চলারপথে রিপোর্ট :
সরাইলে কালিকচ্ছ নোয়াগাঁও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন শাখার অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আজ ৭ জুন বুধবার বাদ আসর কালিকচ্ছ বাজারের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে কালিকচ্ছ নোয়াগাঁও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ আমিন শাহ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন- মোঃ বাক্কার মিয়া,মনিরুজ্জামান মানিক মিয়া, মোঃ বশির মিয়া,মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ রতন মিয়া,মোঃ লিটন মিয়া,মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ আলকাছ মিয়া,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ খবির উদ্দীন, ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন শাখার সভাপতি এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ আমিন শাহ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কালিকচ্ছ নোয়াগাঁও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক কর্তিক সরকার।
অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন কালিকচ্ছ বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মোঃ ইউসুফ আকরাম।
চলারপথে রিপোর্ট :
গ্রামীণ ঐতিহ্যকে সামনে রেখে সরাইলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর ও প্রাণবন্ত লাঠি খেলা। ঢাক-ঢোল আর কাঁসার ঝঙ্কারে মুখর ছিল পুরো এলাকা। হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে আয়োজনটি।
১১ জুলাই শুক্রবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল সদর ইউনিয়নের সৈয়দটুলা পশ্চিমপাড়া এলাকায় আয়োজিত হয় এই ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা। এতে অংশ নেয় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের লাঠিয়াল বাহিনী। তারা বাদ্যের তালে তালে নেচে-নেচে লাঠির কসরত প্রদর্শন করে। কখনও প্রতিপক্ষের আঘাত ঠেকিয়ে, কখনও পাল্টা আক্রমণে মেতে ওঠে প্রতিযোগীরা।
খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবমুখর এক আনন্দমেলায়। নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষ ভিড় করে খেলা দেখতে। দর্শকরা করতালির মাধ্যমে লাঠিয়ালদের উৎসাহিত করেন। হারিয়ে যাওয়া এই লোকজ খেলাটি দেখে অনেকেই ফিরে যান শৈশব স্মৃতিতে।
দর্শনার্থীরা জানান, এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে নিয়মিত আয়োজন ও সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।
খেলার উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ করেন- প্রধান অতিথি বিএনপির জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু। তিনি বলেন, লাঠি খেলা শুধু একটি বিনোদন নয়, এটি আমাদের শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় শালিসকারক নুরুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল মাহমুদ আলী, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মিজান মিয়া, সরাইল সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজল মেম্বার, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন মাস্টার, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক রিপন ঠাকুর, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মীর ওয়ালীদ সাক্ষাত, শালিসকারক মিজান মিয়া ও সিদ্দিক আলী প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী লাঠিয়ালদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
চলারপথে রিপোর্ট :
গত ৫ নভেম্বর রবিবার অনুষ্ঠিত হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপ-নির্বাচনের ফলাফল গেজেট স্থগিত করে নির্বাচনের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের গঠন করা দুটি তদন্ত কমিটির উপর অনাস্থা দিয়েছেন নির্বাচনে কলার ছড়ি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এই আসনের দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড: জিয়াউল হক মৃধা।
গতকাল বুধবার তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়ে তদন্ত কমিটির উপর অনাস্থা জ্ঞাপন করেন। অ্যাড: জিয়াউল হক মৃধা নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের বিচার বিভাগীয় কিংবা নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের বাদ দিয়ে তদন্ত করার দাবি জানান।
এদিকে কয়েকটি ভোট কেন্দ্রের বিষয়ে অনিয়ম নিয়ে উঠা অভিযোগের তদন্ত দ্বিতীয় দিনের মতো আজ ৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবারও অব্যাহত ছিলো।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। গত দুইদিনে তদন্ত কমিটি কমপক্ষে সংশ্লিষ্ট দুইশত জনের সাথে কথা বলেছেন।
জেলা প্রশাসনের তদন্তকারি কর্মকর্তা হলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ রুহুল আমিন আর জেলা পুলিশের কর্মকর্তা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মোঃ জয়নাল আবেদীন। গতকাল বুধবার তদন্ত কমিটি আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদে সংশ্লিষ্টদেরকে ডেকে কথা বলেন।
আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটি অভিযোগ উঠা কয়েকটি কেন্দ্রে গিয়ে ভোটারসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন। তদন্ত কমিটির লোকজন ওইসব জায়গায় যাওয়ার আগেই ওইসব কেন্দ্রের সামনে আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত হন। এ সময় কাউকেই অনিয়মের কথা বলতে শুনা যায়নি।
এদিকে, আশুগঞ্জের একটি ভোট কেন্দ্রের অনিয়ম নিয়ে দুই মিনিট ২৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায় একাধিক সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার (নারী) ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর করে তুলে দিচ্ছেন তাদের সামনে জটলা বেঁধে থাকা যুবকদের হাতে। যুবকরাও ওই কর্মকর্তার সামনেই সিল মারছেন।
