চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বেগম শারমিন নিগার বলেছেন, আইন সহায়তা দেয়ার নামে রেজিষ্টেশনবিহীন কিছু সংগঠন সাইন বোর্ড সার্টিয়ে বিচার প্রার্থী মানুষকে প্রতারনা করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে আইনগত সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়ে আর্থিক সুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা হাতিয়ে নিচ্ছে। তিনি আইন সহায়তার নামে প্রতারনা করা এসব সংগঠনের বিরুদ্ধে দ্রুত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, লিগ্যাল এইড কমিটি কাজ হচ্ছে গরীব, অসহায় ও অস্বচ্ছল বিচার প্রার্থীর মানুষের সরকারী খরচে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার বিকাল ৩টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজিত মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বক্তব্যে রাখেন বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ পারভেজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোনাহর আলী, জেলা সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শাখাওয়াত হোসেন, জিপি এডঃ মোঃ ওয়াছেক আলী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ,কে এম কামরুজ্জামান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জসিম উদ্দিন, স্বনির্ভর এর পরিচালক এস.এম শাহীন।
জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ রহিমা আলাউদ্দিন মুন্নির সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী জজ মোঃ ওমর ফারুক, জেল সুপার শহীদুল ইসলাম, প্রোগ্রাম অফিসার ইউনুছ আলী, রফিকুল ইসলাম সুমন, এডঃ ফাহমিদা আক্তার, এডঃ মিলি বেগম, এডঃ শেখ সাজিদুর রহমান সজিব, এডঃ মোঃ মাহমুদুল হক, এডঃ আব্দুল আজিজ খান, প্রবেশন অফিসার মোছাঃ রিমা আক্তার প্রমুখ।
এসময় লিগ্যাল এইড অফিসার মামলার অগ্রগতি সভা সমূহে উপস্থাপন করেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
অষ্টগ্রাম সমাজ কল্যাণ সমিতির ৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। আজ ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমাজসেবা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অষ্টগ্রাম সমাজকল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জজকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাড: আমিনুল হক আমিন।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মমিনুল হকের পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোঃ আঃ সালাম, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আফসার, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন সরকার, বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আবুল কালাম, মোঃ হারুন অর রশিদ, সমিতির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবুল বাসার, মোঃ জহির উদ্দিন দুলাল, সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফায়জুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল খালেক মাষ্টার প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ আশরাফ আলী ভেন্ডারী, আলহাজ্ব মোঃ দারুল ইসলাম মাষ্টার, মোঃ আঃ মতিন (আক্কাস মিয়া) প্রমুখ।
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১৭ এপ্রিল বুধবার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক মো মনির হোসেন এর সঞ্চালনায় মূল বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু।
আলোচনা করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল কালাম ভূঞা, সাধারণ সম্পাদক এমএএইচ মাহবুব আলম, পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জেলা কৃষক লীগের আহবায়ক সাদেকুর রহমান শরীফ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এড. তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান আরিফ, জেলা শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খান আশা, পরিবহন শ্রমিক লীগ সভাপতি বারীন্দ্রনাথ ঘোষ। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের প্রয়াত সভাপতি, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এবং বাংলাদেশ বেতারের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংবাদদাতা রিয়াজউদ্দিন জামির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার বাদ আসর জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামে মসজিদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ জসীম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, সহ সভাপতি নিয়াজ মোঃ খান বিটু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সাবেক সভাপতি খ, আ, ম রশিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি মনজুরুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সহ সভাপতি সৈয়দ মোঃ আকরাম, সাবেক সহসভাপতি মফিজুর রহমান লিমন, সাবেক সহসভাপতি ইব্রাহিম খান সাদত, সাবেক কোষাধক্ষ্য আশিকুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শিহাব উদ্দিন বিপু, কোষাধক্ষ্য মোশাররফ হোসেন বেলাল, দপ্তর সম্পাদক শাহজাহান সাজু, আইসিটি সম্পাদক মোজাম্মেল চৌধুরী, কার্যকরী কমিটির সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আইসিটি সম্পাদক জালাল উদ্দিন রুমি, সদস্য ইসহাক সুমন, সাংবাদিক খন্দকার স্বপন, মনিরুজ্জামান পলাশ, আশেক মান্নান হিমেল, মেহেদী নূর পরশ, প্রকাশ দাস। এছাড়াও বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক, সূধী সমাজসহ নানা শ্রেণী পেশার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন। মরহুম রিয়াজ উদ্দিন জামির রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন সদর হাসপাতাল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আনোয়ার।
