চলারপথে রিপোর্ট :
নবীনগরে সিএনজি চালিত অটোরিক্সার ধাক্কায় ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। নিহত ওই বৃদ্ধার নাম শাহেরা খাতুন। তিনি উপজেলার নাটঘর ইউনিয়নের কুড়িঘর গ্রামের মৃত খালেক মিয়ার স্ত্রী।
আজ ৪ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার কুড়িঘর বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবার জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শাহেরা খাতুন কুড়িঘর বাজারের পশ্চিম পাশের রাস্তা পার হওয়ার সময় সিএনজি চালিত অটোরিক্সার ধাক্কায় আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, সিএনজির ধাক্কায় এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। লাশ উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
নবীনগরে সিএনজি অটোরিকসার ধাক্কায় জবা রাণী বিশ্বাস (০৭) নামে এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে।
আজ ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে নবীনগর টু রাধিকা সড়কের শিবপুর কলেজ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জবা রাণী বিশ্বাস শিবপুর গ্রামের সূূর্য বিশ্বাস এর মেয়ে। সে শিবপুর সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ বিদ্যানিকেতনের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে জবা বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হন। পথিমধ্যে দোকান থেকে খাবার কিনতে যাবার সময় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকসা তাকে ধাক্কা দিলে সে গুরুতর আহত হয়।
এসময় স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করেন। পথিমধ্যে তার মৃত্যু বরণ করে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, নিহতের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে রয়েছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
চলারপথে রিপোর্ট :
নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের হুরুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে জজ মিয়া (৫৫) ও কাঠালিয়া গ্রামের শুক্কু চন্দ্র পালের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র পাল(৪৫) কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার এস আই কালাম ও বিল্লাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ২৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে জিনতপুর বাজারে ব্যবসায়ী কৃষ্ণচন্দ্র সাহার দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ এই দুজনকে গ্রেফতার করে।
জানা যায়, প্রতিদিন জজ মিয়া কৃষ্ণ চন্দ্র সাহার প্লাস্টিক মালামালের দোকানে বসতেন এবং ব্যবসার আড়ালে মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন, প্রতিদিন কৃষ্ণচন্দ্রের পালের সহযোগিতায় দোকানে বসে গাঁজা বিক্রি করতেন।
নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ূন কবির জানান, আাসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
চলারপথে রিপোর্ট :
অতিরিক্ত দামে মুড়ি, লেবু ও শসা বিক্রি করায় ৭ ব্যবসায়ীকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আজ ২ মার্চ রবিবার সকালে নবীনগর পৌর শহরের বড় বাজারে অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা করেন নবীনগর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আবু মুসা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নবীনগর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আবু মুসা জানান, পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে পৌর শহরের বড় বাজারে বিভিন্ন মুড়ির দোকান ও কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
রমজানকে সামনে রেখে কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে মুড়ি, লেবু ও শসা বিক্রয় করছে। পরে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি করার দায়ে ৭ ব্যবসায়ীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় ৭ মামলায় ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসময় নবীনগর থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলো।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে হিতৈষী সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন প্রদত্ত জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, বার্ষিক মিলাদ ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আরিফুল ইসলাম ভূইয়া টিপুর সভাপতিত্বে ও অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক মো. গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালণায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনের সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জমান মনির, উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মাও. মেহেদী হাসান, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহবুবু আলম, নবীনগর সরকারি কলেজের অধ্যাক্ষ রেজাউল করিম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন চৌধুরী সাহান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান শাহিন সরকার, শিবপুর ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান এম আর মুজিব, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি আব্দুর রহমান, সাবেক সহ প্রচার সম্পাদক প্রণয় কুমার ভদ্র পিন্টু।
এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অলিউর রহমান ভূঁইয়া, কলেজের অভিভাবক সদস্য আশরাফ হোসেন আকছির।
এ সময় বিদ্যোৎসাহী সদস্য সুবোধ চন্দ্র চৌধুরী, বিদ্যোৎসাহী সদস্য সোহরাওয়ার্দীন চৌধুরী, হিতৈষী সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক দেলোয়ার হোসেন, দাতা সদস্য মহসিন সরকারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামে ১৯৭১ সালে ১০ অক্টোবর পাক হানাদার বাহিনী মহান মুক্তিযোদ্ধে ৪৩ জনকে একসাথে নির্মমভাবে হত্যার ৫৪তম দিবস উপলক্ষ্যে এক স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আজ ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলার ১নং বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামের আত্নদানকারী শহীদদের স্মরণে গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তায়ন কমিটি আয়োজনে পাগলা নদীর তীরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের ৭১ স্মৃতিসৌধ এবং খারঘর গণকবর জামে মসজিদ ও মাদরাসার সামনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।
খারঘর গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে খারঘর গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তায়ন কমিটি সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ ইমরুল কায়েস সুমনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম।
গণকবর সংরক্ষণ ও বাস্তায়ন কমিটি সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ জীবনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ অতিথি বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর ডা. আসাদুজ্জামান রিফাত, নবীনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু মুছা, নবীনগর থানা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) সজল কান্তি দাস,নবীনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি এডভোকেট রেজাউল করিম সবুজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোখলেছুর রহমান, খারঘর যুদ্ধে যুদ্ধাহত রিনা বেগম,সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, রজব আলী মোল্লা, বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবুল বাশার, বড়াইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দীন মীর, বড়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার শিকার বাংলাদেশে যতগুলো গণকবর রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম খারঘর গণকবর। এটি বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গ্রামের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহ্যবাহী জায়গা। এই জায়গাটি স্বাধীনতা পরবর্তী অনেকেই ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে গঠিত সরকার কাছে এই এলাকা মুক্তিযোদ্ধা ও তরণ প্রজন্মের ও খারঘর গণকবর সংরক্ষণ কমিটির দাবি একটি গণকবর কমপ্লেক্স নির্মাণ ও অবহেলিত ৪৩ জন শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন করা।
বক্তারা আরো বলেন, খারঘর অনেক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার রয়েছে যাদের পরিবারের সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করতে গিয়ে শহীদ ও আহত হয়েছেন। সেই শহীদ ও আহত পরিবার সদস্যদের প্রতি সরকারের মানবিক দৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করেন।