অনলাইন ডেস্ক :
২৩টি শর্তে সমাবেশের জন্য বিএনপিকে অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আজ ১১ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ অনুমতি দেওয়া হয়।
ডিএমপির কমিশনারের পক্ষে বিশেষ সহকারী সৈয়দ মামুন মোস্তফা সই করা এক লিখিত স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়।
ডিএমপির শর্তে উল্লেখ করা হয়, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ শর্ত যথাযথভাবে পালন সাপেক্ষে ১২ জুলাই দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে (পুলিশ হাসপাতাল ক্রসিং থেকে নাইটিঙ্গেল মোড় পর্যন্ত মধ্যবর্তী স্থানে) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ করার অনুমতি প্রদান করা হলো।
চলারপথে রিপোর্ট :
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন, জয় বাংলা শ্লোগানকে বুকে ধারন করতে হবে। জয় বাংলা এখন জাতীয় শ্লোগান। জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে আমরা অস্ত্র হাতে নিয়ে ছিলাম।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে জয় বাংলা আমাদের শক্তি ও সাহস যুগিয়ে ছিল। শিশু কিশোরদের সাথে মিশলেই ভাল মানুষ হওয়া যায়। শিশু কিশোরদের নিয়ে সুন্দর পৃথিবী ও দেশ গড়ার জন্য আমার জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কাজ করে যাব।শিশু এবং কিশোররাই হল আগামী দিনেন ভবিষ্যৎ। বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ মাঠে খেলাঘর আসরের চারদিন ব্যাপী ক্যাম্পের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ মাঠে শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যামে তৃতীয় দিন অতিবাহিত করেছে শিশু কিশোররা। এই ক্যাম্প চলবে আগামীকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের ক্যাম্পের মূল শ্লোগান ‘বাল্য বিবাহকে না বলুন’।
আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকালে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এতে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা সভাপতি ডাঃ আবু সাঈদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-বিজয়নগর আসনের সংসদ সদস্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক প্রনয় সাহা, সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান শহীদ, অ্যাডঃ ইমাম হোসেন ঠান্ডু, হান্নান চৌধুরী, ভারত থেকে আগত সর্বভারতীয় সবপেয়েছির আসরের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ চক্রবর্তী, জেলা খেলাঘর আসরের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ সুনীল কুমার মিন্টু ও জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার। পরে বিভিন্ন আসরের শিশু কিশোরদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে কবিতা, গান, নিত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এ ক্যাম্পে বাংলাদেশের পাঁচ শতাধিক শিশুসহ ভারতীয় শিশু-কিশোর সংগঠনের সদস্যরা অংশ গ্রহন করেছেন।
ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে। তাতে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সহযোগিতা ছিল। গত ১৫ বছর বিএনপির নেতাদের অনেক জেল জুলুম খাটতে হয়েছে। কেউ বাড়িতে থাকতে পারেনি। আমরা চাইনা আমাদের মত মিথ্যা মামলায় কেউ হয়রানির শিকার হন।
গতকাল ২৯ নভেম্বর শুক্রবার বিকালে বুধন্তি ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
তিনি বলেন, যারা অপরাধী তাদের বিচার করতে হবে। আমরা ৩১ দফার বাস্তবায়ন চাই এবং বর্তমান সরকারকে সব ধরণের সহায়তা করব। যত দ্রুত সম্ভব একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার কে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবেন।
বুধন্তি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে ও আজিজুর রহমান হেলালের পরিচালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক পিপি শফিকুল ইসলাম, এড. তরিকুল ইসলাম রুমা, নিয়ামুল হক,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জমির দস্তগীর, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজমুল হক, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রাসেল মিয়া, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রেজুয়ানুল হক শিষ, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কামাল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মিজানুল ইসলাম, কাজী সজল মিয়া, হামিদুল হক খোকা, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নয়ন মিয়া প্রমুখ।
দুলাল মিয়া :
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগরের ৮ ইউনিয়ন) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী খালেদ হোসেন শ্যামল বলেছেন, বিএনপি যতবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, ততবারই আলেম-ওলামাদের পরামর্শে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে।
২৮ জানুয়ারি বুধবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার পয়াগ-নরসিংসার মাঠে নাটাই উত্তর, নাটাই দক্ষিণ ও সাদেকপুর ইউনিয়নের ওলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সদর উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মুফতি ইয়াছিন আরাফাতের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মুফতি নুরুল্লাহ আল মানসুরের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী শ্যামল বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে মনোনয়ন দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। সে সময় আলেমদের সঙ্গে মিলেই রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতের মতো বর্তমানেও আলেম সমাজের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে আলেমদের পরামর্শে দেশ পরিচালনা ও উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা রশিদ আহমদ, সদস্য সচিব কাজী মাওলানা ইয়াহইয়া মাছউদসহ বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষক, ওলামা দল ও ছাত্র ওলামা পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
চলারপথে রিপোর্ট :
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, বিএনপির শুভবুদ্ধির উদয় হোক। তারা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ছেড়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে সরকারের কোনো আপত্তি থাকবে না।
আজ ২৪ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া খরমপুর কেল্লা শহীদের মাজার জিয়ারতকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কিছু বলার থাকলে তারা ইলেকশন কমিশনকে বলুক। কমিশন সেটি বিবেচনা করবে।
মন্ত্রী বলেন, যদি বিএনপি নির্বাচনে আসতে চায় আমরা তাদের সব সময় অভিনন্দন জানাই। ধ্বংসাত্মক কাজ ছেড়ে সাংবিধানিক পথে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা থাকবে।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অংগ্যজাই মারমা, কসবা-আখাউড়া সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুল ইসলাম, আখাউড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার বাহার মালদার প্রমুখ।