এদিকে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন তদন্ত কার্যক্রম বিষয়ে বুধবার বিকেলে একজন সাংবাদিকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, পত্রিকায় প্রকাশিত ভেতরের ক্লোজ ছবিতে কারা রয়েছেন তা স্পষ্ট না হওয়ায় এবং অন্য তিনটি কেন্দ্রের অনিয়মের কোনো ছবি না থাকায় পত্রিকার বক্তব্য পড়ে নির্বাচনের অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ চিত্র সম্পর্কে ধারণা করা যাচ্ছেনা। চিঠিতে তিনি আশুগঞ্জ উপজেলার যাত্রাপুর হাফেজিয়া নূরানীয়া মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রের সম্পূর্ণ চিত্র ও অন্য তিনটি কেন্দ্রের কোনো ডকুমেন্টরি ভিডিওচিত্র অথবা স্থিরচিত্র থাকলে তা সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানান। চিঠির প্রেক্ষিতে ওই গণমাধ্যমকর্মী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে একাধিক ভিডিও ও স্থিরচিত্র সরবরাহ করেন।
গত ৫ নভেম্বর উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান আলম ৬৬ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয় পার্টির সাবেক এম.পি জিয়াউল হক মৃধা কলারছড়ি প্রতীকে পান ৩৭ হাজার ৫৫৭ ভোট। তবে আশুগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এরই প্রেক্ষিতে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট স্থগিত করে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
তবে, কমিশনের তদন্তে নিজের আস্থা নেই বলে জানিয়েছেন জিয়াউল হক মৃধা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর দেওয়া অভিযোগ ও সাংবাদিকদের কাছে তিনি উল্লেখ করেন, বেশ কিছু কেন্দ্রে ভোট ছাপা হয়েছে। আশুগঞ্জের শরীফপুর কেন্দ্রের ভোট ছাপার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাৎক্ষণিক ভাবে নানা অনিয়ম বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে অভিযোগ করলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। তাই যারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছে তাদেরকে দিয়ে তদন্ত করলে কোনো লাভ হবেনা। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করা হলে প্রয়োজনে তিনি উচ্চ আদালতের শরনাপন্ন হবেন বলে সংবাদিকদেরকে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে তদন্তকারি কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ রুহুল আমিন মুখ খুলতে রাজি নন। তবে তিনি জানান, তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ি তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিবেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
সরাইলে ১৪ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে সাদিয়া আক্তার (১৭) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রী। নিখোঁজ সাদিয়া উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের নন্দীপাড়া গ্রামের মো. ফারুক মিয়ার মেয়ে। গত ১৬ মার্চ ভোরে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় মেয়ের সন্ধান চেয়ে সরাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন তার বাবা ফারুক মিয়া।
সাধারণ ডায়েরির তথ্য থেকে জানা যায়, কালিকচ্ছ কলেজ পাড়া মহিলা মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার রুবি। সম্প্রতি অজ্ঞাত এক ছেলে সাদিয়ার মোবাইলে ফোন করে কথা বলত। পরিবার বিষয়টি উদঘাটনের চেষ্টা করলেও মেয়ের কাছ থেকে ওই ছেলের নাম ও মোবাইল নাম্বার সম্পর্কে কোনো তথ্য পায়নি। গত ১৬ মার্চ ভোরে পরিবারের লোকজন ঘুম থেকে উঠে দেখেন সাদিয়া ঘরে নেই। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত তার সাথে পরিবারের কোনো যোগযোগ নেই।
সাদিয়ার বাবা মো. ফারুক মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে কোথায় আছে, কেমন আছে তা নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি। ঘটনার পর ওইদিনই থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি। ১৪ দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত আমার মেয়ের কোনো খোঁজ মিলছে না। আমরা দ্রুত আমার মেয়ের সন্ধান চাই।’
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, ‘মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য আমাদের সব ধরনের প্রচেষ্ট অব্যাহত আছে। তার সন্ধান পেতে আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছি।’
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শ্রীমৎ মহারাজ আনন্দ স্বামীর প্রবর্তিত সর্বধর্ম সমন্বয় মতবাদ অনুসারীদের সম্মেলন ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে উপজেলার কালিকচ্ছ দয়াময় আনন্দ আশ্রম মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এর সাবেক সংসদ সদস্য ও সর্বধর্ম অনুসারীদের সম্মেলন উদযাপন কমিটির আহবায়ক অ্যাড. জিয়াউল হক মৃধার সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মনির হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ এর সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি যু্দ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।
প্রধান বক্তা ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. শাহিনুর ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জাবেদা খাতুন পারুল, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যসভার সাবেক বিধায়ক শ্রী কৃষ্ণ ধন দাস, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু,
বক্তব্য রাখেন, সর্বধর্ম প্রবর্তিত মিশনের সভাপতি প্রভাত কান্তি পাল, সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. নাজমুল হোসেন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের আপ্যায়ন ও প্রতিবন্ধী বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার পারভেজ টিংকু, সরাইল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু হানিফ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম, সাবেক শিক্ষক প্রমোথ নাথ চক্রবর্তী, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আব্দুর রাশেদ, সরাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খান, মনমোহন দত্তের নাতনি প্রমুতি শংকরিন দত্ত, অ্যাড. মামুন কবির, সাতমোড়া আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক জয়দেব বর্মণ, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক পরিমল দেব, চন্দ্রনা আচার্য্য, অঞ্জনা রানী সাহা, কানু দেব প্রমুখ।