চলারপথে রিপোর্ট :
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৫ মেঃ টন আদা আমদানি করা হয়েছে।
আজ ১০ জুলাই সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা স্থলবন্দর হয়ে আদা নিয়ে একটি পিক-আপ আখাউড়া স্থলবন্দর এসে পৌঁছে। আদাগুলো আমদানি করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেসার্স মদিনা এন্টারপ্রাইজ।
সিএন্ডএফ এজেন্ট সোয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকার মো: রাজিব উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, মোট ১০ মেঃ টন আদা এলসি করা হয়েছে।
প্রতি টন আদার মূল্য ৪৫০ মার্কিন ডলার করে মোট ৪ হাজার ৫শত মার্কিন ডলার আমদানি করা হচ্ছে। আজ ৫ মেঃ টন আদা বন্দরে এসে পৌঁছেছে।
আখাউড়া প্রতিনিধি :
আখাউড়ায় আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার কারিমা রেষ্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে ভারত ত্রিপুরা রাজ্যের ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী সংসদ’র কমিটি নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।
অনুষ্ঠানে আখাউড়া যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মমিন বাবুল’র সভাপতিত্বে ও ছাত্র নেতা মনির হোসেন’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী সংসদ’র সভাপতি ড. দেবব্রত দেবরায়, সাধারণ সম্পাদক ড. মুজাহিদ রহমান, আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মনির হোসেন বাবুল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. আবদুল্লাহ ভূইয়া বাদল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাব উদ্দিন বেগ শাপলু।
বিশেষ করে, ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী সংসদ’র কমিটি দিয়ে দুই দেশে সু-সম্পর্ক হবে বলে বক্তরা মনে করেন।
ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী সংসদ’র পক্ষ থেকে দুই দেশের মধ্যে বই সহ উপহার সামগ্রী আদান-প্রদান করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী সংসদ’র বিশিষ্ট শিল্পী ও সহ সম্পাদক স্বর্ণিমা রায়, বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী ও কোষাধ্যক্ষ নির্মল দেব, কবি গীতিকার ও কার্যকরী সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দেবনাথ, সমাজসেবী কবি ও সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরী, বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী কুশল দেব, বিশিষ্ট ব্যাচিক শিল্পী শ্বেতা দেবরায়, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী ইন্সা আক্তার, কবি গীতিকার ও সহ-সম্পাদক শ্যামল কান্তি দে, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী মনিদীপা দে, বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী শ্যামলীমা দে, বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী সাগরীমা দে, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী অমর ঘোষ, আখাউড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছরীন সফিক আলিয়া, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাওছার ভূঁইয়া, সাবেক দক্ষিণ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবুল পারভেজ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন নয়ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ তজিবুর রহমান, আখাউড়া যুব মহিলা লীগের সভাপতি রোকসানা আক্তার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন, সাজ্জাদ মাস্টার, সেলিম মিয়া, ক্রিড়াবিদ মো: সাগর হোসেন, আখাউড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অমিত হাসান অপু, কার্যকরী সদস্য শাহাবুদ্দিন রিফাত প্রমুখ।
অনলাইন ডেস্ক :
এশিয়ার দেশ চীনে আবারও দেখা যাচ্ছে করোনা সংক্রমণের ঢেউ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী জুনে দেশটিতে প্রতি সপ্তাহে নতুন ধরন এক্সবিবিতে ৬ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন।
গত বছরের ডিসেম্বরে সাধারণ মানুষের আন্দোলনের মুখে হঠাৎ করে জিরো কোভিড নীতি প্রত্যাহারে বাধ্য হয় চীন সরকার। এছাড়া তুলে নেওয়া হয় সব বিধিনিষেধ। এসব কঠোর বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার পর অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হন এবং তাদের মধ্যে ইমিউনিটি সৃষ্টি হয়। তবে নতুন ধরন এক্সবিবি এই ইমিউনিটি ধ্বংস করে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চীনের করোনা বিশেষজ্ঞ ঝং নানসেন গত সোমবার এক তথ্যে জানিয়েছেন, তাদের আশঙ্কা জুন থেকে প্রতি সপ্তাহে করোনা সংক্রমণ ৪ কোটি থেকে বেড়ে ৬ কোটি ৫০ লাখে পৌঁছাতে পারে।
