অনলাইন ডেস্ক :
২৩টি শর্তে সমাবেশের জন্য বিএনপিকে অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আজ ১১ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ অনুমতি দেওয়া হয়।
ডিএমপির কমিশনারের পক্ষে বিশেষ সহকারী সৈয়দ মামুন মোস্তফা সই করা এক লিখিত স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়।
ডিএমপির শর্তে উল্লেখ করা হয়, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ শর্ত যথাযথভাবে পালন সাপেক্ষে ১২ জুলাই দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে (পুলিশ হাসপাতাল ক্রসিং থেকে নাইটিঙ্গেল মোড় পর্যন্ত মধ্যবর্তী স্থানে) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ করার অনুমতি প্রদান করা হলো।
অনলাইন ডেস্ক :
খুনের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের উত্থান হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জিয়াউর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যের নির্মমভাবে হত্যা করে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তার ছেলে তারেক জিয়া গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ২৪ জন মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। তাদের উত্থানই হয়েছে খুনের মাধ্যমে।
আজ ২৫ আগস্ট শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার প্রাচীন বিদ্যাপীঠ আড়ানী মনোমোহিনী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের সঞ্চালনায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা একের পর এক উন্নয়ন করে চলেছেন। এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা কুপি, চেরাগ বাতি চেনে না। কারণ দেশে এখন শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি।
ঢাকায় ইতোমধ্যে মেট্রো রেল চালু হয়েছে। এ ছাড়া অনেকগুলো মেগাপ্রকল্প চলমান। অথচ মির্জা ফখরুল বলেন- দেশে উন্নয়ন হয়নি।
বিএনপির সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ইদানীং লক্ষ করছি বিএনপি নেতাদের গলায় হতাশার সুর।
কারণ তারা ভেবেছিল তাদের সব চাওয়া পূর্ণ করে নির্বাচন হবে। তারা বিদেশিদের সাপোর্ট পাবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দেশ তাদের আহ্বানে সাড়া দেয়নি। কারণ শেখ হাসিনার প্রতি সব দেশের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। তারা বুঝতে পেরেছে এ দেশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সভাপতির বক্তব্যে বলেন, আমরা আজ যে স্কুল মাঠে শোকসভা করছি, এই স্কুল থেকে পড়ালেখা করে তৎকালীন মন্ত্রিত্ব করেছেন প্রভাষ চন্দ্র লাহিড়ী। এ অঞ্চলের মানুষ ক্রীড়া ও সংস্কৃতিপ্রিয় মানুষ।
তিনি বলেন, সকাল থেকে এখানে বৃষ্টি হচ্ছে। তার পরও মানুষ যেভাবে শোকসভায় সাড়া দিয়েছে তা দেখে মনে হচ্ছে ২০০৮ সালের নির্বাচনের ন্যায় এবারও আওয়ামী লীগে গণজোয়ার আসবে। এ দেশের জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। যত দিন বাংলাদেশকে সোনার বাংলা গড়তে না পারব তত দিন আমরা ক্ষমতায় থাকব।
শোকসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ দারা। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আদিবা আনজুম মিতা ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলফোর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, সাবেক সংসদ সদস্য জিন্নতুন নেছা তালুকদার, বেগম আখতার জাহান, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহ, আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী, চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক, বাঘার পাঁচজন ইউপি চেয়ারম্যান, বাঘা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতা, রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রোকনুজ্জামান রেন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী প্রমুখ।
অনলাইন ডেস্ক :
অতীতে জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন ছিল। এবার সেনাবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। নির্বাচনে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি বলেন, অতীতের মতো সেনাবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। তবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি।
আজ ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অবাধ নির্বাচনের জন্য ইসি সবাইকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের প্রতি কারও কোনো চাপ নেই। শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন অন্য সবাইকে চাপ দিয়ে বেড়াচ্ছেন। বিদেশিরা কখনই আমাদের চাপ দেয়নি। আমাদের চাপ দেওয়ার অধিকারও তাদের নেই।
নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে মো. আলমগীর বলেন, এ মুহূর্তে কোনো সুযোগ আছে বলে আমাদের আইন অনুযায়ী দেখছি না। আমাদের যে পর্যন্ত সুযোগ ছিল আমরা বলেছি। যদি তারপরও কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায়, সেক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে হবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কায়ছারুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিউর রহমান প্রমুখ।
চলারপথে রিপোর্ট :
জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কমিটি ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
