অনলাইন ডেস্ক :
ভয়াবহ গতিতে এগিয়ে আসছে আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। এ নিয়ে নিয়মিত আপডেট দিচ্ছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর। আজ ১০ জুন শনিবার ভারতের সরকারি সংস্থাটি জানিয়েছে, আরও শক্তিশালী হবে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়। বাড়বে ঝোড়ো হাওয়ার বেগ।ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার ছুঁয়ে ফেলতে পারে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের
সংস্থাটি জানিয়েছে, শেষ ছয় ঘণ্টায় ১১ কিলোমিটার বেগে উত্তরদিকে অগ্রসর হয়েছে অতি প্রবল ঘূ্র্ণিঝড় বিপর্যয়। শনিবার রাত আড়াইটার দিকে সেটি পূর্ব-মধ্য আরব সাগরের উপরে অবস্থান করছে। এটি গোয়া থেকে ৬৯০ কিমি পশ্চিম, মুম্বাই থেকে ৬৪০ কিমি পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম এবং পোরবন্দরের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে ৬৪০ কিলোমিটার দূরে।
আগাম বার্তায় ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টায় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আরও শক্তিশালী হবে এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। পরবর্তী তিন দিনে আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে বিপর্যয়।’
আগাম বার্তায় বলা হয়েছে, শনিবার সকাল থেকে পূর্ব-মধ্য আরব সাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য আরব সাগরে ঘণ্টায় ১৩০-১৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। দমকা হাওয়ার বেগ কখনও কখনও ঘণ্টায় ১৫৫ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। সন্ধ্যায় ঝড়ের দাপট আরও বাড়বে। সেইসময় ঝড়ের বেগ কখনও কখনও ঘণ্টায় ১৬৫ কিলোমিটার ছুঁয়ে ফেলবে। অধিকাংশ সময় ঘণ্টায় ১৪০-১৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইবে। উত্তর-পূর্ব আরব সাগরের সংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ৭০-৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় চলবে। দমকা হাওয়ার বেগ ৮০ কিলোমিটার হতে পারে।
হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, তবে সন্ধ্যা থেকে কিছুটা বেগ কমবে। সেই সময় ঘণ্টায় ১৩৫-১৪৫ কিমিতে হাওয়া বইবে (সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ১৬০ কিমি)। রবিবার থেকে ক্রমশ কমতে থাকবে ঝোড়ো হাওয়ার বেগ।
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের জেরে উত্তাল থাকবে সমুদ্র। সেজন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত পূর্ব-মধ্য আরব সাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য আরব সাগরে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক :
ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। হামলায় অন্তত আট জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ। এর জবাবে ভারতেও পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান। এ ঘটনায় পরমাণু শক্তিধর এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
ভারত সরকার জানায়, তারা নয়টি স্থানে ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে সুনির্দিষ্ট হামলা’ চালিয়েছে। এ হামলাগুলো পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারত। কয়েকদিন আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার জন্য ইসলামাবাদকে দায়ী করেছিল নয়াদিল্লি।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে ২৬ জন পাকিস্তানি নিহত এবং ৩৫ জন আহত হয়েছেন। এদিকে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানের গোলাবর্ষণে তিনজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
এর আগে, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেন, মধ্যরাতের পর কোটলি, ভাওয়ালপুর, মুরিদকে, বাঘ এবং মুজাফফরাবাদে ভারতের ‘কাপুরুষোচিত’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনজন পাকিস্তানি শহীদ এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। এর জবাবে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে
তিনি এ হামলাকে ‘জঘন্য উস্কানি’ বলে অভিহিত করে বলেন, ‘আমরা সুবিধামত সময়ে প্রতিশোধ নেব।’
ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, নয়াদিল্লির এই হামলার পরপরই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ভারতের হামলাগুলো ছিল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বলেছেন, ইসলামাবাদ ভারতীয় হামলার জবাব দিচ্ছে, তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী জানান, পাকিস্তানে পাঞ্জাবে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। হাসপাতালসহ ও জরুরি পরিষেবাব্যবস্থা উচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের একজন সামরিক মুখপাত্র জিও ব্রডকাস্টারকে বলেন, ভারতের হামলায় দুটি মসজিদও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ গণমাধ্যমটিকে বলেন, ভারত সব বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে, সেখানে কোনো জঙ্গি শিবির ছিল না। তিনি বলেন, ভারত তাদের নিজেদের আকাশসীমা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং ‘সন্ত্রাসীদের শিবির’ লক্ষ্যবস্তু করার ভারতীয় দাবি মিথ্যা।
পরে তিনি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, পাকিস্তান পাঁচটি ভারতীয় জেট বিমান ভূপাতিত করেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পরে বলা হয় যে তারা তিনটি রাফাল, একটি এসইউ-৩০ এবং একটি মিগ-২৯ বিমান ভূপাতিত করেছে। তারা জানায়, পাকিস্তানে হামলা চালানোর পরেই কেবল বিমানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের পর পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবে এএফপির সাংবাদিকরা বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন।
ভারত সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘কিছুক্ষণ আগে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী “অপারেশন সিঁদুর” শুরু করে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের সন্ত্রাসী অবস্থানগুলোতে আঘাত হেনেছে।’
ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি সূত্র রয়টার্সকে জানায়, ‘ভারতীয় বাহিনী জইশ-ই-মোহাম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈয়বার সদর দফতরে হামলা চালিয়েছে।’
ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে বলেছে, ‘ন্যায়বিচার করা হয়েছে।’ নয়াদিল্লির তরফে আরও বলা হয়, তারা পাকিস্তানের কোনো সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।
চলারপথে রিপোর্ট :
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে ট্রাকভর্তি ৩ হাজার কেজি ইলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ইলিশ যাচ্ছে ভারতে। আজ ২৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আখাউড়া স্থলবন্দরে ট্রাকভর্তি ইলিশ দেখা যায়। দু’দেশের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষে মাছগুলো পাঠানো হবে। বাংলাদেশি ইলিশ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান বিডিএস করপোরেশন এবং ভারতীয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হিমপেক্স ইন্টারন্যাশনাল এ বাণিজ্য করছে। এছাড়া আখাউড়া স্থলবন্দর থেকে ইলিশ ছাড়করণে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের দায়িত্বে রয়েছে আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারাদেশের ৪৯টি মাছ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৫০ টন করে ইলিশ রফতানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আগামী ১৩ অক্টোবরের আগেই ইলিশ রফতানি শেষ করতে হবে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। ভারতের বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের মূল্য ধরা হয়েছে ১০ মার্কিন ডলার; যা বাংলাদেশি টাকায় এক হাজার ১৮০ টাকা।
জানা যায়, কলকাতার ভারতীয় মাছ আমদানিকারকদের সংগঠন ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এফআইএ) থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রফতানির অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়। পরে বিশেষ বিবেচনায় সরকার ভারতে ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয়। এতে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার রফতানির প্রথম চালানটি যাচ্ছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্র্যাফিক) মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, বন্দরে ইলিশ ভর্তি একটি ট্রাক ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। ইলিশ রফতানিতে বন্দর মাশুল পাবে। কাগজপত্রের কাজ শেষে যেন দ্রুত ভারতে প্রবেশ করতে পারে; সেজন্য সহযোগিতা করা হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে মুক্তি না দিলে সীমান্তে সনাতনীরা ধ্বজ নিয়ে অবরোধ করবে বলে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী হুমকি দিয়েছেন। এমনকি কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে বিক্ষোভ করা হবে বলেও তিনি জানান। ২৫ নভেম্বর রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল।
সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ও চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরে ইসকনের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাতে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করছে। এমনকী বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষার নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুকে ইউনূস সরকার গ্রেফতার করেছে।
শুভেন্দু বলেন, সোমবার রাতের মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মুক্তি না দিলে মঙ্গলবার থেকে সীমান্তে সনাতনীরা অবরোধ করবে। ভারত থেকে পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে কোনও পরিষেবা বাংলাদেশে ঢুকতে দেব না।
শুভেন্দুর কথায়, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যেভাবে ‘দমন-পীড়ন’ শুরু হয়েছে, তাতে আমরা চিন্তিত, ব্যথিত। এই জিনিস আর বরদাস্ত করা হবে না।
স্টাফ রিপোর্টার:
কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও থার্টি ফার্স্ট নাইটে রাজধানীর আকাশ ছেয়ে যায় নানা রঙের ফানুসে। আর এসব ফানুসের কারণে রাজধানীতে চারটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স। ফায়ার সার্ভিস জানায়, এসব আগুনে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ চারটি আগুনের মধ্যে শুধু এক জায়গায়ই ফায়ার সার্ভিসকে কাজ করতে হয়েছে। বাকি তিন জায়গায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যাওয়ার আগেই আগুন নিভে যায়। সোমবার (১ জানুয়ারি) সকালে এসব তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার।
তিনি বলেন, রাত ১২টার পর আমরা রাজধানীর চার জায়গায় ফানুসের কারণে আগুন লেগেছে বলে জানতে পেরেছি। সেই স্থানগুলো হলো- সদরঘাট হকার্স মার্কেটের টিনের ছাদ, লালবাগ মৌলভীবাজার মসজিদের সামনে বিদ্যুতের তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের ছাদ ও মানিকদি বাজারের একটি বাসার ছাদ। এর মধ্যে মানিকদি বাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের দুটি ইউনিট ১০-১৫ মিনিট কাজ করেছিল। বাকি তিন জায়গার আমাদের গাড়ি পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভে যায়। রোজিনা আক্তার বলেন, এই চার জায়গায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটলেও তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে আগুনের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল।
এর আগে ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, থার্টি ফার্স্ট নাইটে যাতে ফানুস ওড়ানো না হয় এবং আতশবাজি না ফোটানো হয়ে সে বিষয়ে প্রতিটি থানায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, থার্টি ফার্স্টে উন্মুক্ত স্থানে কোনো আয়োজন করা যাবে না। কোথাও কোনো ডিজে পার্টি হবে না। কোথাও আতশবাজি-পটকা ফুটানো যাবে না, ফানুস ওড়ানো যাবে না। আপনারা জানেন, ঢাকা অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। তাই স্ট্রিক্টলি অনুরোধ করছি যাতে কেউ ফানুস না ওড়ায়। ফানুস ওড়ালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।