চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মো. মকবুল নামে এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
১৫ জুন বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি লাউরফতেহপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য।
গতকাল শুক্রবার তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মকবুল ওই ওয়ার্ডের টানচারা গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়, ১১ জুন মকবুলসহ আরো দুজন মিলে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই নারী তিনজনকে আসামি করে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহেল বলেন, এ ঘটনায় জড়িত অন্য ২ আসামিকেও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
দাঙ্গা-হাঙ্গামার নিরসন ও শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিক কাজ করছেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি গভীর রাতে নিজ হাতে ত্রাণের খাদ্যসামগ্রী নিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামের অসহায় মায়ের দ্বারে দ্বারে যান তিনি।
নবীনগরের দাঙ্গা-হাঙ্গামা নিরসনে কাজ করেন ইউএনও মো. একরামুল সিদ্দিক। যোগদানের পর থেকে তিনি এসব সমস্যার সমাধানে নানামুখী তৎপরতা চালান। কিভাবে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনা যায় সে লক্ষ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেন সরকারি এই কর্মকর্তা। এ বিষয়ে কথা বলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুলের সঙ্গে, নেন তার পরামর্শ। স্থানীয় রাজনীতিবিদ, গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সহযোগিতায় গত দুই বছরে অন্তত ১৫টি দাঙ্গা-হাঙ্গামার ঘটনা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করেছেন ইউএনও।
ইউএনও একরামুল সিদ্দিক শুধু যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ঠেকানোতেই মনোযোগ দিয়েছেন তা নয়। উপজেলার শিক্ষার মান বাড়াতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজে গিয়ে নিজে ক্লাস নেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন। তাদের পড়াশোনার মান সম্পর্কে ধারণা নেন এবং তিনি তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান করেন। সামাজিক রীতিনীতি, নৈতিকতাবোধ নিয়েও ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা দেন।
নবীনগর উপজেলা বীরগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, ইউএনও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান; তাই তার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রয়েছে। করোনা মহামারি মতো ভয়াল রাতেও নিজের জীবন বাজী রেখে অসহায় গরিব-দুঃখী মানুষের চিন্তায় প্রত্যন্ত গ্রামে ছুটে গেছেন। তিনি দরিদ্র মানুষের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।
নাটঘর ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন জানান, তিনি যোগদানের পর থেকে সমস্ত সেক্টরে স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে।
ইউএনও একরামুল সিদ্দিক বলেন, আমি সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এই উপজেলায় দায়িত্ব পালন করতে এসেছিমাত্র। সবার সহযোগিতা পেলে নবীনগর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কল্যাণে যা যা করার প্রয়োজন সেটি করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
দুলাল মিয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার একটি বিউটি পার্লার থেকে ১০ লাখ টাকার জালনোট, একটি বিদেশি পিস্তল এবং তিন রাউন্ড গুলিসহ তিন নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেলে নবীনগর উপজেলা সদরের আদালতপাড়া এলাকার ‘বউ সাজ বিউটি পার্লার’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, নবীনগরের আলমনগর এলাকার সাথী, করিমশাহ এলাকার তাসলিমা আক্তার এবং খাদিজা আক্তার।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা এক যুবতী রিক্সা থেকে নেমে একটি ব্যাগ হাতে নিয়ে আদালতপাড়ার ‘বউ সাজ বিউটি পার্লার’-এ প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর তিনি ব্যাগটি পার্লারে রেখে বের হয়ে যান।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম জানান, গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে ‘বউ সাজ বিউটি পার্লার’-এ অভিযান চালিয়ে ১০ লাখ ১৮ হাজার টাকার জালনোট, একটি বিদেশি পিস্তল এবং তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
