চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আজ ২৯ মে সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জেলা শহরের জেল রোডে দি ল্যাব এইড স্পেশাইজড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জহিরুল হক খোকন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিল্লুর রহমান দীর্ঘদিন যাবৎ কিডনি রোগে ভুগছিলেন। এছাড়া তিনি হেপাটাইটিস-বি’তে আক্রান্ত ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যার আগে জেলা শহরের ফুলবাড়িয়ায় নিজ বাড়িতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত্যুকালে জিল্লুর রহমান স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা শেষে জানাযার সময় জানানো হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আয়োজনে আগামীকাল রবিবার বাদ যোহর পৌর মুক্তমঞ্চে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার বিচার; দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার, অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও তাদেরকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা; সংখ্যানুপাতিক (PR) পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রবর্তন এবং ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামী সমাজ ভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে অনুষ্ঠেয় গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই।
উক্ত গণসমাবেশ উপলক্ষে এবং এর সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজক সংগঠনের উদ্যোগে আজ শনিবার সকাল ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
এতে জেলা ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ আনোয়ার আহমদ, সেক্রেটারি মাওলানা গাজী নিয়াজুল করিম ও জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা মাহমূদুল হাসান হিফয্সহ আন্দোলনের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের তালিকাভুক্ত সকল গণমাধ্যম কর্মীদের সবান্ধব উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন ‘গণসমাবেশ বাস্তবায়ন মিডিয়া উপকমিটি’র আহবায়ক ও জেলা ইসলামী আন্দোলনের সহ-সাংগঠনিক হাফেজ মাওলানা শাহ মোহাম্মদুল্লাহ।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন অনিয়মের জন্য এক হাসপাতালকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ ৩০ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে জেলা শহরের মৌলভীপাড়ায় নিউ শমরিতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফ নেওয়াজের নেতৃত্বে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এই অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান সম্পর্কে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসের মেডিকেল অফিসার (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) মো. আশরাফুর রহমান হিমেল জানান, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে দুপুরে জেলা শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে শহরের মৌলভীপাড়ায় নিউ শমরিতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহৃত ওষুধ সামগ্রী ও যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়।পাশাপাশি প্যাথলজি পরীক্ষায় অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়।
পরে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফ নেওয়াজ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি তাদের সর্তক করা হয়।
তিনি আরো জানান, জেলা শহরের মৌলভীপাড়ায় হিউম্যান জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অভিযান চলাকালে বন্ধ পাওয়া যায়।প্রতিষ্ঠানটি ভ্রাম্যমাণ আদালত আসার খবর পেয়ে তালা লাগিয়ে পলিয়ে যায়। তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ সময় সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শামীমা সুলতানা, স্বাস্থ্য অফিসের সহকারী সার্জন ডা. সম্বিতা চক্রবর্তী ও সদর মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলন।
চলারপথে রিপোর্ট :
‘ঐক্যবদ্ধ কাজ করি, কুষ্ঠ মুক্ত দেশ গড়ি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ^ কুষ্ঠ দিবস আজ ২৬ জানুয়ারি রবিবার পালিত হয়েছে।
সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সিভিল সার্জন ডাঃ নোমান মিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ হিমেল খান, কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, এমওসিএস ডাঃ মাহামুদ হাসান, এমওসিএস ডাঃ এ.এফ. এম আশরাফুর রহমান, ডিএইচএমও ডাঃ মফিজুর রহমান ফিরোজ, প্রেগ্রাম অর্গানাইজার মাহমুদা আক্তার, লেপ্রসী মিশনের পক্ষে টিএসও জুয়েল খেয়াং, আরিফুর রহমান সমরেশ চন্দ্র রায় প্রমুখ। পরে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত ১০ কুষ্ঠ রোগীর মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়। এর আগে দিবসটি উপলক্ষে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কুষ্ঠ রোগের স্টল দেওয়া হয়।
এটি উদ্বোধন করেন জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিকিৎসক ও জেলা ড্যাব কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আক্তার হোসেন।
এসময় জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মরত বিভিন্ন চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার মিয়াকে (৫৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা শহরের কান্দিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
কাউসার মিয়া ওই এলাকার ভুলু মিয়ার ছেলে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, জেলা কৃষক দল নেতা কাউসারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি এসব মামলায় পলাতক ছিলেন। তিনি অবরোধকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। দুপুরে কান্দিপাড়া এলাকায় নাশকতার চেষ্টা চালানোর সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হরতালের নামে বিশৃঙ্খলা এড়াতে আজ রবিবার মাঠে নামবে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন। শান্তি সমাবেশের পাশাপাশি জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে দলটির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা অবস্থান করবে। অপরদিকে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও হরতালের কর্মসূচি পালনে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এদিকে গতকাল শনিবার বিকেল তিনটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জেলা শহরের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আব্দুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে তাৎক্ষণিক সংক্ষিপ্ত সভা করে জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন।
সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক মেয়র হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন, জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন প্রমুখ।
সভায় রবিবার সকালে জেলার শহরের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আব্দুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে শান্তি সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জেলা আওয়ামী লীগ। সভায় রবিবার সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্চাসেবকলীগসহ অন্যান্য অঙ্গ সহযোগী সংগঠনসহ নেতাকর্মীদের অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
জেলা আওয়ামী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে জেলা ছাত্রলীগ, শহরের লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) এলাকায় যুবলীগ, পৌর আধুনিক সুপার মার্কেটের সামনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শহরের সমবায় মার্কেটের সামনে শ্রমিক লীগ, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকার সামনে তাঁতী লীগ ও মৎস্যজীবী লীগ, শহরতলীর পীরবাড়ি এলাকায় শহর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেবেন। এসব এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করবেন। পরে তারা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে যোগ দেবেন।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সামনে অবস্থা নেবে। আমরা হরতাল বিরোধী মিছিল করব। যেখানে হরতাল হবে সেখানে প্রতিহত করব।
জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু বলেন, নৈরাজ্য ও নাশকতার বিরুদ্ধে রোববার জেলা শহরের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে শান্তি সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। সকাল আটটা থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হবে। তিনি বলেন, হরতালের নামে কেউ শান্তি নষ্ট করুক সেটা আমরা চাই না। নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা করলে তা প্রতিহত করা হবে।
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহবায়ক কমিটির সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি বলেন, শান্তিপূর্ণ হরতাল পালনে আমরা প্রস্তুত আছি। গণতন্ত্র উদ্ধারে বাঁধা অতিক্রম করতে হবে।