী বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে দুপুর ২ টার দিকে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান মো: আজমল এর সভাপতিত্বে ও সিনিয়র শিক্ষক নান্টু কর্মকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশেক মাওলা কাইজার।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য সাংবাদিক এস এম জহিরুল আলম চৌধুরী (টিপু), ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জুনাইদ মিয়া, উসমান গণি, সহকারি প্রধান শিক্ষক আবদুল আহাদ প্রমুখ। পরে বিভিন্ন খেলাধুলায় অংশ নেয়া প্রতিযোগি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকগণ সহ নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগরে যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখী সংঘর্ষে ১৪জন আহত হয়েছেন। আজ ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের বীরপাশা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আহতদেরকে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৪ জনের নাম জানা গেছে। এরা হচ্ছে- রামিম (১৬), জিহান (১৬), নোমান (১৬), সামিয়া (৮), তামিম (১৫), রাহুল (১৪), হোসাইন (১৫), শফিকুল (১৭), তানভীর (১৭), রাতুল (১৭), ফাহিম (১৫), আতিক (১৭), শরীফ (১৬) ও জাহেদ আলী (৬০)।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, বিকেলে দিগন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর যাওয়ার পথে বীরপাশা এলাকায় পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এ সময় মাইক্রোবাসের চালকসহ ১৪ যাত্রী আহত হয়।
তিনি বলেন, মাইক্রোবাসের যাত্রীরা সবাই শিক্ষার্থী। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে পিকনিক করার জন্য হবিগঞ্জ জেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
পরবর্তীতে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বেশ কয়েকজন আহতকে ঢাকায় পাঠানো হয়। তিনি বলেন, বাসটিকে আটক করা হলেও এর চালক পালিয়ে যায়।
চলারপথে রিপোর্ট :
শপথ গ্রহণ করেছেন ষষ্ঠ ধাপের উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচিত চট্টগ্রাম বিভাগের ১২ উপজেলার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা। গতকাল ৩ জুলাই বুধবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ১২ উপজেলার নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে শপথবাক্য পাঠ করান চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম। এ সময় সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান বিভাগীয় কমিশনার। নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরাও জনগণের সেবক হয়ে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলা, বিজয়নগর ও নবীনগর উপজেলা, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, পটিয়া ও লোহাগাড়া, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার হোমনা, চৌদ্দগ্রাম ও নাগঙ্গলকোট, চাঁদপুরের কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যানরা শপথ গ্রহণ করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন শোভন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করেবো। সদর উপজেলাকে একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক, স্মার্ট, পরিবেশবান্ধব, শিল্পোন্নত ও সারাদেশের মধ্যে মডেল উপজেলায় রূপান্তরে নিরলসভাবে কাজ করে যাবো। শহরের সঙ্গে উপজেলার সকল ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভালো করে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব সেক্টরে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তিনি জানান।