সাসসেপটিবল-এক্সপোসড ইনফেকসাস-রিকভার্ড মডেলের ওপর ভিত্তি করে হিসাব-নিকাষ করে জং বলেছেন, ‘কয়েকদিন পর সংক্রমণের যে ঢেউ দেখা যাবে সেটি এড়ানো খুবই কঠিন হবে।’
ওমিক্রনের নতুন উপধরন (এক্সবিবি ১.৯.১, এক্সবিবি ১.৫ এবং এক্সবিবি ১.১৬) মোকাবিলায় চীনে ইতোমধ্যে দুটি নতুন ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েন জং। এছাড়া আরও চারটি ভ্যাকসিন অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
গত ডিসেম্বরে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর চীনের প্রায় ৮৫ ভাগ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে ওই সময়ের পর জুনে আবারও তীব্র সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঠেকাতে এখন থেকেই পদক্ষেপ নিতে হবে। ভ্যাকসিন দেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ এন্টি ভাইরাল ওষুধ রাখতে হবে।
২০২০ সালের ১১ মার্চ ডব্লিউএইচও করোনাকে মহামারি ঘোষণা করার পর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে চীনসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ দীর্ঘ লকডাউন, সপ্তাহের পর সপ্তাহব্যাপী বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন, সামাজিক দূরত্ববিধি, বাধ্যতামূলক করোনা টেস্টসহ কঠোর সব বিধি জারি করেছিল। তবে ২০২১ সালের প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রায় সব বিধি উঠিয়ে নিলেও চীন সে পথে হাঁটেনি।
বরং মহামারির প্রায় তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও দেশজুড়ে যাবতীয় কঠোর করোনাবিধি জারি রেখেছিল চীন। সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এই দেশটির এ অবস্থান পরিচিতি পেয়েছিল জিরো কোভিড নীতি হিসেবে।
তার সুফলও অবশ্য পাওয়া যাচ্ছিল। মহামারির দুই বছরে যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেখানে লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত ও হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে— সেখানে চীনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী এই সময়সীমার মধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন মাত্র ৩৩ হাজারের কিছু বেশি মানুষ এবং মৃত্যু ছিল এক হাজারের কিছু ওপরে।
কিন্তু প্রায় তিন বছর কঠোর করোনা বিধির মধ্যে থাকার জেরে অতিষ্ঠ চীনের সাধারণ জনগণ ২০২২ সালের নভেম্বরের শেষদিকে করোনা বিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে। জনগণের এই বিক্ষোভের পর ডিসেম্বরের প্রথম দিকে ‘জিরো কোভিড’ নীতি থেকে সরে এসে সব করোনাবিধি শিথিল করে দেয় দেশটির সরকার।
তারপর থেকেই দেশটিতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় উল্লম্ফন দেখা যায়। ওই সময় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছিলেন, হাসপাতালগুলো করোনা রোগীদের উপচে পড়া ভীড় দেখা গিয়েছিল।
গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যেভিত্তিক স্বাস্থ্যতথ্য গবেষণা সংস্থা এয়ারফিনিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, চীনে কোভিডজনিত অসুস্থতায় প্রতিদিন ৯ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছিলেন। যদিও চীন এসব দাবি অস্বীকার করেছিল।
অনলাইন ডেস্ক :
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরাঁ বলেছেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অধিকারকে অস্বীকার করা অগ্রহণযোগ্য। ফিলিস্তিনি জনগণের তাদের নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনকে সবার স্বীকৃতি দিতে হবে। গতকাল শনিবার উগান্ডায় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের এক সামিটে তিনি এ কথা বলেন। খবর এএফপি।
উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় আয়োজন করা হয় এই সামিট। এতে গুতেরেস বলেন, ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান মেনে নিতে অস্বীকৃতি এবং ফিলিস্তিনি জনগণের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পাওয়ার অধীকারকে অস্বীকার করা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
গুতেরেস আরও বলেন, এসব দাবিকে স্বীকৃতি না দেয়ার মতো অবস্থান অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধকে প্রলম্বিত করবে। এটা হবে বিশ্বের শান্তি, নিরাপত্তার জন্য বড় রকমের হুমকি। বৃদ্ধি পাবে মেরুকরণ। সর্বত্র চরমপন্থিরা উজ্জীবিত হবে।