সফিকুল ইসলাম বাদল, নবীনগর :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুর্যসেন হলের জিএস ও নবীনগর মহিলা কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সায়েদুল হক সাঈদ উদ্যোগ নিয়ে নবীনগর বাসীর সেবায় নিয়োজিত থাকছেন। নিজস্ব অর্থায়নে এই মানুষটি নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণের পাশাপাশি এবার তিনি প্রায় তিন শতাধিক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কম্বল বিতরণ করছেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মদিন উপলক্ষে নবীনগর উপজেলার পূর্ব এলাকার শিবপুর বাজার সংলগ্ন নুরনগর সাংবাদিক ফোরাম কার্যালয়ের সামনে এসব কম্বল তুলে দেয়া হয় সুবিধা বঞ্চিত সাধারণ মানুষের হাতে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এইসব কম্বল বিএনপি নেতা সাঈদ এর অর্থায়নে বিতরণ করেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। কম্বল বিতরণ সম্পর্কে মুঠোফোনে সায়েদুল হক সাঈদ বলেন, আমি শহিদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিগত দিনে রাজনীতি করেছে, ভবিষ্যতেও করবো। নবীনগরের মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে মনে আনন্দ পাই,তাই চেষ্টা করি তাদের পাশে থাকার। ভবিষ্যতে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে মানুষের জন্য যেন কাজ করতে পারি সেজন্য আমি আমার প্রাণের স্পন্দন নবীনগর বাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যাকুট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ মোল্লা, বড়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির, উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক মনির হোসেন সরকার, নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি আমিনুল মহাজন, বিদ্যাকুট ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আমান উল্লা বাচ্ছু, বিটঘর ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফোরকান ভূঁইয়া, শেখ ফরিদ আহমেদ, কাজী আল রাজিব, মো. বসির মিয়া, রিয়াদ ইসলাম ফুরকান, আব্দুল আলিম প্রমুখ।
চলারপথে রিপোর্ট :
পশ্চিমাঞ্চলের ‘মোস্ট ওয়ানটেড’ ১৯ মামলার আসামি, মন্নাফ মিয়া ওরফে মনেক ডাকাতকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে র্যাব। ১৫ মার্চ শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি মাজার এলাকা থেকে র্যাব-৯ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জিয়া লতিফুল ইসলামের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে নবীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) ওবায়দুর রহমান ।
এদিকে, উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলে বসবাসরত লাখো মানুষের কাছে ‘মূর্তিমান আতঙ্ক’ খ্যাত মনেক ডাকাত আবারও গ্রেফতার হয়েছেন, এমন খবরে যেমন স্বস্তি বিরাজ করছে। তেমনি সে (মনেক) অতীতের মতো যেকোনো সময় আবারও জামিনে বের হয়ে এসে এলাকায় পুনরায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে পারে, এরকম আতঙ্কেও ভুগছেন উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলবাসী।
নবীনগর থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক বলেন, সম্প্রতি একটি বিয়ে বাড়িতে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলায় বাবা-ছেলেসহ ৪ জন গুলিবিদ্ধের ঘটনার মামলায় ‘মূল নায়ক’ হিসেবে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আজ ১৬ মার্চ রবিবার চালান দেওয়া হবে। আশা করছি, এবার সহসা জেল থেকে সে ছাড়া পাবে না।
তিনি আরো জানান, চুরি, ডাকাতি, মাদক, হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৯ মামলার ‘মোস্ট ওয়ানটেড’ আসামি এই মনেক ডাকাত। পুলিশ বারবার অভিযান চালিয়েও তাকে এতোদিন খুঁজে পায়নি। অবশেষে র্যাব পুলিশের যৌথ অভিযানে শনিবার তাকে গ্রেফতার করা হলো।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৪ নারী মাদক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নবীনগর থানা পুলিশ।
১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে উপজেলার শিবপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আক্কাস আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ শিবপুর সিএনজি স্টেশনে রাস্তার উপর চেক পোষ্টে ডিউটি করার সময় বিশেষ অভিযানে তাদের গাঁজাসহ আটক করে।
আটককৃত আসামিরা হচ্ছে, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার উত্তর কান্দা গ্রামের মো.রুবেল মিয়ার স্ত্রী মোসাঃ বৃষ্টি আক্তার প্রঃ সনিয়া (১৯) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার চর চন্নিপুর গ্রামের সোহেল ওরফে সোহাগের স্ত্রী, সিমা আক্তার (২০), আখাউড়া উপজেলার রাজাপুর (আশ্রয়ন প্রকল্প) গ্রামের মো.শাকিল ওরফে রুবেলের মেয়ে মোসাঃ তামান্না আক্তার (১৪) এবং মো.আবুল কাশেমের মেয়ে মোসাঃ সাদিয়া আক্তার (১৭)।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুব আলম জানান, তাদের হেফাজত হতে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার পূর্বক নবীনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আজ ১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।