এছাড়াও আজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে মরহুম রিয়াজ উদ্দিন জামির রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। জেলা সদর হাসপাতাল জামে মসজিদে এই দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে আগামীকাল শুক্রবার মরহুম রিয়াজ উদ্দিন জামির পরিবারের পক্ষ থেকে কালইশ্রী পাড়াস্থ বাসভবনে দোয়া এবং দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৬ মার্চ রাত সোয়া ১১টার দিকে তিনি ভারতের মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘ ছয় মাস ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, স্ত্রী, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মেধাবী ও সাহসী সাংবাদিক জামি ১৯৭৪ সালের ৩০ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের শীর্ষ দৈনিক জনকণ্ঠ, দেশের প্রথম বেসরকারী টিভি চ্যানেল একুশে টিভি, আরটিভি, এনটিভি, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গনমাধ্যমে সুনামের দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর পিতা মরহুম আব্দুস সাহিদ ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বহু গ্রন্থের প্রণেতা গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক উপাধক্ষ্য ও মাতা মরহুম ফাতেমা বেগম। তাঁদের তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ের সবাই উচ্চশিক্ষিত এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত।
চলারপথে রিপোর্ট :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় সঙ্গীতের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর আয়োজনে মানববন্ধন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।
আজ ৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের আধুনিক পৌর সুপার মার্কেটের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন চলাকালে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা সংসদের সভাপতি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস রহমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক অ্যাডভোকেট আবদুন নূর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও সমাজকর্মী অ্যাডভোকেট নাসির প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন করা যাবে না। এই গানের মধ্যে আবেগ আছে, ভালোবাসা আছে, দরদ আছে, দেশপ্রেম আছে। এই গানের জন্ম হয়েছে পূর্ব বাংলার শিলাইদহে। এই জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সুরে-সুরে আকাশ, বাতাস, প্রকৃতিকে নিয়ে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ দেশ প্রেমের এই সঙ্গীত রচনা করেছেন। ১৯৭১ সালের আগেও এই গান গেয়েছি আমরা। এই গানের মধ্য দিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। আজকে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন পর্যন্ত আমাদের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমাদের শ্রদ্ধা আছে, ভালোবাসা আছে। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
চলারপথে রিপোর্ট :
প্রবাসী স্বামী মোবাইলে তালাক বলায় মারিয়া আক্তার (২১) নামের এক গৃহবধূ কেঁরির ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১৮ জানুয়ারি শনিবার দুপুর ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনা হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মারিয়া আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের চান্দি গ্রামের আইয়ুব মিয়ার মেয়ে।
হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২ বছর আগে উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের টাংগা গ্রামের মুসা মিয়ার ছেলে সৌদি প্রবাসী তানজিল চৌধুরীর সাথে মারিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের দুইজনের মাঝে প্রেম ছিল। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর বনাবনি তেমন ভাল ছিল না। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝুট-ঝামেলা চলতো। শনিবার স্বামীর তর্কাতর্কির সময় স্বামী মোবাইলে তালাক বললে অভিমানে কেঁরির ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেন মারিয়া।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন জানান, এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মর্গে রাখা হয়েছে। তবে কি কারণে আত্মহত্যা করেছে তা তদন্ত চলছে।