উল্লেখ্য, গাজায় যোদ্ধাগোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইলের প্রধান মিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ সমর্থক যুক্তরাষ্ট্র। তারাও স¤প্রতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে।
কিন্তু সম্প্রতি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও নিশ্চিত করেছেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের বৈধতায় তার বিরোধিতার কথা। এর ফলে তার মিত্র যুক্তরাষ্ট্র থেকেও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
চলারপথে ডেস্ক :
কুয়েতে সোমবার তেলের খনিতে পাইপ লাইন ছিদ্র হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে তেল সারা মরুভূমিতে। দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম আল রাই,ও আরব টাইমস এক সংবাদে প্রকাশ করেছে। দেশটির পশ্চিমাঞ্চল তেলের খনি থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ার ২০ মার্চ সোমবার জরুরী অবস্থা ঘোষনা করে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি (KOC). রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানীর একজন মুখপাত্র কুসাই আল আমের, এক বিবৃতিতে জানান, তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি,তবে বিষাক্ত ধোঁয়া ও শনাক্ত করা যায়নি। তেল উতপাদনে ও কেনো ব্যাঘাত ঘটেনি বলে বিবৃতিতে বলা হয়।
কুয়েত তেল কোম্পানির মুখপাত্র আরো বলেন, তেলের খনিতে পাইপ লাইন ছিদ্র হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে তেল মরুভূমিতে । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিম পাঠানো হয়েছে । কুয়েতে তেল কোম্পানির টুইটার একাউন্টে ও এখবর পোস্ট করা হয়েছে। কুয়েত বিশ্বের অন্যতম তেল উতপাদন কারী দেশ, দেশটির শতকরা ৯০ ভাগ রাজস্ব আয় আসে তেল থেকে।
অনলাইন ডেস্ক :
ইউক্রেনে বোমা হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অনেকে। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝিয়ায় রুশ সামরিক বাহিনীর হামলায় হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।
আজ ৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝিয়ায় রাশিয়ার বোমা হামলায় অন্তত ১৩ বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
৮ জানুয়ারি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির টেলিগ্রাম পেইজে পোস্ট করা গ্রাফিক ফুটেজে দেখা গেছে, শহরের রাস্তায় আহত রক্তাক্ত বেসামরিক নাগরিকদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন জরুরি পরিষেবার কর্মীরা।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি লিখেছেন, “শহরে বিমান বোমা হামলার চেয়ে নৃশংস আর কিছু নেই, সাধারণ বেসামরিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে জেনেও (এই হামলা চালানো হয়েছে)।”
ইউক্রেনের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় বলেছে, হামলায় বহু উঁচু আবাসিক ব্লক, শিল্প স্থাপনা এবং অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, ধ্বংসাবশেষ একটি ট্রাম ও বাসের ওপর আছড়ে পড়ে যার ভেতরে যাত্রীরা ছিলেন।
আঞ্চলিক গভর্ণর ইভান ফেডোরভ বলেছেন, রাশিয়ার বাহিনী শহরের একটি আবাসিক এলাকায় গাইডেড বোমা নিক্ষেপ করেছে এবং হামলায় অন্তত দুটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে প্রায় তিন বছর ধরে চলমান এই যুদ্ধের সময় মস্কো প্রায়ই সময়ই বেসামরিক অবকাঠামোতে বিমান হামলা চালিয়েছে। যদিও ধারাবাহিকভাবে বেসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করে হামলার কথা অস্বীকার করেছে রাশিয়া।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। রুশ সেই আগ্রাসনের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর মাধ্যমে এবং অন্যান্য সহযোগী দেশগুলোর মাধ্যমে ইউক্রেনকে অস্ত্র ও অন্যান্য সহায়তা সরবরাহের কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সর্বাত্মক হামলা শুরুর পর থেকে পূর্ব ইউরোপের এই দেশটিতে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। প্রায় তিন বছর ধরে চলা এই যুদ্ধে ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া- চারটি প্রদেশের আংশিক দখল নিয়েছে রুশ বাহিনী। চার প্রদেশের রাশিয়ার দখলে যাওয়া অংশের সম্মিলিত আয়তন ইউক্রেনের মোট ভূখণ্ডের এক-পঞ্চমাংশ। অবশ্য যুদ্ধরত এই দুই দেশের কেউই তাদের নিজস্ব ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য প্রকাশ না করলেও পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো হতাহতের সংখ্যা কয়েক লাখ বলে অনুমান করছে।