এ উপলক্ষে আনন্দ মিছিল করেছেন নেতাকর্মীরা। গত ১ জুলাই সোমবার বিকেলে বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে শহরের লোকনাথ ট্যাংকের পাড় থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু। পরে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া গণমানুষের নেতা র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কমিটি নবীন প্রবীণের সমন্বয়ে করা হয়েছে। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং গৃহায়ন গণপূর্ত মন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় তিনি জানান, আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের অধিনস্থ সব অঙ্গ সংগঠনের সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে তৃণমূলে আওয়ামী লীগ অঙ্গ সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে।
অপরদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু বলেন, ‘আগামী দিনে যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থেকেই সরকার বিরোধী অপশক্তিকে মোকাবিলা করবে।’
শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন-২, ডা. মো. আবু সাঈদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহাবুল আলম খোকন, তাসলিমা সুলতান খানাম নিশাত, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. মহসিন, সৈয়দ এখতেশামুল বারী তানজিল, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এমবি কানিজ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক স্বপন রায়, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস, দপ্তর সম্পাদক মো. মনির হোসেন ও শ্রম সম্পাদক মোশতাক আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক :
গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও টানা চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ ১২ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পরিদর্শন বইয়ে এ মন্তব্য লেখেন শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘৭ জানুয়ারি ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে। এ বিজয় জনগণের বিজয়, এ বিজয় গণতন্ত্রের বিজয়। বাংলাদেশের আর্থ-সামজিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’
তিনি আরো লিখেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে উঠবে ইনশাল্লাহ। লাখো শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।’
পরিদর্শন বই স্বাক্ষরের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
গতকাল ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে টানা চতুর্থবার ও সব মিলিয়ে পঞ্চমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
আশুগঞ্জ প্রতিনিধি :
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-(সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপ-নির্বাচন। নির্বাচনে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া এই আসনের ৫ বাবের সাবেক সংসদ সদস্য উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়ার (কলারছড়ি) প্রতীক পক্ষে কাজ করতে ও নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে আশুগঞ্জ উপজেলার সকল স্তরের জনপ্রতিনিধিদের (ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার) নির্দেশনা দিয়েছে আওয়ামীলীগ।
উপ-নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বৃদ্ধিও অবাধ, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে আজ ২৭ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই নির্দেশনা দেয়া হয়। আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার।
আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হানিফ মুন্সীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হান্নার রতন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারি কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু, বাংলাদেশ আইন সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান আনসারি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের আহমেদ।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপির ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারনে জাতীয় সংসদ থেকে উকিল আবদুস সাত্তার পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তিনি তার ভুল বুঝতে পেরে উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহন করেছেন।
বক্তারা বলেন, উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া একজন ভালো মানুষ। এই আসনের নির্বাচিত ৫বারের সাবেক এমপি। তৃনমূলে তার ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে। এদিকে এই আসনে আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী নেই। আওয়ামীলীগ গণতন্ত্র, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিশ্বাসী। তাই আওয়ামীলীগ উকিল আবদুস সাত্তারকে সমর্থন দিয়েছে। নির্বাচনে তার জয়ের মধ্য দিয়ে আবারো প্রমান হবে আওয়ামীলীগ অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনে বিশ্বাসী। দেশ ও বিদেশে এ বার্তা প্রচার হবে। এ জন্য ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও তৃণমুলের নেতা-কর্মীদের সজাগ থাকতে হবে। যাতে নির্বাচনের দিন বিএনপি-জামাত কোন ধরনের বিশৃংখলা সৃষ্টি করতে না পারে। এজন্য এ উপ-নির্বাচনকে নিজেদের নির্বাচন মনে করে বেশী সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
মতবিনিময় সভায় উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারগন উপস্থিত ছিলেন।